২০২৬ সালের উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) পরীক্ষার ফরম পূরণের নির্দিষ্ট তারিখ ও প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রকাশ করেছে ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড। গত বৃহস্পতিবার বোর্ডের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, পরীক্ষার্থীরা আগামী ১ মার্চ থেকে ৯ মার্চ পর্যন্ত কোনো প্রকার বিলম্ব ফি ছাড়াই ফরম পূরণ করতে পারবেন। তবে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে যারা ফরম পূরণ করতে ব্যর্থ হবেন, তাদের জন্য ১১ মার্চ থেকে ১৮ মার্চ পর্যন্ত বিলম্ব ফিসহ আবেদনের সুযোগ রাখা হয়েছে। সোনালী সেবার মাধ্যমে অনলাইনেই ফরম পূরণের যাবতীয় ফি জমা দেওয়ার শেষ সময় নির্ধারণ করা হয়েছে ১৮ মার্চ পর্যন্ত।
বোর্ড স্পষ্ট করে জানিয়েছে যে, কেবল বৈধ রেজিস্ট্রেশনধারী শিক্ষার্থীরাই ফরম পূরণের জন্য যোগ্য বলে বিবেচিত হবেন। রেজিস্ট্রেশনে উল্লেখ নেই এমন কোনো বিষয়ে পরীক্ষায় অংশ নিলে ওই পরীক্ষাটি কোনো আগাম বিজ্ঞপ্তি ছাড়াই বাতিল করা হবে। তবে শারীরিকভাবে অক্ষম বা বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে নির্বাচনী পরীক্ষায় অংশগ্রহণের বিষয়টি শিথিলযোগ্য রাখা হয়েছে। এছাড়া পরীক্ষার্থীদের ভালো প্রস্তুতির জন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো চাইলে নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় মডেল টেস্ট গ্রহণ করতে পারবে। তবে এই পরীক্ষা কোনো শিক্ষার্থীর জন্য বাধ্যতামূলক করা যাবে না এবং এর জন্য অতিরিক্ত কোনো ফি আদায় করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
২০২৬ সালের উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) পরীক্ষার ফরম পূরণের নির্দিষ্ট তারিখ ও প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রকাশ করেছে ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড। গত বৃহস্পতিবার বোর্ডের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, পরীক্ষার্থীরা আগামী ১ মার্চ থেকে ৯ মার্চ পর্যন্ত কোনো প্রকার বিলম্ব ফি ছাড়াই ফরম পূরণ করতে পারবেন। তবে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে যারা ফরম পূরণ করতে ব্যর্থ হবেন, তাদের জন্য ১১ মার্চ থেকে ১৮ মার্চ পর্যন্ত বিলম্ব ফিসহ আবেদনের সুযোগ রাখা হয়েছে। সোনালী সেবার মাধ্যমে অনলাইনেই ফরম পূরণের যাবতীয় ফি জমা দেওয়ার শেষ সময় নির্ধারণ করা হয়েছে ১৮ মার্চ পর্যন্ত।
বোর্ড স্পষ্ট করে জানিয়েছে যে, কেবল বৈধ রেজিস্ট্রেশনধারী শিক্ষার্থীরাই ফরম পূরণের জন্য যোগ্য বলে বিবেচিত হবেন। রেজিস্ট্রেশনে উল্লেখ নেই এমন কোনো বিষয়ে পরীক্ষায় অংশ নিলে ওই পরীক্ষাটি কোনো আগাম বিজ্ঞপ্তি ছাড়াই বাতিল করা হবে। তবে শারীরিকভাবে অক্ষম বা বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে নির্বাচনী পরীক্ষায় অংশগ্রহণের বিষয়টি শিথিলযোগ্য রাখা হয়েছে। এছাড়া পরীক্ষার্থীদের ভালো প্রস্তুতির জন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো চাইলে নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় মডেল টেস্ট গ্রহণ করতে পারবে। তবে এই পরীক্ষা কোনো শিক্ষার্থীর জন্য বাধ্যতামূলক করা যাবে না এবং এর জন্য অতিরিক্ত কোনো ফি আদায় করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন