ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পোস্টাল ভোটের ব্যবধানে জয় পেয়েছেন জামায়াতে ইসলামী ও তাদের সমমনা জোটভুক্ত দুই প্রার্থী। সিরাজগঞ্জ-৪ ও মাদারীপুর-১ আসনে প্রাথমিকভাবে এগিয়ে থাকা বিএনপির প্রার্থীদের পিছনে ফেলে জয়লাভ করেছেন তারা।
সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া (সিরাজগঞ্জ-৪) আসনে প্রাথমিক গণনায় এগিয়ে ছিলেন বিএনপি মনোনীত প্রার্থী এম আকবর আলী (ধানের শীষ)। ১৪৭টি কেন্দ্রের ফলাফলে তিনি পান এক লাখ ৬০ হাজার ৪৫৮ ভোট, অন্যদিকে জামায়াত জোটের প্রার্থী মাওলানা রফিকুল ইসলাম খাঁন (দাঁড়িপাল্লা) পান এক লাখ ৫৯ হাজার ৬৯৩ ভোট। এ সময় আকবর আলী ৭৬৫ ভোটে এগিয়ে ছিলেন।
তবে পোস্টাল ভোটের ফল প্রকাশের পর পুরো চিত্র বদলে যায়। পোস্টাল ভোটে বিএনপির প্রার্থী পান ৮২০ ভোট, যেখানে জামায়াতের প্রার্থী পান দুই হাজার ১৭৯ ভোট। সব মিলিয়ে জামায়াত প্রার্থীর মোট ভোট দাঁড়ায় এক লাখ ৬১ হাজার ৮৭২, আর বিএনপির প্রার্থী পান এক লাখ ৬১ হাজার ২৭৮ ভোট। এতে ৫৯৪ ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী হন মাওলানা রফিকুল ইসলাম খাঁন। জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা আমিনুল ইসলাম এই ফলাফল ঘোষণা করেন।
অন্যদিকে মাদারীপুর-১ (শিবচর) আসনেও পোস্টাল ভোটের কারণে জয়ী হন ১১ দলীয় জোটের শরিক বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী সাঈদ উদ্দিন আহমাদ হানজালা (রিকশা প্রতীক)। ওই আসনের ১০২টি কেন্দ্রে তিনি সরাসরি ভোট পান ৬৩ হাজার ৫১১টি এবং পোস্টাল ভোট পান এক হাজার ৩৯৮টি। মোট ভোট দাঁড়ায় ৬৪ হাজার ৯০৯।
তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির নাদিরা আক্তার (ধানের শীষ) সরাসরি ভোট পান ৬৪ হাজার ২৯১ এবং পোস্টালে পান মাত্র ২৩৩ ভোট। সব মিলিয়ে তার প্রাপ্ত ভোট ৬৪ হাজার ৫২৪। ফলে ৩৮৫ ভোটের ব্যবধানে জয়ী হন হানজালা। মাদারীপুর-১ আসনের সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা এইচএম ইবনে মিজান এই ফলাফল নিশ্চিত করেছেন।
এই দুই আসনে পোস্টাল ভোটের প্রভাব নির্বাচনের ফলাফল পুরোপুরি বদলে দিয়েছে এবং নির্বাচনে পোস্টাল ভোটের গুরুত্ব আরও স্পষ্ট করে তুলেছে।

বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পোস্টাল ভোটের ব্যবধানে জয় পেয়েছেন জামায়াতে ইসলামী ও তাদের সমমনা জোটভুক্ত দুই প্রার্থী। সিরাজগঞ্জ-৪ ও মাদারীপুর-১ আসনে প্রাথমিকভাবে এগিয়ে থাকা বিএনপির প্রার্থীদের পিছনে ফেলে জয়লাভ করেছেন তারা।
সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া (সিরাজগঞ্জ-৪) আসনে প্রাথমিক গণনায় এগিয়ে ছিলেন বিএনপি মনোনীত প্রার্থী এম আকবর আলী (ধানের শীষ)। ১৪৭টি কেন্দ্রের ফলাফলে তিনি পান এক লাখ ৬০ হাজার ৪৫৮ ভোট, অন্যদিকে জামায়াত জোটের প্রার্থী মাওলানা রফিকুল ইসলাম খাঁন (দাঁড়িপাল্লা) পান এক লাখ ৫৯ হাজার ৬৯৩ ভোট। এ সময় আকবর আলী ৭৬৫ ভোটে এগিয়ে ছিলেন।
তবে পোস্টাল ভোটের ফল প্রকাশের পর পুরো চিত্র বদলে যায়। পোস্টাল ভোটে বিএনপির প্রার্থী পান ৮২০ ভোট, যেখানে জামায়াতের প্রার্থী পান দুই হাজার ১৭৯ ভোট। সব মিলিয়ে জামায়াত প্রার্থীর মোট ভোট দাঁড়ায় এক লাখ ৬১ হাজার ৮৭২, আর বিএনপির প্রার্থী পান এক লাখ ৬১ হাজার ২৭৮ ভোট। এতে ৫৯৪ ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী হন মাওলানা রফিকুল ইসলাম খাঁন। জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা আমিনুল ইসলাম এই ফলাফল ঘোষণা করেন।
অন্যদিকে মাদারীপুর-১ (শিবচর) আসনেও পোস্টাল ভোটের কারণে জয়ী হন ১১ দলীয় জোটের শরিক বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী সাঈদ উদ্দিন আহমাদ হানজালা (রিকশা প্রতীক)। ওই আসনের ১০২টি কেন্দ্রে তিনি সরাসরি ভোট পান ৬৩ হাজার ৫১১টি এবং পোস্টাল ভোট পান এক হাজার ৩৯৮টি। মোট ভোট দাঁড়ায় ৬৪ হাজার ৯০৯।
তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির নাদিরা আক্তার (ধানের শীষ) সরাসরি ভোট পান ৬৪ হাজার ২৯১ এবং পোস্টালে পান মাত্র ২৩৩ ভোট। সব মিলিয়ে তার প্রাপ্ত ভোট ৬৪ হাজার ৫২৪। ফলে ৩৮৫ ভোটের ব্যবধানে জয়ী হন হানজালা। মাদারীপুর-১ আসনের সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা এইচএম ইবনে মিজান এই ফলাফল নিশ্চিত করেছেন।
এই দুই আসনে পোস্টাল ভোটের প্রভাব নির্বাচনের ফলাফল পুরোপুরি বদলে দিয়েছে এবং নির্বাচনে পোস্টাল ভোটের গুরুত্ব আরও স্পষ্ট করে তুলেছে।

আপনার মতামত লিখুন