রাজধানীর মোহাম্মদপুরে জুলাই হত্যা মামলার একজন গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষী এবং বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মোহাম্মদপুর থানার সমন্বয়ক ইব্রাহিম খলিল শুভকে বোরকা ও মাস্ক পরা দুর্বৃত্তরা কুপিয়ে গুরুতর জখম করেছে।
রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) রাত ১০টার দিকে মোহাম্মদপুরের বসিলা এলাকার ময়ূর ভিলার সামনে তারাবির নামাজের পর একটি চায়ের দোকানে বসে থাকার সময় হামলার ঘটনাটি ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শী ও আহতের বন্ধু স্কুলশিক্ষক আরিফ আহমেদ জানান, তারা দুজন একসঙ্গে চা পান করছিলেন, এ সময় মুখ বাঁধা অবস্থায় চার থেকে পাঁচজন যুবক হঠাৎ এসে ইব্রাহিমকে লক্ষ্য করে এলোপাতাড়ি কোপাতে শুরু করে। হামলায় তার মাথায় ও হাতে গুরুতর জখম হয় এবং প্রচুর রক্তক্ষরণ হয়। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে জাতীয় অর্থোপেডিক হাসপাতাল ও পুনর্বাসন প্রতিষ্ঠানে (পঙ্গু হাসপাতাল) ভর্তি করেন এবং সেখানে তার চিকিৎসা চলছে।
ঘটনার কারণ নিয়ে দুটি পক্ষ দুরকম বক্তব্য দিয়েছে। আহত ইব্রাহিমের স্বজন ও সহযোদ্ধারা দাবি করছেন, জুলাই হত্যা মামলায় সাক্ষী হওয়ার কারণেই তাকে পরিকল্পিতভাবে লক্ষ্যবস্তু বানানো হয়েছে। অন্যদিকে পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, স্থানীয় চাঁদাবাজির ঘটনাকে কেন্দ্র করে এই হামলা হয়ে থাকতে পারে। তবে পুলিশের পক্ষ থেকে এও বলা হয়েছে, নির্বাচন-পরবর্তী সময়ে একটি মহল দেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টায় লিপ্ত রয়েছে বলে তারা মনে করছেন।
ঘটনাটি রাজনৈতিক অঙ্গনে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতাকর্মীরা এই হামলাকে মামলার সাক্ষীদের ভয় দেখানোর একটি সুপরিকল্পিত প্রচেষ্টা হিসেবে দেখছেন। ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
রাজধানীর মোহাম্মদপুরে জুলাই হত্যা মামলার একজন গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষী এবং বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মোহাম্মদপুর থানার সমন্বয়ক ইব্রাহিম খলিল শুভকে বোরকা ও মাস্ক পরা দুর্বৃত্তরা কুপিয়ে গুরুতর জখম করেছে।
রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) রাত ১০টার দিকে মোহাম্মদপুরের বসিলা এলাকার ময়ূর ভিলার সামনে তারাবির নামাজের পর একটি চায়ের দোকানে বসে থাকার সময় হামলার ঘটনাটি ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শী ও আহতের বন্ধু স্কুলশিক্ষক আরিফ আহমেদ জানান, তারা দুজন একসঙ্গে চা পান করছিলেন, এ সময় মুখ বাঁধা অবস্থায় চার থেকে পাঁচজন যুবক হঠাৎ এসে ইব্রাহিমকে লক্ষ্য করে এলোপাতাড়ি কোপাতে শুরু করে। হামলায় তার মাথায় ও হাতে গুরুতর জখম হয় এবং প্রচুর রক্তক্ষরণ হয়। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে জাতীয় অর্থোপেডিক হাসপাতাল ও পুনর্বাসন প্রতিষ্ঠানে (পঙ্গু হাসপাতাল) ভর্তি করেন এবং সেখানে তার চিকিৎসা চলছে।
ঘটনার কারণ নিয়ে দুটি পক্ষ দুরকম বক্তব্য দিয়েছে। আহত ইব্রাহিমের স্বজন ও সহযোদ্ধারা দাবি করছেন, জুলাই হত্যা মামলায় সাক্ষী হওয়ার কারণেই তাকে পরিকল্পিতভাবে লক্ষ্যবস্তু বানানো হয়েছে। অন্যদিকে পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, স্থানীয় চাঁদাবাজির ঘটনাকে কেন্দ্র করে এই হামলা হয়ে থাকতে পারে। তবে পুলিশের পক্ষ থেকে এও বলা হয়েছে, নির্বাচন-পরবর্তী সময়ে একটি মহল দেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টায় লিপ্ত রয়েছে বলে তারা মনে করছেন।
ঘটনাটি রাজনৈতিক অঙ্গনে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতাকর্মীরা এই হামলাকে মামলার সাক্ষীদের ভয় দেখানোর একটি সুপরিকল্পিত প্রচেষ্টা হিসেবে দেখছেন। ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন