উগান্ডার উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের আরুয়া সিটিতে গত ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ পুলিশ দুই তরুণীকে গ্রেপ্তার করেছে, যাদের বিরুদ্ধে সমবয়সী যৌন আচরণ ও প্রকাশ্যে একে অপরকে চুমু খাওয়ার অভিযোগে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। অভিযোগ অনুযায়ী স্থানীয় কয়েকজন প্রতিবেশী তাদেরকে “খোলামেলা চুমু খেতে” দেখেছে এবং পুলিশের কাছে ছবি evidence হিসেবে জমা দিয়েছে।
গ্রেপ্তার হওয়া দুই জনের মধ্যে একজন ২২ বছর বয়সী একজন নৃত্যশিল্পী ও অপরজন ২১ বছর বয়সী একজন বেকার। পুলিশ জানিয়েছে তারা ফেব্রুয়ারি ১২ থেকে এক রুমে বসবাস করছিল এবং সেই অবস্থায়ই জনসমক্ষে তাদের আচরণে সম্প্রদায়ের লোকজন সন্দেহ করতে থাকে। পুলিশের কথায়, তারা “সমকামী আচরণ” করেছেন বলে অভিযোগ পাওয়ায় পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
এই ঘটনা উগান্ডার ২০২৩ সালের ‘এন্টি-হোমোসেক্সুয়ালিটি অ্যাকট’ (Anti-Homosexuality Act, 2023) আইন প্রয়োগে ঘটেছে। এই আইন একই যৌন সম্পর্ককে কঠোরভাবে অপরাধ হিসেবে গণ্য করে। সাধারণ সমকামী যৌন সম্পর্কের জন্য জীবনভর কারাদণ্ড হতে পারে এবং নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে “ভিন্নধর্মী” বা “এগ্রাভেটেড” অপরাধে মৃত্যুদণ্ড পর্যন্ত প্রস্তাব করা হয়েছে। আইনটি আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠন, পশ্চিমা দেশ ও জাতিসংঘের সমালোচনার মুখে পড়েছে।
গ্রেপ্তারকৃতরা বর্তমানে স্থানীয় পুলিশ বিভাগে আটক রয়েছেন এবং তাদের বিরুদ্ধে আইনি আনুষ্ঠানিক মামলা বা মধ্যস্থতা কতটা এগিয়েছে তা এখনো পরিস্কারভাবে জানানো হয়নি। মানবাধিকার কর্মীরা এই ধরণের আইন প্রয়োগ ও গ্রেপ্তারের ঘটনায় সমালোচনা করেছেন এবং এটিকে কেবল আইনের প্রয়োগ নয় বরং এলজিবিটি+ সম্প্রদায়ের ওপর চাপ ও ভয় সৃষ্টি করা হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
সংক্ষেপে, উগান্ডায় সমকামী সম্পর্ক বা প্রকাশ্যে একই লিঙ্গের প্রতি সনাক্ত আচরণকে অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হয়, এবং সেই আইনের ভিত্তিতে দুই তরুণীকে চুমু খাওয়ার অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এই আইন ও ঘটনার পেছনের বৈধ প্রসঙ্গ, আন্তর্জাতিক প্রতিক্রিয়া ও মানবাধিকার নেতাদের উদ্বেগও রয়েছ।

বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
উগান্ডার উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের আরুয়া সিটিতে গত ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ পুলিশ দুই তরুণীকে গ্রেপ্তার করেছে, যাদের বিরুদ্ধে সমবয়সী যৌন আচরণ ও প্রকাশ্যে একে অপরকে চুমু খাওয়ার অভিযোগে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। অভিযোগ অনুযায়ী স্থানীয় কয়েকজন প্রতিবেশী তাদেরকে “খোলামেলা চুমু খেতে” দেখেছে এবং পুলিশের কাছে ছবি evidence হিসেবে জমা দিয়েছে।
গ্রেপ্তার হওয়া দুই জনের মধ্যে একজন ২২ বছর বয়সী একজন নৃত্যশিল্পী ও অপরজন ২১ বছর বয়সী একজন বেকার। পুলিশ জানিয়েছে তারা ফেব্রুয়ারি ১২ থেকে এক রুমে বসবাস করছিল এবং সেই অবস্থায়ই জনসমক্ষে তাদের আচরণে সম্প্রদায়ের লোকজন সন্দেহ করতে থাকে। পুলিশের কথায়, তারা “সমকামী আচরণ” করেছেন বলে অভিযোগ পাওয়ায় পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
এই ঘটনা উগান্ডার ২০২৩ সালের ‘এন্টি-হোমোসেক্সুয়ালিটি অ্যাকট’ (Anti-Homosexuality Act, 2023) আইন প্রয়োগে ঘটেছে। এই আইন একই যৌন সম্পর্ককে কঠোরভাবে অপরাধ হিসেবে গণ্য করে। সাধারণ সমকামী যৌন সম্পর্কের জন্য জীবনভর কারাদণ্ড হতে পারে এবং নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে “ভিন্নধর্মী” বা “এগ্রাভেটেড” অপরাধে মৃত্যুদণ্ড পর্যন্ত প্রস্তাব করা হয়েছে। আইনটি আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠন, পশ্চিমা দেশ ও জাতিসংঘের সমালোচনার মুখে পড়েছে।
গ্রেপ্তারকৃতরা বর্তমানে স্থানীয় পুলিশ বিভাগে আটক রয়েছেন এবং তাদের বিরুদ্ধে আইনি আনুষ্ঠানিক মামলা বা মধ্যস্থতা কতটা এগিয়েছে তা এখনো পরিস্কারভাবে জানানো হয়নি। মানবাধিকার কর্মীরা এই ধরণের আইন প্রয়োগ ও গ্রেপ্তারের ঘটনায় সমালোচনা করেছেন এবং এটিকে কেবল আইনের প্রয়োগ নয় বরং এলজিবিটি+ সম্প্রদায়ের ওপর চাপ ও ভয় সৃষ্টি করা হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
সংক্ষেপে, উগান্ডায় সমকামী সম্পর্ক বা প্রকাশ্যে একই লিঙ্গের প্রতি সনাক্ত আচরণকে অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হয়, এবং সেই আইনের ভিত্তিতে দুই তরুণীকে চুমু খাওয়ার অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এই আইন ও ঘটনার পেছনের বৈধ প্রসঙ্গ, আন্তর্জাতিক প্রতিক্রিয়া ও মানবাধিকার নেতাদের উদ্বেগও রয়েছ।

আপনার মতামত লিখুন