টেকনাফ (কক্সবাজার), ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ (সোমবার), সন্ধ্যা ৭টা ৩৪ মিনিট—সেন্টমার্টিন দ্বীপের সমুদ্র সৈকত এলাকায় কেয়াগাছ কেটে দখলের অভিযোগ পাওয়া গেছে। স্থানীয়রা জানান, সেন্টমার্টিন ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের দক্ষিণ পাড়া এলাকায় বেশ কয়েকটি কেয়াগাছ কাটা অবস্থায় দেখতে পাওয়া গেছে। বিষয়টি জানাজানি হলে দ্বীপজুড়ে উদ্বেগ ও মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়।
সেন্টমার্টিন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ফয়েজুল ইসলাম জানান, দক্ষিণ পাড়া সমুদ্র সৈকত এলাকায় কেয়াগাছ নিধনের খবর তিনি শুনেছেন, তবে কারা এ কাজে জড়িত তা জানা যায়নি। তিনি বলেন, রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) বিষয়টি জানার পর দায়িত্বপ্রাপ্ত বিচ কর্মীকে ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছে এবং তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা) কক্সবাজার জেলা সভাপতি এইচ এম এরশাদ বলেন, সেন্টমার্টিন দ্বীপে কেয়াগাছ কেটে ফেলার ঘটনা অত্যন্ত নিন্দনীয় ও উদ্বেগজনক। তাঁর মতে, কেয়াগাছ উপকূলীয় পরিবেশের প্রাকৃতিক সুরক্ষা বেষ্টনী হিসেবে কাজ করে এবং ঝড়-জলোচ্ছ্বাসের সময় বালুচর ও বসতভিটা রক্ষা করার পাশাপাশি সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, দখল পাকাপুক্ত করার উদ্দেশ্যে সারি সারি কেয়াগাছ কেটে ফেলা হয়েছে বলে তাঁদের ধারণা। তাঁরা দ্রুত প্রশাসনিক ও পরিবেশগত হস্তক্ষেপের দাবি জানান এবং দ্বীপের প্রাকৃতিক সুরক্ষা ও সৌন্দর্য রক্ষায় কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানান।
পরিবেশ অধিদপ্তরের কক্সবাজার জেলা কার্যালয়ের পরিচালক জমির উদ্দিন বলেন, সেন্টমার্টিনের দক্ষিণ পাড়া সমুদ্র সৈকত এলাকায় কেয়াগাছ কাটার ঘটনায় তারা অবগত হয়েছেন। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে এবং প্রাথমিক তদন্ত শুরু করা হয়েছে।

বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
টেকনাফ (কক্সবাজার), ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ (সোমবার), সন্ধ্যা ৭টা ৩৪ মিনিট—সেন্টমার্টিন দ্বীপের সমুদ্র সৈকত এলাকায় কেয়াগাছ কেটে দখলের অভিযোগ পাওয়া গেছে। স্থানীয়রা জানান, সেন্টমার্টিন ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের দক্ষিণ পাড়া এলাকায় বেশ কয়েকটি কেয়াগাছ কাটা অবস্থায় দেখতে পাওয়া গেছে। বিষয়টি জানাজানি হলে দ্বীপজুড়ে উদ্বেগ ও মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়।
সেন্টমার্টিন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ফয়েজুল ইসলাম জানান, দক্ষিণ পাড়া সমুদ্র সৈকত এলাকায় কেয়াগাছ নিধনের খবর তিনি শুনেছেন, তবে কারা এ কাজে জড়িত তা জানা যায়নি। তিনি বলেন, রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) বিষয়টি জানার পর দায়িত্বপ্রাপ্ত বিচ কর্মীকে ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছে এবং তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা) কক্সবাজার জেলা সভাপতি এইচ এম এরশাদ বলেন, সেন্টমার্টিন দ্বীপে কেয়াগাছ কেটে ফেলার ঘটনা অত্যন্ত নিন্দনীয় ও উদ্বেগজনক। তাঁর মতে, কেয়াগাছ উপকূলীয় পরিবেশের প্রাকৃতিক সুরক্ষা বেষ্টনী হিসেবে কাজ করে এবং ঝড়-জলোচ্ছ্বাসের সময় বালুচর ও বসতভিটা রক্ষা করার পাশাপাশি সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, দখল পাকাপুক্ত করার উদ্দেশ্যে সারি সারি কেয়াগাছ কেটে ফেলা হয়েছে বলে তাঁদের ধারণা। তাঁরা দ্রুত প্রশাসনিক ও পরিবেশগত হস্তক্ষেপের দাবি জানান এবং দ্বীপের প্রাকৃতিক সুরক্ষা ও সৌন্দর্য রক্ষায় কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানান।
পরিবেশ অধিদপ্তরের কক্সবাজার জেলা কার্যালয়ের পরিচালক জমির উদ্দিন বলেন, সেন্টমার্টিনের দক্ষিণ পাড়া সমুদ্র সৈকত এলাকায় কেয়াগাছ কাটার ঘটনায় তারা অবগত হয়েছেন। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে এবং প্রাথমিক তদন্ত শুরু করা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন