ঢাকা    শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

রোজার দ্বিতীয় দিনে বেসামাল কাঁচাবাজার

লেবু-বেগুনের সেঞ্চুরি, কাঁচামরিচের ডাবল-সেঞ্চুরি


অর্থনীতি ডেস্ক :
অর্থনীতি ডেস্ক :
প্রকাশ : ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

লেবু-বেগুনের সেঞ্চুরি, কাঁচামরিচের ডাবল-সেঞ্চুরি

পবিত্র মাহে রমজানের দ্বিতীয় দিনেই রাজধানীর কাঁচাবাজারে অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি লক্ষ্য করা গেছে। শীতকালীন সবজির পর্যাপ্ত সরবরাহ থাকলেও ইফতারের অপরিহার্য পণ্যগুলোর দাম সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে চলে যাচ্ছে। বিশেষ করে লেবু, বেগুন ও শসার দাম শতকের ঘর পেরিয়েছে। সবচেয়ে বেশি চাপে ফেলেছে কাঁচামরিচ—যার কেজি বিক্রি হচ্ছে ২২০ টাকা পর্যন্ত।

শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) সকালে রাজধানীর ধানমন্ডি, রায়ের বাজার ও মোহাম্মদপুর টাউন হল মার্কেট ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।

বাজারে গিয়ে দেখা যায়, আলু, ফুলকপি, বাঁধাকপি, দেশি টমেটো ও গাজরের মতো শীতকালীন সবজি তুলনামূলক কম দামে বিক্রি হলেও রমজানকেন্দ্রিক সবজির দাম বেড়েছে দ্বিগুণ।

বর্তমানে বড় আকারের লেবু প্রতি হালি ১২০ টাকা এবং ছোট লেবু ১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। গোল বেগুনের কেজি ১৬০ টাকা এবং লম্বা বেগুন ১২০ থেকে ১৩০ টাকা দরে বিক্রি হতে দেখা গেছে। প্রতি কেজি শসা ১২০ টাকা এবং খিরা ৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

কাঁচামরিচের দাম সবচেয়ে বেশি; প্রতি কেজি ২২০ টাকা। তবে কাঁচা-পাকা মরিচ বিক্রি হচ্ছে ১৬০ টাকা কেজি দরে।

ব্যবসায়ীদের দাবি, রমজানের কারণে ইফতারের আইটেমগুলোর চাহিদা বেড়েছে, ফলে দামও কিছুটা বেড়েছে। পাইকারি বাজারে বেশি দামে কিনতে হওয়ায় খুচরা বাজারেও তার প্রভাব পড়ছে। তবে আগামী দু-তিন দিনের মধ্যে দাম কমে আসবে বলে আশা করছেন তারা।

এদিকে বাজারে মানভেদে ফুলকপি প্রতি পিস ৪০-৫০ টাকা, বাঁধাকপি ৩০-৪০ টাকা, করলা ১২০ টাকা, বরবটি ৮০ টাকা, মুলা ৫০ টাকা, লতি ৮০ টাকা এবং ধুন্দুল ৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। প্রতি কেজি পেঁপে ৪০-৫০ টাকা, গাজর ৩০-৪০ টাকা, কচুরমুখী ৮০ টাকা, শিম ৭০-৮০ টাকা এবং শালগম ৪০-৫০ টাকায় মিলছে। লাউ প্রতি পিস ৫০-৬০ টাকা, আলু ২০-২৫ টাকা কেজি এবং ধনেপাতা ১০ টাকা আঁটি দরে বিক্রি হচ্ছে।

সবজি কিনতে আসা জুলফিকার বলেন, “ইফতারের প্রয়োজনীয় বেগুন, শসা ও লেবুর দাম অস্বাভাবিকভাবে বেড়েছে। নিত্যদিনের এসব সবজির দাম বাড়ায় সাধারণ মানুষের ওপর বড় চাপ তৈরি হচ্ছে। এভাবে দাম বাড়তে থাকলে মধ্যবিত্তের পক্ষে খরচ সামাল দেওয়া কঠিন হয়ে পড়বে।”

সবজি বিক্রেতা রহমান গাজী বলেন, “অন্যান্য বছরের তুলনায় এবার সবজির দাম মোটামুটি কমই আছে। দু-তিনটা আইটেমের দাম বেশি। রোজার প্রথম দিক—৩-৪ দিন গেলে কমে যাবে। সিজনাল সবজির কিন্তু দাম কম।”

বাজারে লালশাকের আঁটি ১০ টাকা, পুঁইশাক ২০-৩০ টাকা এবং ডাঁটাশাক, কলমি শাক ও পালংশাক প্রতি আঁটি ১০ টাকা দরে বিক্রি হতে দেখা গেছে।

আপনার মতামত লিখুন

দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬


লেবু-বেগুনের সেঞ্চুরি, কাঁচামরিচের ডাবল-সেঞ্চুরি

প্রকাশের তারিখ : ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

featured Image

পবিত্র মাহে রমজানের দ্বিতীয় দিনেই রাজধানীর কাঁচাবাজারে অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি লক্ষ্য করা গেছে। শীতকালীন সবজির পর্যাপ্ত সরবরাহ থাকলেও ইফতারের অপরিহার্য পণ্যগুলোর দাম সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে চলে যাচ্ছে। বিশেষ করে লেবু, বেগুন ও শসার দাম শতকের ঘর পেরিয়েছে। সবচেয়ে বেশি চাপে ফেলেছে কাঁচামরিচ—যার কেজি বিক্রি হচ্ছে ২২০ টাকা পর্যন্ত।


শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) সকালে রাজধানীর ধানমন্ডি, রায়ের বাজার ও মোহাম্মদপুর টাউন হল মার্কেট ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।


বাজারে গিয়ে দেখা যায়, আলু, ফুলকপি, বাঁধাকপি, দেশি টমেটো ও গাজরের মতো শীতকালীন সবজি তুলনামূলক কম দামে বিক্রি হলেও রমজানকেন্দ্রিক সবজির দাম বেড়েছে দ্বিগুণ।


বর্তমানে বড় আকারের লেবু প্রতি হালি ১২০ টাকা এবং ছোট লেবু ১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। গোল বেগুনের কেজি ১৬০ টাকা এবং লম্বা বেগুন ১২০ থেকে ১৩০ টাকা দরে বিক্রি হতে দেখা গেছে। প্রতি কেজি শসা ১২০ টাকা এবং খিরা ৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।


কাঁচামরিচের দাম সবচেয়ে বেশি; প্রতি কেজি ২২০ টাকা। তবে কাঁচা-পাকা মরিচ বিক্রি হচ্ছে ১৬০ টাকা কেজি দরে।


ব্যবসায়ীদের দাবি, রমজানের কারণে ইফতারের আইটেমগুলোর চাহিদা বেড়েছে, ফলে দামও কিছুটা বেড়েছে। পাইকারি বাজারে বেশি দামে কিনতে হওয়ায় খুচরা বাজারেও তার প্রভাব পড়ছে। তবে আগামী দু-তিন দিনের মধ্যে দাম কমে আসবে বলে আশা করছেন তারা।


এদিকে বাজারে মানভেদে ফুলকপি প্রতি পিস ৪০-৫০ টাকা, বাঁধাকপি ৩০-৪০ টাকা, করলা ১২০ টাকা, বরবটি ৮০ টাকা, মুলা ৫০ টাকা, লতি ৮০ টাকা এবং ধুন্দুল ৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। প্রতি কেজি পেঁপে ৪০-৫০ টাকা, গাজর ৩০-৪০ টাকা, কচুরমুখী ৮০ টাকা, শিম ৭০-৮০ টাকা এবং শালগম ৪০-৫০ টাকায় মিলছে। লাউ প্রতি পিস ৫০-৬০ টাকা, আলু ২০-২৫ টাকা কেজি এবং ধনেপাতা ১০ টাকা আঁটি দরে বিক্রি হচ্ছে।


সবজি কিনতে আসা জুলফিকার বলেন, “ইফতারের প্রয়োজনীয় বেগুন, শসা ও লেবুর দাম অস্বাভাবিকভাবে বেড়েছে। নিত্যদিনের এসব সবজির দাম বাড়ায় সাধারণ মানুষের ওপর বড় চাপ তৈরি হচ্ছে। এভাবে দাম বাড়তে থাকলে মধ্যবিত্তের পক্ষে খরচ সামাল দেওয়া কঠিন হয়ে পড়বে।”


সবজি বিক্রেতা রহমান গাজী বলেন, “অন্যান্য বছরের তুলনায় এবার সবজির দাম মোটামুটি কমই আছে। দু-তিনটা আইটেমের দাম বেশি। রোজার প্রথম দিক—৩-৪ দিন গেলে কমে যাবে। সিজনাল সবজির কিন্তু দাম কম।”


বাজারে লালশাকের আঁটি ১০ টাকা, পুঁইশাক ২০-৩০ টাকা এবং ডাঁটাশাক, কলমি শাক ও পালংশাক প্রতি আঁটি ১০ টাকা দরে বিক্রি হতে দেখা গেছে।


দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ ফয়সাল আলম , মোবাইল- ০১৯১৬৫৫৭০১৭
  প্রধান সম্পাদক: মো: আতাউর রহমান, মোবাইল: ০২৪১০৯১৭৩০

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ