বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে ধর্ষণ, শারীরিক নির্যাতন এবং জোরপূর্বক গর্ভপাতে বাধ্য করার মতো গুরুতর অপরাধে অভিযুক্ত আলোচিত কনটেন্ট ক্রিয়েটর আশরাফুল হোসেন আলম ওরফে হিরো আলমকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে বগুড়া থেকে ঢাকা ফেরার পথে শাজাহানপুর থানা এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। ওই দিন বিকালেই বগুড়ার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১-এ হাজির করা হলে বিচারক তার জামিন আবেদন নাকচ করে জেলহাজতে প্রেরণের নির্দেশ দেন। পুলিশ নিশ্চিত করেছে যে, গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির পর থেকে হিরো আলম বেশ কিছুদিন ধরে আত্মগোপনে ছিলেন।
গত বছরের মে মাসে সাদিয়া রহমান মিথিলা নামক এক নারী হিরো আলমের বিরুদ্ধে নায়িকা বানানোর প্রলোভন দেখিয়ে একাধিকবার ধর্ষণ ও নির্যাতনের অভিযোগে মামলাটি দায়ের করেন। আদালতের নির্দেশে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) দীর্ঘ তদন্ত শেষে গত ১০ ফেব্রুয়ারি আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে, যেখানে প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া যায়। ভুক্তভোগী নারীর অভিযোগ অনুযায়ী, হিরো আলম তাকে কেবল বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে প্রতারণাই করেননি, বরং শারীরিক নির্যাতনের পাশাপাশি জোরপূর্বক গর্ভপাতও করিয়েছেন।
গ্রেপ্তারের আগে এক সাক্ষাৎকারে হিরো আলম এই মামলাকে সাজানো ও ভুয়া বলে দাবি করেছিলেন। একই সঙ্গে তিনি ঘোষণা দিয়েছিলেন যে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বগুড়া-৬ আসনটি ছেড়ে দেওয়ায় সেখানে হতে যাওয়া উপনির্বাচনে তিনি প্রার্থী হতে চান। জামায়াতে ইসলামী অথবা এনসিপি থেকে মনোনয়ন পাওয়ার আশাও ব্যক্ত করেছিলেন তিনি। তবে গুরুতর এই ফৌজদারি মামলায় গ্রেপ্তার হওয়ার ফলে তার রাজনৈতিক পরিকল্পনা ও নির্বাচনে অংশগ্রহণের বিষয়টি এখন বড় ধরনের অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে। বর্তমানে তিনি বগুড়া জেলা কারাগারে বন্দি রয়েছেন।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে ধর্ষণ, শারীরিক নির্যাতন এবং জোরপূর্বক গর্ভপাতে বাধ্য করার মতো গুরুতর অপরাধে অভিযুক্ত আলোচিত কনটেন্ট ক্রিয়েটর আশরাফুল হোসেন আলম ওরফে হিরো আলমকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে বগুড়া থেকে ঢাকা ফেরার পথে শাজাহানপুর থানা এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। ওই দিন বিকালেই বগুড়ার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১-এ হাজির করা হলে বিচারক তার জামিন আবেদন নাকচ করে জেলহাজতে প্রেরণের নির্দেশ দেন। পুলিশ নিশ্চিত করেছে যে, গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির পর থেকে হিরো আলম বেশ কিছুদিন ধরে আত্মগোপনে ছিলেন।
গত বছরের মে মাসে সাদিয়া রহমান মিথিলা নামক এক নারী হিরো আলমের বিরুদ্ধে নায়িকা বানানোর প্রলোভন দেখিয়ে একাধিকবার ধর্ষণ ও নির্যাতনের অভিযোগে মামলাটি দায়ের করেন। আদালতের নির্দেশে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) দীর্ঘ তদন্ত শেষে গত ১০ ফেব্রুয়ারি আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে, যেখানে প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া যায়। ভুক্তভোগী নারীর অভিযোগ অনুযায়ী, হিরো আলম তাকে কেবল বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে প্রতারণাই করেননি, বরং শারীরিক নির্যাতনের পাশাপাশি জোরপূর্বক গর্ভপাতও করিয়েছেন।
গ্রেপ্তারের আগে এক সাক্ষাৎকারে হিরো আলম এই মামলাকে সাজানো ও ভুয়া বলে দাবি করেছিলেন। একই সঙ্গে তিনি ঘোষণা দিয়েছিলেন যে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বগুড়া-৬ আসনটি ছেড়ে দেওয়ায় সেখানে হতে যাওয়া উপনির্বাচনে তিনি প্রার্থী হতে চান। জামায়াতে ইসলামী অথবা এনসিপি থেকে মনোনয়ন পাওয়ার আশাও ব্যক্ত করেছিলেন তিনি। তবে গুরুতর এই ফৌজদারি মামলায় গ্রেপ্তার হওয়ার ফলে তার রাজনৈতিক পরিকল্পনা ও নির্বাচনে অংশগ্রহণের বিষয়টি এখন বড় ধরনের অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে। বর্তমানে তিনি বগুড়া জেলা কারাগারে বন্দি রয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন