লক্ষ্মীপুরের রায়পুর উপজেলার ১নং উত্তর চর আবাবিল ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডে অবস্থিত শতবর্ষী ইসলাম মাস্টার বাড়ির ঐতিহ্যবাহী মসজিদটি নতুন আঙ্গিকে আত্মপ্রকাশ করেছে। প্রায় ১১০ বছর আগে প্রতিষ্ঠিত এই মসজিদ দীর্ঘদিন ধরে এলাকাবাসীর ইবাদত-বন্দেগির প্রাণকেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছিল।
সময়ক্রমে ভবনটি জরাজীর্ণ হয়ে পড়লে ২০২৫ সালে এর পুনর্নির্মাণ কাজ শুরু হয়। ২০২৬ সালে প্রায় ৫০ লক্ষ টাকা ব্যয়ে আধুনিক নকশায় নির্মাণকাজ সম্পন্ন হয়। ইসলাম মাস্টারের লালিত স্বপ্নের এই মসজিদ আজ বাস্তবে রূপ নেওয়ায় এলাকাজুড়ে আনন্দের আমেজ বিরাজ করছে।
নবনির্মিত মসজিদটির শুভ উদ্বোধন করা হয় দ্বিতীয় রমজান, ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে দোয়া মাহফিল ও ইফতার অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে। পবিত্র রমজান মাসে আয়োজিত এ মহতী অনুষ্ঠান এলাকাবাসীর মধ্যে গভীর আবেগ ও ধর্মীয় অনুপ্রেরণার সঞ্চার করে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন বিশিষ্ট ইসলামি চিন্তাবিদ সাইয়েদ মোঃ জাহেদ ইজ্জুদ্দিন তাহের জাবেরী আল মাদানী। তিনি বলেন, “একটি মসজিদ শুধু নামাজ আদায়ের স্থান নয়, বরং এটি সমাজ গঠনের অন্যতম ভিত্তি।” এ সময় তিনি ইসলাম মাস্টারের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং মসজিদের উত্তরোত্তর সমৃদ্ধি প্রার্থনা করেন।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইসলাম মাস্টার পরিবারের সন্তান, বিশিষ্ট সমাজসেবক ও মসজিদের মোতাওয়াল্লি মোঃ মাহবুবুল কবির সুমন। তিনি তাঁর বক্তব্যে বলেন, তাঁর পিতার স্বপ্ন ছিল একটি সুন্দর ও পরিপূর্ণ মসজিদ নির্মাণ করা, যেখানে এলাকাবাসী নির্বিঘ্নে ইবাদত করতে পারবেন। পরিবার ও এলাকাবাসীর সহযোগিতার কথা তিনি কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করেন।
অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন মসজিদ কমিটির সভাপতি মোঃ আবু সুফিয়ান। এ সময় মসজিদের ইমাম, স্থানীয় সাংবাদিক, ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য, বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক ব্যক্তিবর্গ এবং মসজিদ কমিটির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। বিপুলসংখ্যক মুসল্লি ও গণ্যমান্য ব্যক্তির অংশগ্রহণে অনুষ্ঠানটি এক প্রাণবন্ত মিলনমেলায় পরিণত হয়।
আধুনিক স্থাপত্যশৈলীতে নির্মিত নতুন মসজিদটিতে রয়েছে প্রশস্ত নামাজের স্থান, উন্নত অজুখানা ও প্রয়োজনীয় সকল সুযোগ-সুবিধা। এলাকাবাসীর প্রত্যাশা, এই মসজিদ ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে দ্বীনের পথে পরিচালিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে এবং সামাজিক ও নৈতিক উন্নয়নে ইতিবাচক অবদান রাখবে।
ইসলাম মাস্টারের রেখে যাওয়া স্বপ্নের বাস্তবায়ন শুধু একটি স্থাপনার উদ্বোধন নয়; এটি ঐতিহ্য, বিশ্বাস ও আত্মত্যাগের এক উজ্জ্বল স্মারক হিসেবে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
লক্ষ্মীপুরের রায়পুর উপজেলার ১নং উত্তর চর আবাবিল ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডে অবস্থিত শতবর্ষী ইসলাম মাস্টার বাড়ির ঐতিহ্যবাহী মসজিদটি নতুন আঙ্গিকে আত্মপ্রকাশ করেছে। প্রায় ১১০ বছর আগে প্রতিষ্ঠিত এই মসজিদ দীর্ঘদিন ধরে এলাকাবাসীর ইবাদত-বন্দেগির প্রাণকেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছিল।
সময়ক্রমে ভবনটি জরাজীর্ণ হয়ে পড়লে ২০২৫ সালে এর পুনর্নির্মাণ কাজ শুরু হয়। ২০২৬ সালে প্রায় ৫০ লক্ষ টাকা ব্যয়ে আধুনিক নকশায় নির্মাণকাজ সম্পন্ন হয়। ইসলাম মাস্টারের লালিত স্বপ্নের এই মসজিদ আজ বাস্তবে রূপ নেওয়ায় এলাকাজুড়ে আনন্দের আমেজ বিরাজ করছে।
নবনির্মিত মসজিদটির শুভ উদ্বোধন করা হয় দ্বিতীয় রমজান, ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে দোয়া মাহফিল ও ইফতার অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে। পবিত্র রমজান মাসে আয়োজিত এ মহতী অনুষ্ঠান এলাকাবাসীর মধ্যে গভীর আবেগ ও ধর্মীয় অনুপ্রেরণার সঞ্চার করে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন বিশিষ্ট ইসলামি চিন্তাবিদ সাইয়েদ মোঃ জাহেদ ইজ্জুদ্দিন তাহের জাবেরী আল মাদানী। তিনি বলেন, “একটি মসজিদ শুধু নামাজ আদায়ের স্থান নয়, বরং এটি সমাজ গঠনের অন্যতম ভিত্তি।” এ সময় তিনি ইসলাম মাস্টারের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং মসজিদের উত্তরোত্তর সমৃদ্ধি প্রার্থনা করেন।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইসলাম মাস্টার পরিবারের সন্তান, বিশিষ্ট সমাজসেবক ও মসজিদের মোতাওয়াল্লি মোঃ মাহবুবুল কবির সুমন। তিনি তাঁর বক্তব্যে বলেন, তাঁর পিতার স্বপ্ন ছিল একটি সুন্দর ও পরিপূর্ণ মসজিদ নির্মাণ করা, যেখানে এলাকাবাসী নির্বিঘ্নে ইবাদত করতে পারবেন। পরিবার ও এলাকাবাসীর সহযোগিতার কথা তিনি কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করেন।
অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন মসজিদ কমিটির সভাপতি মোঃ আবু সুফিয়ান। এ সময় মসজিদের ইমাম, স্থানীয় সাংবাদিক, ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য, বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক ব্যক্তিবর্গ এবং মসজিদ কমিটির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। বিপুলসংখ্যক মুসল্লি ও গণ্যমান্য ব্যক্তির অংশগ্রহণে অনুষ্ঠানটি এক প্রাণবন্ত মিলনমেলায় পরিণত হয়।
আধুনিক স্থাপত্যশৈলীতে নির্মিত নতুন মসজিদটিতে রয়েছে প্রশস্ত নামাজের স্থান, উন্নত অজুখানা ও প্রয়োজনীয় সকল সুযোগ-সুবিধা। এলাকাবাসীর প্রত্যাশা, এই মসজিদ ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে দ্বীনের পথে পরিচালিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে এবং সামাজিক ও নৈতিক উন্নয়নে ইতিবাচক অবদান রাখবে।
ইসলাম মাস্টারের রেখে যাওয়া স্বপ্নের বাস্তবায়ন শুধু একটি স্থাপনার উদ্বোধন নয়; এটি ঐতিহ্য, বিশ্বাস ও আত্মত্যাগের এক উজ্জ্বল স্মারক হিসেবে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে।

আপনার মতামত লিখুন