পবিত্র রমজান মাসে ওমরাহ পালনকারীদের নিরাপত্তা, শৃঙ্খলা ও নির্বিঘ্ন ইবাদত নিশ্চিত করতে একটি সমন্বিত অপারেশনাল পরিকল্পনার আওতায় নতুন নির্দেশনা জারি করেছে সৌদি আরব কর্তৃপক্ষ।
রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬) ঢাকা পোস্টের প্রতিবেদনে জানা যায়, রমজান মাসে, বিশেষ করে শেষ দশ রাতে মসজিদুল হারামে লাখো মুসল্লির ঢল নামে। নামাজের আগে ও পরে কেন্দ্রীয় এলাকায় তীব্র ভিড় সৃষ্টি হয় বিধায় এবার আগেভাগেই কঠোর নির্দেশনা প্রণয়ন করা হয়েছে। মুসল্লিদের নিরাপত্তাকর্মীদের নির্দেশ মেনে চলতে, দিকনির্দেশক সাইনবোর্ড অনুসরণ করতে এবং নির্ধারিত পথ ধরে চলাচল করতে বলা হয়েছে।
যানবাহন ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে দর্শনার্থীদের গণপরিবহন ব্যবহারে উৎসাহ দেওয়া হয়েছে। ব্যস্ত সময়ে কেন্দ্রীয় এলাকায় ব্যক্তিগত গাড়ি চলাচলে বিধিনিষেধ আরোপ করা হবে। শহরের প্রান্তে নির্ধারিত পার্কিং ও শাটল সার্ভিসের ব্যবস্থা থাকবে। মসজিদের প্রবেশপথে ডিজিটাল ইন্ডিকেটর বসানো হয়েছে, যেখানে সবুজ সংকেত মানে ভেতরে জায়গা আছে এবং লাল সংকেত মানে পূর্ণ।
পথচারীদের নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করতে নির্ধারিত পথচারী এলাকায় মোটরসাইকেল, সাইকেল ও অনুমোদনহীন যান প্রবেশ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। প্রবেশপথ, করিডর ও জরুরি নির্গমন পথে জটলা না পাকানো এবং নামাজ শেষে দ্রুত এলাকা ছাড়তে আহ্বান জানানো হয়েছে।
বয়স্ক ও শারীরিক প্রতিবন্ধী মুসল্লিদের জন্য আলাদা নামাজের জায়গা, অগ্রাধিকারভিত্তিক পথ এবং ইলেকট্রিক কার্টের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। শিশু সহ পরিবারগুলোকে ব্যস্ত সময়ে ঘন ভিড়ের এলাকা এড়িয়ে চলার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
স্বাস্থ্য সুরক্ষার বিষয়ে কর্তৃপক্ষ মুসল্লিদের পর্যাপ্ত পানি পান করা, বিশ্রাম নেওয়া এবং অতিরিক্ত গরম থেকে সাবধান থাকার আহ্বান জানিয়েছে। আবাসস্থলে জরুরি নির্গমন পথ সম্পর্কে সচেতন থাকা এবং অগ্নিকাণ্ড প্রতিরোধে বিদ্যুতের অতিরিক্ত ব্যবহার না করার নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে।
এছাড়া অস্ত্র বহন, ধূমপান, ভিক্ষাবৃত্তি, অননুমোদিত পণ্য বিক্রি এবং রক্ষণাবেক্ষণাধীন এলাকায় প্রবেশ কঠোরভাবে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। মুসল্লিদের ডিজিটাল মাধ্যমে অফিসিয়াল ওমরাহ পারমিট সংগ্রহ এবং নির্ধারিত সময়সূচি মেনে চলতে বলা হয়েছে, যাতে একসঙ্গে অতিরিক্ত ভিড় না হয়। কোনো সন্দেহজনক কর্মকাণ্ড নজরে এলে তাৎক্ষণিকভাবে কর্তৃপক্ষকে জানানোর অনুরোধও করা হয়েছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
পবিত্র রমজান মাসে ওমরাহ পালনকারীদের নিরাপত্তা, শৃঙ্খলা ও নির্বিঘ্ন ইবাদত নিশ্চিত করতে একটি সমন্বিত অপারেশনাল পরিকল্পনার আওতায় নতুন নির্দেশনা জারি করেছে সৌদি আরব কর্তৃপক্ষ।
রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬) ঢাকা পোস্টের প্রতিবেদনে জানা যায়, রমজান মাসে, বিশেষ করে শেষ দশ রাতে মসজিদুল হারামে লাখো মুসল্লির ঢল নামে। নামাজের আগে ও পরে কেন্দ্রীয় এলাকায় তীব্র ভিড় সৃষ্টি হয় বিধায় এবার আগেভাগেই কঠোর নির্দেশনা প্রণয়ন করা হয়েছে। মুসল্লিদের নিরাপত্তাকর্মীদের নির্দেশ মেনে চলতে, দিকনির্দেশক সাইনবোর্ড অনুসরণ করতে এবং নির্ধারিত পথ ধরে চলাচল করতে বলা হয়েছে।
যানবাহন ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে দর্শনার্থীদের গণপরিবহন ব্যবহারে উৎসাহ দেওয়া হয়েছে। ব্যস্ত সময়ে কেন্দ্রীয় এলাকায় ব্যক্তিগত গাড়ি চলাচলে বিধিনিষেধ আরোপ করা হবে। শহরের প্রান্তে নির্ধারিত পার্কিং ও শাটল সার্ভিসের ব্যবস্থা থাকবে। মসজিদের প্রবেশপথে ডিজিটাল ইন্ডিকেটর বসানো হয়েছে, যেখানে সবুজ সংকেত মানে ভেতরে জায়গা আছে এবং লাল সংকেত মানে পূর্ণ।
পথচারীদের নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করতে নির্ধারিত পথচারী এলাকায় মোটরসাইকেল, সাইকেল ও অনুমোদনহীন যান প্রবেশ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। প্রবেশপথ, করিডর ও জরুরি নির্গমন পথে জটলা না পাকানো এবং নামাজ শেষে দ্রুত এলাকা ছাড়তে আহ্বান জানানো হয়েছে।
বয়স্ক ও শারীরিক প্রতিবন্ধী মুসল্লিদের জন্য আলাদা নামাজের জায়গা, অগ্রাধিকারভিত্তিক পথ এবং ইলেকট্রিক কার্টের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। শিশু সহ পরিবারগুলোকে ব্যস্ত সময়ে ঘন ভিড়ের এলাকা এড়িয়ে চলার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
স্বাস্থ্য সুরক্ষার বিষয়ে কর্তৃপক্ষ মুসল্লিদের পর্যাপ্ত পানি পান করা, বিশ্রাম নেওয়া এবং অতিরিক্ত গরম থেকে সাবধান থাকার আহ্বান জানিয়েছে। আবাসস্থলে জরুরি নির্গমন পথ সম্পর্কে সচেতন থাকা এবং অগ্নিকাণ্ড প্রতিরোধে বিদ্যুতের অতিরিক্ত ব্যবহার না করার নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে।
এছাড়া অস্ত্র বহন, ধূমপান, ভিক্ষাবৃত্তি, অননুমোদিত পণ্য বিক্রি এবং রক্ষণাবেক্ষণাধীন এলাকায় প্রবেশ কঠোরভাবে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। মুসল্লিদের ডিজিটাল মাধ্যমে অফিসিয়াল ওমরাহ পারমিট সংগ্রহ এবং নির্ধারিত সময়সূচি মেনে চলতে বলা হয়েছে, যাতে একসঙ্গে অতিরিক্ত ভিড় না হয়। কোনো সন্দেহজনক কর্মকাণ্ড নজরে এলে তাৎক্ষণিকভাবে কর্তৃপক্ষকে জানানোর অনুরোধও করা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন