পবিত্র রমজান মাস মুসলমানদের জন্য রহমত, মাগফিরাত ও নাজাতের মাস হিসেবে পরিচিত। হিজরি সনের নবম মাস রমজানে রোজা রাখা প্রত্যেক সক্ষম মুসলমানের জন্য ফরজ। রোজার মাধ্যমে মানুষ আত্মশুদ্ধি অর্জন করে এবং আল্লাহর নৈকট্য লাভের চেষ্টা করে। রমজান মাসে সেহরি ও ইফতারের বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। ইফতারের সময় দোয়া কবুল হওয়ার বিশেষ সময় হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে হাদিসে।
ইফতারের সময় যে দোয়া পড়া হয় তা হলো—
بِسْمِ اللَّهِ، اللَّهُمَّ لَكَ صُمْتُ وَعَلَى رِزْقِكَ أَفْطَرْتُ
এর বাংলা উচ্চারণ:
আল্লাহুম্মা লাকা ছুমতু ওয়া আলা রিযক্বিকা আফতারতু।
এই দোয়ার অর্থ হলো—
হে আল্লাহ! তোমার সন্তুষ্টির জন্য আমি রোজা রেখেছি এবং তোমার দেওয়া রিজিক দিয়ে ইফতার করছি।
হাদিস শরিফে বর্ণিত আছে, ইফতারের সময় আল্লাহর কাছে দোয়া করলে তা বিশেষভাবে কবুল হয়। তাই মুসলমানরা ইফতারের সময় আল্লাহর কাছে ক্ষমা, রহমত ও দুনিয়া-আখিরাতের কল্যাণ কামনা করে দোয়া করে থাকেন।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
পবিত্র রমজান মাস মুসলমানদের জন্য রহমত, মাগফিরাত ও নাজাতের মাস হিসেবে পরিচিত। হিজরি সনের নবম মাস রমজানে রোজা রাখা প্রত্যেক সক্ষম মুসলমানের জন্য ফরজ। রোজার মাধ্যমে মানুষ আত্মশুদ্ধি অর্জন করে এবং আল্লাহর নৈকট্য লাভের চেষ্টা করে। রমজান মাসে সেহরি ও ইফতারের বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। ইফতারের সময় দোয়া কবুল হওয়ার বিশেষ সময় হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে হাদিসে।
ইফতারের সময় যে দোয়া পড়া হয় তা হলো—
بِسْمِ اللَّهِ، اللَّهُمَّ لَكَ صُمْتُ وَعَلَى رِزْقِكَ أَفْطَرْتُ
এর বাংলা উচ্চারণ:
আল্লাহুম্মা লাকা ছুমতু ওয়া আলা রিযক্বিকা আফতারতু।
এই দোয়ার অর্থ হলো—
হে আল্লাহ! তোমার সন্তুষ্টির জন্য আমি রোজা রেখেছি এবং তোমার দেওয়া রিজিক দিয়ে ইফতার করছি।
হাদিস শরিফে বর্ণিত আছে, ইফতারের সময় আল্লাহর কাছে দোয়া করলে তা বিশেষভাবে কবুল হয়। তাই মুসলমানরা ইফতারের সময় আল্লাহর কাছে ক্ষমা, রহমত ও দুনিয়া-আখিরাতের কল্যাণ কামনা করে দোয়া করে থাকেন।

আপনার মতামত লিখুন