বান্দরবানের লামা উপজেলার গজালিয়া ইউনিয়নে আনসার ভিডিপি প্লাটুন কমান্ডার হাফিজুর রহমানের বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার, দুর্নীতি ও অর্থ আত্মসাৎসহ নানাবিধ গুরুতর অভিযোগ উঠেছে।
সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) ইউনিয়নের সাধারণ বাসিন্দা ও আনসার ভিডিপি সদস্যরা সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যের মাধ্যমে এই অভিযোগ তুলে ধরেন। লিখিত বক্তব্য প্রদান করেন আনসার সদস্য রহমত আলী। সংবাদ সম্মেলনে কমান্ডার হাফিজুর রহমানের বিরুদ্ধে সাতটি সুনির্দিষ্ট অভিযোগ তুলে ধরা হয়।
অভিযোগ অনুযায়ী, তিনি চাকরি প্রদান ও পদমর্যাদা বৃদ্ধি (র্যাংক) দেওয়ার নামে বিভিন্ন প্রার্থীর কাছ থেকে অবৈধ অর্থ গ্রহণ করেছেন। ব্যক্তিগত শত্রুতা ও প্রতিহিংসার জেরে নিয়মবহির্ভূতভাবে সদস্যদের চাকরি থেকে অব্যাহতি দিয়েছেন। প্লাটুনের আওতাধীন এলাকার মূল্যবান গাছ কাটার ও চুরির মতো ফৌজদারি কর্মকাণ্ডে লিপ্ত হয়েছেন। সরকারি জায়গা অবৈধভাবে দখল করে ব্যক্তিগত স্বার্থে ব্যবহার করেছেন। অধস্তন সদস্যদের সাথে অশোভন আচরণ, ভয়ভীতি প্রদর্শন ও মানসিক নির্যাতন চালানোর অভিযোগও করা হয়েছে।
এছাড়া তিনি নিজেকে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ‘সোর্স’, মানবাধিকার কর্মী বা সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে সাধারণ মানুষ ও ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে চাঁদাবাজি করেছেন। প্রভাব খাটিয়ে সাধারণ মানুষকে ভয়ভীতি দেখানো এবং প্রশাসনিকভাবে হেনস্তা করার অভিযোগও ওঠেছে। অভিযোগকারীরা দাবি করেছেন, কমান্ডারের এসব কর্মকাণ্ড সরকারি শৃঙ্খলা ও দুর্নীতি দমন আইনের পরিপন্থী।
তারা অবিলম্বে এই বিষয়ে নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ও আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য জেলা প্রশাসকের কাছে জোর দাবি জানিয়েছেন।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে প্লাটুন কমান্ডার হাফিজুর রহমান মুঠোফোনে জানান, “আমি ব্যস্ত আছি, পরে কথা বলব” এবং সংযোগ বিচ্ছিন্ন করেন।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
বান্দরবানের লামা উপজেলার গজালিয়া ইউনিয়নে আনসার ভিডিপি প্লাটুন কমান্ডার হাফিজুর রহমানের বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার, দুর্নীতি ও অর্থ আত্মসাৎসহ নানাবিধ গুরুতর অভিযোগ উঠেছে।
সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) ইউনিয়নের সাধারণ বাসিন্দা ও আনসার ভিডিপি সদস্যরা সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যের মাধ্যমে এই অভিযোগ তুলে ধরেন। লিখিত বক্তব্য প্রদান করেন আনসার সদস্য রহমত আলী। সংবাদ সম্মেলনে কমান্ডার হাফিজুর রহমানের বিরুদ্ধে সাতটি সুনির্দিষ্ট অভিযোগ তুলে ধরা হয়।
অভিযোগ অনুযায়ী, তিনি চাকরি প্রদান ও পদমর্যাদা বৃদ্ধি (র্যাংক) দেওয়ার নামে বিভিন্ন প্রার্থীর কাছ থেকে অবৈধ অর্থ গ্রহণ করেছেন। ব্যক্তিগত শত্রুতা ও প্রতিহিংসার জেরে নিয়মবহির্ভূতভাবে সদস্যদের চাকরি থেকে অব্যাহতি দিয়েছেন। প্লাটুনের আওতাধীন এলাকার মূল্যবান গাছ কাটার ও চুরির মতো ফৌজদারি কর্মকাণ্ডে লিপ্ত হয়েছেন। সরকারি জায়গা অবৈধভাবে দখল করে ব্যক্তিগত স্বার্থে ব্যবহার করেছেন। অধস্তন সদস্যদের সাথে অশোভন আচরণ, ভয়ভীতি প্রদর্শন ও মানসিক নির্যাতন চালানোর অভিযোগও করা হয়েছে।
এছাড়া তিনি নিজেকে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ‘সোর্স’, মানবাধিকার কর্মী বা সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে সাধারণ মানুষ ও ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে চাঁদাবাজি করেছেন। প্রভাব খাটিয়ে সাধারণ মানুষকে ভয়ভীতি দেখানো এবং প্রশাসনিকভাবে হেনস্তা করার অভিযোগও ওঠেছে। অভিযোগকারীরা দাবি করেছেন, কমান্ডারের এসব কর্মকাণ্ড সরকারি শৃঙ্খলা ও দুর্নীতি দমন আইনের পরিপন্থী।
তারা অবিলম্বে এই বিষয়ে নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ও আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য জেলা প্রশাসকের কাছে জোর দাবি জানিয়েছেন।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে প্লাটুন কমান্ডার হাফিজুর রহমান মুঠোফোনে জানান, “আমি ব্যস্ত আছি, পরে কথা বলব” এবং সংযোগ বিচ্ছিন্ন করেন।

আপনার মতামত লিখুন