মাদারীপুরের তিনটি সংসদীয় আসনে আসন্ন নির্বাচনকে কেন্দ্র করে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ব্যাপক নিরাপত্তা প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে। জেলার মোট ৩৮১টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে অর্ধেকের বেশি অর্থাৎ ২২৪টি কেন্দ্রকেই গুরুত্বপূর্ণ বা ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। বাকি ১৫৭টি কেন্দ্রকে সাধারণ হিসেবে ঘোষণা করেছে রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়। ১১ লাখ ৪৮ হাজার ৩২৭ জন ভোটারের এই জেলায় সুষ্ঠু ভোট নিশ্চিত করতে মোট ২৫ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলোতে ৩ জন অস্ত্রধারী পুলিশ, ৩ জন অস্ত্রধারী আনসার এবং ১০ জন লাঠিধারী আনসার সদস্য মোতায়েন থাকবেন। অন্যদিকে, সাধারণ কেন্দ্রগুলোতে ২ জন অস্ত্রধারী পুলিশ, ২ জন অস্ত্রধারী আনসার এবং ১১ জন লাঠিধারী আনসার সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন। পুরো জেলায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সেনাবাহিনীর প্রায় ৬০০ সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে, যার মধ্যে শুধু সদর উপজেলাতেই দায়িত্ব পালন করবেন ২০০ সেনা সদস্য এবং বাকি প্রতিটি উপজেলায় ১০০ জন করে সদস্য থাকবেন। এছাড়া নির্বাচনী মাঠে ৬ প্লাটুন বিজিবি এবং অর্ধশত র্যাব সদস্যের পাশাপাশি ২৪ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োজিত থাকবেন।
জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর আলম জানিয়েছেন যে, স্বচ্ছতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিতে প্রায় প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে। ভোটারদের নিরাপত্তা ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে জেলা প্রশাসন ও পুলিশ বিভাগ জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছে।

বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
মাদারীপুরের তিনটি সংসদীয় আসনে আসন্ন নির্বাচনকে কেন্দ্র করে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ব্যাপক নিরাপত্তা প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে। জেলার মোট ৩৮১টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে অর্ধেকের বেশি অর্থাৎ ২২৪টি কেন্দ্রকেই গুরুত্বপূর্ণ বা ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। বাকি ১৫৭টি কেন্দ্রকে সাধারণ হিসেবে ঘোষণা করেছে রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়। ১১ লাখ ৪৮ হাজার ৩২৭ জন ভোটারের এই জেলায় সুষ্ঠু ভোট নিশ্চিত করতে মোট ২৫ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলোতে ৩ জন অস্ত্রধারী পুলিশ, ৩ জন অস্ত্রধারী আনসার এবং ১০ জন লাঠিধারী আনসার সদস্য মোতায়েন থাকবেন। অন্যদিকে, সাধারণ কেন্দ্রগুলোতে ২ জন অস্ত্রধারী পুলিশ, ২ জন অস্ত্রধারী আনসার এবং ১১ জন লাঠিধারী আনসার সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন। পুরো জেলায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সেনাবাহিনীর প্রায় ৬০০ সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে, যার মধ্যে শুধু সদর উপজেলাতেই দায়িত্ব পালন করবেন ২০০ সেনা সদস্য এবং বাকি প্রতিটি উপজেলায় ১০০ জন করে সদস্য থাকবেন। এছাড়া নির্বাচনী মাঠে ৬ প্লাটুন বিজিবি এবং অর্ধশত র্যাব সদস্যের পাশাপাশি ২৪ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োজিত থাকবেন।
জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর আলম জানিয়েছেন যে, স্বচ্ছতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিতে প্রায় প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে। ভোটারদের নিরাপত্তা ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে জেলা প্রশাসন ও পুলিশ বিভাগ জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছে।

আপনার মতামত লিখুন