ঢাকা    বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

দলিল জালিয়াতি মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানার জেরে বাড়িতে হামলা-লুটপাট, ১১ জনের বিরুদ্ধে মামলা



দলিল জালিয়াতি মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানার জেরে বাড়িতে হামলা-লুটপাট, ১১ জনের বিরুদ্ধে মামলা
ছবি: সংগৃহীত

দলিল জালিয়াতির মামলা করায় বাড়িতে হামলা, লুটপাট ও মারধরের অভিযোগে উঠেছে তাঁরই সৎ ভাই, ভাতিজাদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) ১১ জনের বিরুদ্ধে কিশোরগঞ্জ চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলা দায়ের করেছেন ভুক্তভোগী মো. জসিম উদ্দিন। আদালত অভিযোগটি এফআইআর হিসেবে গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছেন। পরে বিচারক মামলাটি এফআইআর হিসেবে গ্রহণের জন্য কিশোরগঞ্জ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে নির্দেশ দেন।

ভুক্তভোগী জসিম উদ্দিন কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার বিন্নাটি ইউনিয়নের যুগিরখালি গ্রামের মৃত ছফির উদ্দিনের ছেলে। অন্যদিকে অভিযুক্তরা হলেন সৎ ভাই ফজলুর রহমান, জিল্লুর রহমান, ভাতিজা শান্ত মিয়া, চাচাতো ভাই মো. রফিক মিয়া, ইয়াসিন মিয়া, মোস্তফা, সৎ ভাই ফজলুর রহমানের স্ত্রী রাহিমা আক্তার, ভাতিজি সায়মা আক্তার, চাচার ভাই মোস্তফার স্ত্রী আছিয়া, সৎ ভাই জিল্লুর রহমানের স্ত্রী হিমা বেগম ও চাচাতো ভাই রফিক মিয়া স্ত্রী অনুফা আক্তার।

মামলার এজাহারে বলা হয়, ২০২৫ সালে জসিম উদ্দিন তাঁর সৎ ভাই ফজলুর রহমানের বিরুদ্ধে ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইনে চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে দলিল জালিয়াতির মামলা দায়ের করেন। এ মামলায় গত ১৫ ফেব্রুয়ারি ফজলুর রহমানের বিরুদ্ধে আদালত গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন। এর জের ধরে গত ২১ ফেব্রুয়ারি দুপুর দেড়টার দিকে ভুক্তভোগী জসিম উদ্দিনের বাড়িতে হামলার ঘটনা ঘটে।

মামলায় উল্লেখ করা হয়, ধারালো দেশীয় অস্ত্র নিয়ে আসামিরা বাড়ি ঘেরাও করে ভাঙচুর ও গাছপালা নষ্ট করেন। আসামিরা বাদী জসিম উদ্দিন ও তাঁর স্ত্রীকে ঘর থেকে টেনে বের করে মারধর করেন এবং তাঁর স্ত্রীকে শ্বাসরোধে হত্যাচেষ্টাও করা হয়।

বাদী জসিম উদ্দিনের দাবি, তাঁর ঘর জমিজমা সংক্রান্ত দলিলপত্র লুট করে নেয়া হয়। এছাড়া সুকেসে রাখা ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা ও ৬ আনা ওজনের একটি স্বর্ণের চেইন লুট করে অভিযুক্তরা। ঘরের দরজা-জানালা ভাঙচুর এবং গাছপালা ও আসবাবপত্র নষ্ট করে প্রায় ৫ লাখ টাকার ক্ষতি করা হয়েছে বলেও দাবি করেন জসিম উদ্দিন।

বাদীপক্ষের আইনজীবী শাহাদাত হোসেন মামুন  বলেন, আদালতে মামলা দায়েরের পর বিচারক কিশোরগঞ্জ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে এফআইআর গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছেন।

এ বিষয়ে অভিযুক্তদের বক্তব্য জানতে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তাঁদের পাওয়া যায়নি।

কিশোরগঞ্জ মডেল থানার ইন্সপেক্টর (অপারেশন) শেখর রঞ্জন পাল এ বিষয়ে বক্তব্য দিতে রাজি হননি। তিনি বলেন, দেখে জানাতে হবে।

আপনার মতামত লিখুন

দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬


দলিল জালিয়াতি মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানার জেরে বাড়িতে হামলা-লুটপাট, ১১ জনের বিরুদ্ধে মামলা

প্রকাশের তারিখ : ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

featured Image

দলিল জালিয়াতির মামলা করায় বাড়িতে হামলা, লুটপাট ও মারধরের অভিযোগে উঠেছে তাঁরই সৎ ভাই, ভাতিজাদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) ১১ জনের বিরুদ্ধে কিশোরগঞ্জ চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলা দায়ের করেছেন ভুক্তভোগী মো. জসিম উদ্দিন। আদালত অভিযোগটি এফআইআর হিসেবে গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছেন। পরে বিচারক মামলাটি এফআইআর হিসেবে গ্রহণের জন্য কিশোরগঞ্জ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে নির্দেশ দেন।

ভুক্তভোগী জসিম উদ্দিন কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার বিন্নাটি ইউনিয়নের যুগিরখালি গ্রামের মৃত ছফির উদ্দিনের ছেলে। অন্যদিকে অভিযুক্তরা হলেন সৎ ভাই ফজলুর রহমান, জিল্লুর রহমান, ভাতিজা শান্ত মিয়া, চাচাতো ভাই মো. রফিক মিয়া, ইয়াসিন মিয়া, মোস্তফা, সৎ ভাই ফজলুর রহমানের স্ত্রী রাহিমা আক্তার, ভাতিজি সায়মা আক্তার, চাচার ভাই মোস্তফার স্ত্রী আছিয়া, সৎ ভাই জিল্লুর রহমানের স্ত্রী হিমা বেগম ও চাচাতো ভাই রফিক মিয়া স্ত্রী অনুফা আক্তার।

মামলার এজাহারে বলা হয়, ২০২৫ সালে জসিম উদ্দিন তাঁর সৎ ভাই ফজলুর রহমানের বিরুদ্ধে ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইনে চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে দলিল জালিয়াতির মামলা দায়ের করেন। এ মামলায় গত ১৫ ফেব্রুয়ারি ফজলুর রহমানের বিরুদ্ধে আদালত গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন। এর জের ধরে গত ২১ ফেব্রুয়ারি দুপুর দেড়টার দিকে ভুক্তভোগী জসিম উদ্দিনের বাড়িতে হামলার ঘটনা ঘটে।

মামলায় উল্লেখ করা হয়, ধারালো দেশীয় অস্ত্র নিয়ে আসামিরা বাড়ি ঘেরাও করে ভাঙচুর ও গাছপালা নষ্ট করেন। আসামিরা বাদী জসিম উদ্দিন ও তাঁর স্ত্রীকে ঘর থেকে টেনে বের করে মারধর করেন এবং তাঁর স্ত্রীকে শ্বাসরোধে হত্যাচেষ্টাও করা হয়।

বাদী জসিম উদ্দিনের দাবি, তাঁর ঘর জমিজমা সংক্রান্ত দলিলপত্র লুট করে নেয়া হয়। এছাড়া সুকেসে রাখা ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা ও ৬ আনা ওজনের একটি স্বর্ণের চেইন লুট করে অভিযুক্তরা। ঘরের দরজা-জানালা ভাঙচুর এবং গাছপালা ও আসবাবপত্র নষ্ট করে প্রায় ৫ লাখ টাকার ক্ষতি করা হয়েছে বলেও দাবি করেন জসিম উদ্দিন।

বাদীপক্ষের আইনজীবী শাহাদাত হোসেন মামুন  বলেন, আদালতে মামলা দায়েরের পর বিচারক কিশোরগঞ্জ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে এফআইআর গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছেন।

এ বিষয়ে অভিযুক্তদের বক্তব্য জানতে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তাঁদের পাওয়া যায়নি।

কিশোরগঞ্জ মডেল থানার ইন্সপেক্টর (অপারেশন) শেখর রঞ্জন পাল এ বিষয়ে বক্তব্য দিতে রাজি হননি। তিনি বলেন, দেখে জানাতে হবে।


দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ ফয়সাল আলম , মোবাইল- ০২৪১০৯১৭৩০
  প্রধান সম্পাদক: মো: আতাউর রহমান, মোবাইল: 01711-070054

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ