ঘুষ লেনদেন ও সাপ্তাহিক অপরাধ বিচিত্রা পত্রিকার সাভার উপজেলা প্রতিনিধি সাংবাদিক মাহবুব আলম মানিককে হেনস্তার অভিযোগকে কেন্দ্র করে আশুলিয়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আনোয়ার, পিপিএম বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্ত শুরু হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে এবং স্থানীয় সাংবাদিক মহলে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, এসআই আনোয়ারের বিরুদ্ধে সম্প্রতি একটি ঘুষ বানিজ্য সংক্রান্ত সংবাদ প্রকাশ করার জেরে গত ০১/০১/২০২৬ তারিখে আশুলিয়া থানা ভবনের পাশে সাংবাদিক মাহবুব আলম মানিকের সাথে অসদাচরণ করেছেন এসআই আনোয়ার। এছাড়া অভিযোগ রয়েছে, সংশ্লিষ্ট এসআই আনোয়ার ঘুষ লেনদেনের বিষয়টি ধামাচাপা দিতে সাংবাদিককে চাপ প্রয়োগ ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের চেষ্টা করেছেন। এমনকি তাঁর মোবাইল ফোন কেড়ে নেওয়ারও চেষ্টা করা হয়েছে বলে দাবি করেছেন ভুক্তভোগী সাংবাদিক।
ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়। পরে স্থানীয় সাংবাদিকরা একত্রিত হয়ে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের শাস্তির দাবি জানান।
এ ব্যাপারে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা সাভার সার্কেল এসপি আসাদুজ্জামান জানান, অভিযোগ পাওয়ার পর বিষয়টি গুরুত্বসহকারে দেখা হচ্ছে। প্রাথমিকভাবে বিভাগীয় তদন্ত শুরু হয়েছে এবং অভিযোগ প্রমাণিত হলে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
অভিযুক্ত এসআই আনোয়ারের বক্তব্য জানতে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাৎক্ষণিকভাবে তার মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
স্থানীয় সচেতন মহল বলছে, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কোনো সদস্যের বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ উঠলে তা নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করা জরুরি। এতে যেমন পুলিশের ভাবমূর্তি রক্ষা পাবে, তেমনি সাধারণ মানুষের আস্থাও বজায় থাকবে।

বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ঘুষ লেনদেন ও সাপ্তাহিক অপরাধ বিচিত্রা পত্রিকার সাভার উপজেলা প্রতিনিধি সাংবাদিক মাহবুব আলম মানিককে হেনস্তার অভিযোগকে কেন্দ্র করে আশুলিয়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আনোয়ার, পিপিএম বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্ত শুরু হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে এবং স্থানীয় সাংবাদিক মহলে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, এসআই আনোয়ারের বিরুদ্ধে সম্প্রতি একটি ঘুষ বানিজ্য সংক্রান্ত সংবাদ প্রকাশ করার জেরে গত ০১/০১/২০২৬ তারিখে আশুলিয়া থানা ভবনের পাশে সাংবাদিক মাহবুব আলম মানিকের সাথে অসদাচরণ করেছেন এসআই আনোয়ার। এছাড়া অভিযোগ রয়েছে, সংশ্লিষ্ট এসআই আনোয়ার ঘুষ লেনদেনের বিষয়টি ধামাচাপা দিতে সাংবাদিককে চাপ প্রয়োগ ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের চেষ্টা করেছেন। এমনকি তাঁর মোবাইল ফোন কেড়ে নেওয়ারও চেষ্টা করা হয়েছে বলে দাবি করেছেন ভুক্তভোগী সাংবাদিক।
ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়। পরে স্থানীয় সাংবাদিকরা একত্রিত হয়ে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের শাস্তির দাবি জানান।
এ ব্যাপারে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা সাভার সার্কেল এসপি আসাদুজ্জামান জানান, অভিযোগ পাওয়ার পর বিষয়টি গুরুত্বসহকারে দেখা হচ্ছে। প্রাথমিকভাবে বিভাগীয় তদন্ত শুরু হয়েছে এবং অভিযোগ প্রমাণিত হলে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
অভিযুক্ত এসআই আনোয়ারের বক্তব্য জানতে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাৎক্ষণিকভাবে তার মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
স্থানীয় সচেতন মহল বলছে, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কোনো সদস্যের বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ উঠলে তা নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করা জরুরি। এতে যেমন পুলিশের ভাবমূর্তি রক্ষা পাবে, তেমনি সাধারণ মানুষের আস্থাও বজায় থাকবে।

আপনার মতামত লিখুন