চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার উজিরপুর সংলগ্ন সাত্তার মোড় এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, প্রতিদিন বিকাল ৫টার পর থেকে ভোর ৮টা পর্যন্ত একটি চক্র নদী থেকে কোদাল ব্যবহার করে বালু উত্তোলন করে এবং তা ট্রাক ও ট্রাক্টরের মাধ্যমে পরিবহণ করা হয়।
এলাকাবাসীর ভাষ্য অনুযায়ী, রাতের আঁধারে পরিচালিত এই বালু উত্তোলনের কারণে নদীর স্বাভাবিক গতিপ্রবাহ ব্যাহত হচ্ছে। তীরবর্তী বসতবাড়ি, আবাদি জমি ও স্থানীয় সড়ক ভাঙনের ঝুঁকিতে পড়েছে বলে তারা আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন। পরিবেশগত ক্ষতির বিষয়টিও সামনে আসছে, যা ভবিষ্যতে বড় ধরনের দুর্যোগের কারণ হতে পারে বলে মনে করছেন সচেতন নাগরিকরা।
স্থানীয়ভাবে ডালিম, আজিম ও রহুল নামের কয়েকজনের বিরুদ্ধে এ অবৈধ কার্যক্রমের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগ উঠেছে। তবে অভিযুক্তদের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, বিষয়টি প্রশাসনের নজরে আনা হলেও দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। বরং স্থানীয়দের একাংশের দাবি, প্রশাসনকে প্রভাবিত করেই বালু উত্তোলন কার্যক্রম অব্যাহত রাখা হচ্ছে। যদিও এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
সচেতন মহল দ্রুত তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন। তারা বলেন, অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধে কঠোর পদক্ষেপ না নিলে নদী ও পরিবেশের পাশাপাশি স্থানীয় জনজীবন মারাত্মক ঝুঁকির মুখে পড়বে।

বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার উজিরপুর সংলগ্ন সাত্তার মোড় এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, প্রতিদিন বিকাল ৫টার পর থেকে ভোর ৮টা পর্যন্ত একটি চক্র নদী থেকে কোদাল ব্যবহার করে বালু উত্তোলন করে এবং তা ট্রাক ও ট্রাক্টরের মাধ্যমে পরিবহণ করা হয়।
এলাকাবাসীর ভাষ্য অনুযায়ী, রাতের আঁধারে পরিচালিত এই বালু উত্তোলনের কারণে নদীর স্বাভাবিক গতিপ্রবাহ ব্যাহত হচ্ছে। তীরবর্তী বসতবাড়ি, আবাদি জমি ও স্থানীয় সড়ক ভাঙনের ঝুঁকিতে পড়েছে বলে তারা আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন। পরিবেশগত ক্ষতির বিষয়টিও সামনে আসছে, যা ভবিষ্যতে বড় ধরনের দুর্যোগের কারণ হতে পারে বলে মনে করছেন সচেতন নাগরিকরা।
স্থানীয়ভাবে ডালিম, আজিম ও রহুল নামের কয়েকজনের বিরুদ্ধে এ অবৈধ কার্যক্রমের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগ উঠেছে। তবে অভিযুক্তদের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, বিষয়টি প্রশাসনের নজরে আনা হলেও দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। বরং স্থানীয়দের একাংশের দাবি, প্রশাসনকে প্রভাবিত করেই বালু উত্তোলন কার্যক্রম অব্যাহত রাখা হচ্ছে। যদিও এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
সচেতন মহল দ্রুত তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন। তারা বলেন, অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধে কঠোর পদক্ষেপ না নিলে নদী ও পরিবেশের পাশাপাশি স্থানীয় জনজীবন মারাত্মক ঝুঁকির মুখে পড়বে।

আপনার মতামত লিখুন