সঠিক ও বিশুদ্ধ কথা বলা একজন মুমিনের কথার প্রধান বৈশিষ্ট্য হতে হবে সত্যতা ও বিশুদ্ধতা। পবিত্র কুরআনের সূরা আহজাবে আল্লাহ নির্দেশ দিয়েছেন সর্বদা সঠিক ও সোজা কথা বলতে। এর মানে হলো, কথা হতে হবে মিথ্যা বর্জিত, মার্জিত এবং গাম্ভীর্যপূর্ণ। রাসুল (সা.) ছিলেন পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ বিশুদ্ধভাষী, যার আদর্শ অনুসরণ করা প্রতিটি মুসলমানের কর্তব্য।
স্পষ্ট ও প্রাঞ্জল ভাষার ব্যবহার কথাবার্তা এমন স্পষ্ট হওয়া উচিত যেন শ্রোতা সহজেই তা বুঝতে পারে। প্রয়োজনে কোনো গুরুত্বপূর্ণ কথা তিনবার পুনরাবৃত্তি করা সুন্নাহর অন্তর্ভুক্ত। হযরত মুসা (আ.) তার কথার জড়তা দূর করতে এবং প্রাঞ্জলভাবে দাওয়াত পৌঁছাতে আল্লাহর কাছে সাহায্য চেয়েছিলেন, যা থেকে বোঝা যায় দ্বীনের কাজে সুন্দর ও স্পষ্ট ভাষার গুরুত্ব কতখানি।
শালীনতা বজায় রাখা ও গালমন্দ বর্জন মুমিনের ভাষা কখনোই অশালীন বা কুরুচিপূর্ণ হতে পারে না। কাউকে উপহাস করা, ভর্ৎসনা করা কিংবা গালি দেওয়া ইসলামে কঠোরভাবে নিষিদ্ধ। হাদিসে বলা হয়েছে, প্রকৃত মুসলমান সেই ব্যক্তি যার জিহ্বা বা কথা থেকে অন্য মানুষ নিরাপদ থাকে। এমনকি কাউকে অভিশাপ দেওয়াও একজন ঈমানদারের জন্য শোভনীয় নয়।
অনর্থক ও অহেতুক কথা পরিহার সফল মুমিনের অন্যতম গুণ হলো অনর্থক কথাবার্তা থেকে বিরত থাকা। যেসব কথায় ইহকাল বা পরকালের কোনো কল্যাণ নেই, তা পরিহার করার নির্দেশ দিয়েছে পবিত্র কুরআন। ইসলামি সৌন্দর্যই হলো অহেতুক কথা ও কাজ ত্যাগ করা, যা একজন মানুষকে আত্মিক প্রশান্তি ও আল্লাহর নৈকট্য লাভে সাহায্য করে।
ব্যঙ্গ-বিদ্রুপ ও মন্দ নামে ডাকা থেকে বিরত থাকা কাউকে তুচ্ছতাচ্ছিল্য করা কিংবা অবমাননাকর কোনো মন্দ নামে ডাকা কুরআনের দৃষ্টিতে জঘন্য অপরাধ। সূরা হুজুরাতে আল্লাহ স্পষ্ট করেছেন যে, একে অন্যের দোষ অন্বেষণ করা বা মন্দ নামে ডাকা জালেমদের কাজ। সুন্দর ব্যবহারের মাধ্যমে মানুষের মন জয় করাই হলো প্রকৃত ইসলামের শিক্ষা।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
সঠিক ও বিশুদ্ধ কথা বলা একজন মুমিনের কথার প্রধান বৈশিষ্ট্য হতে হবে সত্যতা ও বিশুদ্ধতা। পবিত্র কুরআনের সূরা আহজাবে আল্লাহ নির্দেশ দিয়েছেন সর্বদা সঠিক ও সোজা কথা বলতে। এর মানে হলো, কথা হতে হবে মিথ্যা বর্জিত, মার্জিত এবং গাম্ভীর্যপূর্ণ। রাসুল (সা.) ছিলেন পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ বিশুদ্ধভাষী, যার আদর্শ অনুসরণ করা প্রতিটি মুসলমানের কর্তব্য।
স্পষ্ট ও প্রাঞ্জল ভাষার ব্যবহার কথাবার্তা এমন স্পষ্ট হওয়া উচিত যেন শ্রোতা সহজেই তা বুঝতে পারে। প্রয়োজনে কোনো গুরুত্বপূর্ণ কথা তিনবার পুনরাবৃত্তি করা সুন্নাহর অন্তর্ভুক্ত। হযরত মুসা (আ.) তার কথার জড়তা দূর করতে এবং প্রাঞ্জলভাবে দাওয়াত পৌঁছাতে আল্লাহর কাছে সাহায্য চেয়েছিলেন, যা থেকে বোঝা যায় দ্বীনের কাজে সুন্দর ও স্পষ্ট ভাষার গুরুত্ব কতখানি।
শালীনতা বজায় রাখা ও গালমন্দ বর্জন মুমিনের ভাষা কখনোই অশালীন বা কুরুচিপূর্ণ হতে পারে না। কাউকে উপহাস করা, ভর্ৎসনা করা কিংবা গালি দেওয়া ইসলামে কঠোরভাবে নিষিদ্ধ। হাদিসে বলা হয়েছে, প্রকৃত মুসলমান সেই ব্যক্তি যার জিহ্বা বা কথা থেকে অন্য মানুষ নিরাপদ থাকে। এমনকি কাউকে অভিশাপ দেওয়াও একজন ঈমানদারের জন্য শোভনীয় নয়।
অনর্থক ও অহেতুক কথা পরিহার সফল মুমিনের অন্যতম গুণ হলো অনর্থক কথাবার্তা থেকে বিরত থাকা। যেসব কথায় ইহকাল বা পরকালের কোনো কল্যাণ নেই, তা পরিহার করার নির্দেশ দিয়েছে পবিত্র কুরআন। ইসলামি সৌন্দর্যই হলো অহেতুক কথা ও কাজ ত্যাগ করা, যা একজন মানুষকে আত্মিক প্রশান্তি ও আল্লাহর নৈকট্য লাভে সাহায্য করে।
ব্যঙ্গ-বিদ্রুপ ও মন্দ নামে ডাকা থেকে বিরত থাকা কাউকে তুচ্ছতাচ্ছিল্য করা কিংবা অবমাননাকর কোনো মন্দ নামে ডাকা কুরআনের দৃষ্টিতে জঘন্য অপরাধ। সূরা হুজুরাতে আল্লাহ স্পষ্ট করেছেন যে, একে অন্যের দোষ অন্বেষণ করা বা মন্দ নামে ডাকা জালেমদের কাজ। সুন্দর ব্যবহারের মাধ্যমে মানুষের মন জয় করাই হলো প্রকৃত ইসলামের শিক্ষা।

আপনার মতামত লিখুন