মাদারীপুরে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুইপক্ষের সংঘর্ষে শতাধিক হাতবোমা বিস্ফোরণ ঘটেছে। এতে কমপক্ষে চারজন আহত হয়েছেন।
মাদারীপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. জাহাঙ্গীর আলম জানান, শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) রাত ৮টার পর থেকে টানা তিন ঘণ্টা সদর উপজেলার ‘নতুন মাদারীপুর’ গ্রামে সংঘর্ষ চলেছে। পরে খবর পেয়ে যৌথবাহিনী পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
সংঘর্ষে আহত ব্যক্তিদের মধ্যে রয়েছেন ওই গ্রামের চুন্নু হাওলাদারের ছেলে সজিব হাওলাদার, চান মিয়া মুন্সির ছেলে রনি মুন্সি, খালেক বেপারীর ছেলে রানা বেপারী এবং একই এলাকার মো. রাশেদ।
প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাতে পুলিশ জানিয়েছে, দীর্ঘদিন ধরে মাদারীপুর সদর উপজেলার ‘নতুন মাদারীপুর’ গ্রামের আক্তার হাওলাদার ও হাসান মুন্সির মধ্যে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে স্থানীয়ভাবে বিরোধ চলছিল।
শুক্রবার সন্ধ্যার দিকে চর কুকরাইল জজ কোর্ট এলাকায় আক্তার হাওলাদারের সমর্থক রানা বেপারীর ওপর হামলা চালায় হাসান মুন্সি পক্ষের ১০–১৫ জন কিশোর। হামলায় রানা বেপারীর ডান হাত ভেঙে যায়।
হামলার খবর ছড়িয়ে পড়ার পর দুইপক্ষ দেশীয় অস্ত্র-শস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এ সময় শতাধিক হাতবোমা বিস্ফোরণ ঘটে, যা পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে দেয়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে সেনাবাহিনী, বিজিবি, র্যাব ও পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
মাদারীপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. জাহাঙ্গীর আলম বলেন, “এ ঘটনায় এখনো কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।”

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
মাদারীপুরে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুইপক্ষের সংঘর্ষে শতাধিক হাতবোমা বিস্ফোরণ ঘটেছে। এতে কমপক্ষে চারজন আহত হয়েছেন।
মাদারীপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. জাহাঙ্গীর আলম জানান, শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) রাত ৮টার পর থেকে টানা তিন ঘণ্টা সদর উপজেলার ‘নতুন মাদারীপুর’ গ্রামে সংঘর্ষ চলেছে। পরে খবর পেয়ে যৌথবাহিনী পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
সংঘর্ষে আহত ব্যক্তিদের মধ্যে রয়েছেন ওই গ্রামের চুন্নু হাওলাদারের ছেলে সজিব হাওলাদার, চান মিয়া মুন্সির ছেলে রনি মুন্সি, খালেক বেপারীর ছেলে রানা বেপারী এবং একই এলাকার মো. রাশেদ।
প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাতে পুলিশ জানিয়েছে, দীর্ঘদিন ধরে মাদারীপুর সদর উপজেলার ‘নতুন মাদারীপুর’ গ্রামের আক্তার হাওলাদার ও হাসান মুন্সির মধ্যে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে স্থানীয়ভাবে বিরোধ চলছিল।
শুক্রবার সন্ধ্যার দিকে চর কুকরাইল জজ কোর্ট এলাকায় আক্তার হাওলাদারের সমর্থক রানা বেপারীর ওপর হামলা চালায় হাসান মুন্সি পক্ষের ১০–১৫ জন কিশোর। হামলায় রানা বেপারীর ডান হাত ভেঙে যায়।
হামলার খবর ছড়িয়ে পড়ার পর দুইপক্ষ দেশীয় অস্ত্র-শস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এ সময় শতাধিক হাতবোমা বিস্ফোরণ ঘটে, যা পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে দেয়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে সেনাবাহিনী, বিজিবি, র্যাব ও পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
মাদারীপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. জাহাঙ্গীর আলম বলেন, “এ ঘটনায় এখনো কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।”

আপনার মতামত লিখুন