সিরাজগঞ্জর উল্লাপাড়া উপজেলায় সাত বছর বয়সী এক শিশু হত্যার ঘটনায় তিন আসামিকে আমৃত্যু কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে প্রত্যেককে ২০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে। এ ছাড়া আরেক আসামিকে দুই বছরের কারাদণ্ড, পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা এবং অনাদায়ে আরও তিন মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক ইকবাল হোসেন আসামিদের উপস্থিতিতে এ রায় ঘোষণা করেন।
আমৃত্যু কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন উল্লাপাড়া উপজেলার নরসিংহপাড়ার ইউসুফ আকন্দের ছেলে হাফিজুল ইসলাম, একই এলাকার আব্দুল মান্নান আকন্দের ছেলে ফিরোজ আকন্দ এবং চকপাঙ্গাসী গ্রামের আব্দুস সাত্তারের ছেলে জহুরুল ইসলাম। দুই বছর কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি হলেন নরসিংহপাড়ার শুকুর আলী আকন্দের ছেলে আব্দুল মান্নান আকন্দ। নিহত শিশু তামিম হোসেন একই উপজেলার চকপাঙ্গাসী গ্রামের সোলেমান ফকিরের ছেলে।
আদালতের পিপি অ্যাডভোকেট রফিক সরকার জানান, শিশু তামিম নরসিংহপাড়ায় তার নানার বাড়িতে থেকে পড়ালেখা করত। ২০১৭ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি সে নানার বাড়ি থেকে নিখোঁজ হয়। পরদিন ১১ ফেব্রুয়ারি সকালে গ্রামের একটি সরিষার ক্ষেত থেকে তামিমের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। মরদেহ উদ্ধারের সময় তার গলায় রশি প্যাঁচানো এবং মাথার পেছনে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়।
এ ঘটনায় নিহতের বাবা সোলেমান ফকির বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। তদন্ত চলাকালে পুলিশ তিনজনকে গ্রেপ্তার করে। পরবর্তীতে তারা আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। জবানবন্দিতে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে বিরোধের জেরে শিশু তামিমকে হত্যার কথা স্বীকার করেন তারা।
তদন্ত শেষে পুলিশ চারজনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে। দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্য-প্রমাণ পর্যালোচনা শেষে আদালত আজ এ মামলার রায় ঘোষণা করেন।

বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
সিরাজগঞ্জর উল্লাপাড়া উপজেলায় সাত বছর বয়সী এক শিশু হত্যার ঘটনায় তিন আসামিকে আমৃত্যু কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে প্রত্যেককে ২০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে। এ ছাড়া আরেক আসামিকে দুই বছরের কারাদণ্ড, পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা এবং অনাদায়ে আরও তিন মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক ইকবাল হোসেন আসামিদের উপস্থিতিতে এ রায় ঘোষণা করেন।
আমৃত্যু কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন উল্লাপাড়া উপজেলার নরসিংহপাড়ার ইউসুফ আকন্দের ছেলে হাফিজুল ইসলাম, একই এলাকার আব্দুল মান্নান আকন্দের ছেলে ফিরোজ আকন্দ এবং চকপাঙ্গাসী গ্রামের আব্দুস সাত্তারের ছেলে জহুরুল ইসলাম। দুই বছর কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি হলেন নরসিংহপাড়ার শুকুর আলী আকন্দের ছেলে আব্দুল মান্নান আকন্দ। নিহত শিশু তামিম হোসেন একই উপজেলার চকপাঙ্গাসী গ্রামের সোলেমান ফকিরের ছেলে।
আদালতের পিপি অ্যাডভোকেট রফিক সরকার জানান, শিশু তামিম নরসিংহপাড়ায় তার নানার বাড়িতে থেকে পড়ালেখা করত। ২০১৭ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি সে নানার বাড়ি থেকে নিখোঁজ হয়। পরদিন ১১ ফেব্রুয়ারি সকালে গ্রামের একটি সরিষার ক্ষেত থেকে তামিমের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। মরদেহ উদ্ধারের সময় তার গলায় রশি প্যাঁচানো এবং মাথার পেছনে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়।
এ ঘটনায় নিহতের বাবা সোলেমান ফকির বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। তদন্ত চলাকালে পুলিশ তিনজনকে গ্রেপ্তার করে। পরবর্তীতে তারা আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। জবানবন্দিতে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে বিরোধের জেরে শিশু তামিমকে হত্যার কথা স্বীকার করেন তারা।
তদন্ত শেষে পুলিশ চারজনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে। দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্য-প্রমাণ পর্যালোচনা শেষে আদালত আজ এ মামলার রায় ঘোষণা করেন।

আপনার মতামত লিখুন