নওগাঁ শহরের বিভিন্ন বাজারে বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) দেখা গেছে, সপ্তাহের ব্যবধানে মুরগির দাম সর্বনিম্ন ৩০ থেকে ৪০ টাকা বেড়ে ব্রয়লার মুরগি কেজিতে ১৯০ থেকে ২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। সোনালি ও লেয়ার মুরগি ২০ থেকে ৩০ টাকা বেড়ে কেজিতে ২৮০ থেকে ৩০০ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে। মুরগি বিক্রেতা আবুল কালাম বলেন, খামার থেকে বেশি দামে ক্রয় করতে হচ্ছে এবং রমজান উপলক্ষে চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় দাম বৃদ্ধি পেয়েছে।
সবজি বাজারেও মূল্য বৃদ্ধি লক্ষ্য করা গেছে। এক সপ্তাহ আগে বেগুন কেজিতে ৩০-৩৫ টাকা বিক্রি হলেও বর্তমানে ৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। কাঁচামরিচ কেজিতে ১৩০-১৪০ টাকা, লেবু ৫০-৬০ টাকা, করলা ১৪০ টাকা, রসুন ১৩০-১৪০ টাকা এবং আদা ১৩০-১৪০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। পেঁয়াজের দামও কেজিপ্রতি ৫-৭ টাকা বৃদ্ধি পেয়েছে। ইফতারের অন্যতম খাদ্য খেজুর কেজিপ্রতি ২৪০-২৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
ক্রেতারা দাম বৃদ্ধিতে উদ্বিগ্ন। গৃহিণী মরিয়ম বলেন, মুরগি ও সবজির দাম বেশি হওয়ায় পরিমাণ কমিয়ে নিতে হচ্ছে। আরেক ক্রেতা রাকিব হোসেন বলেন, “দাম আরও বাড়লে সংসার চালাতে সমস্যা হবে, কারণ আয়ের বৃদ্ধি নেই।”
পৌর কাচাবাজার সমিতির সাধারণ সম্পাদক বাদশা আলী বলেন, কিছু পণ্যের দাম বাড়ার কারণ হলো চাহিদা ও নতুন সরবরাহের সময়সূচি। তবে বাজারে কোনো সংকট নেই। তিনি বলেন, ভবিষ্যতে দাম আরও বাড়লে তা আমদানির ওপর নির্ভর করবে।
জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর নওগাঁর সহকারী পরিচালক রুবেল আহমেদ জানান, বাজার মনিটরিং প্রতিদিন করা হচ্ছে এবং যদি ব্যবসায়ীরা সিন্ডিকেট করে দাম বাড়ায়, আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ভোক্তা অভিযোগ পেলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
নওগাঁ শহরের বিভিন্ন বাজারে বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) দেখা গেছে, সপ্তাহের ব্যবধানে মুরগির দাম সর্বনিম্ন ৩০ থেকে ৪০ টাকা বেড়ে ব্রয়লার মুরগি কেজিতে ১৯০ থেকে ২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। সোনালি ও লেয়ার মুরগি ২০ থেকে ৩০ টাকা বেড়ে কেজিতে ২৮০ থেকে ৩০০ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে। মুরগি বিক্রেতা আবুল কালাম বলেন, খামার থেকে বেশি দামে ক্রয় করতে হচ্ছে এবং রমজান উপলক্ষে চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় দাম বৃদ্ধি পেয়েছে।
সবজি বাজারেও মূল্য বৃদ্ধি লক্ষ্য করা গেছে। এক সপ্তাহ আগে বেগুন কেজিতে ৩০-৩৫ টাকা বিক্রি হলেও বর্তমানে ৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। কাঁচামরিচ কেজিতে ১৩০-১৪০ টাকা, লেবু ৫০-৬০ টাকা, করলা ১৪০ টাকা, রসুন ১৩০-১৪০ টাকা এবং আদা ১৩০-১৪০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। পেঁয়াজের দামও কেজিপ্রতি ৫-৭ টাকা বৃদ্ধি পেয়েছে। ইফতারের অন্যতম খাদ্য খেজুর কেজিপ্রতি ২৪০-২৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
ক্রেতারা দাম বৃদ্ধিতে উদ্বিগ্ন। গৃহিণী মরিয়ম বলেন, মুরগি ও সবজির দাম বেশি হওয়ায় পরিমাণ কমিয়ে নিতে হচ্ছে। আরেক ক্রেতা রাকিব হোসেন বলেন, “দাম আরও বাড়লে সংসার চালাতে সমস্যা হবে, কারণ আয়ের বৃদ্ধি নেই।”
পৌর কাচাবাজার সমিতির সাধারণ সম্পাদক বাদশা আলী বলেন, কিছু পণ্যের দাম বাড়ার কারণ হলো চাহিদা ও নতুন সরবরাহের সময়সূচি। তবে বাজারে কোনো সংকট নেই। তিনি বলেন, ভবিষ্যতে দাম আরও বাড়লে তা আমদানির ওপর নির্ভর করবে।
জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর নওগাঁর সহকারী পরিচালক রুবেল আহমেদ জানান, বাজার মনিটরিং প্রতিদিন করা হচ্ছে এবং যদি ব্যবসায়ীরা সিন্ডিকেট করে দাম বাড়ায়, আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ভোক্তা অভিযোগ পেলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আপনার মতামত লিখুন