গাজীপুর, ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ (বিশেষ প্রতিনিধি) — গাজীপুর-২ (টঙ্গী-সদর) আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী এম মঞ্জুরুল করিম রনির নির্বাচনী প্রচারণা চলাকালীন সন্ত্রাসীদের হামলায় দলীয় কর্মী গাজী মোশাররফ গুরুতর আহত হয়েছেন। গত সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) বিকালে টঙ্গী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে জানা যায়, প্রচারণার সময় গাজী মোশাররফ নিরবে দাঁড়িয়ে ছিলেন। হঠাৎ এক যুবকের চোখের ইশারায় পেছন থেকে মোটা কাঠের লাঠি দিয়ে তার মাথায় প্রচণ্ড আঘাত করা হয়।
আঘাতের সঙ্গে সঙ্গে তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়েন এবং মুখ দিয়ে লালা বের হতে থাকে। একজন মহিলা তার ওপর লুটিয়ে পড়ে রক্ষার চেষ্টা করেন এবং চিৎকার করে বলতে থাকেন, “তোরা আর মারিস না আমার মামাকে।” হামলার পর গাজী মোশাররফের সঙ্গে থাকা অনেকেই পালিয়ে যান। বাকিরা তাকে দ্রুত নিকটস্থ বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যান। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, তার মাথায় প্রচণ্ড আঘাত লেগেছে এবং বর্তমানে তিনি নিবিড় পর্যবেক্ষণে রয়েছেন।
গাজী মোশাররফের পরিবারের সদস্যরা এই হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন। তারা বলেন, “আমরা নিশ্চিতভাবে বলতে পারি, এই আক্রমণ হত্যার উদ্দেশ্যে করা হয়েছে। এটি একটি ন্যক্কারজনক ও বর্বরোচিত হামলা।” পরিবারের পক্ষ থেকে স্থানীয় প্রশাসন ও দলীয় নেতৃবৃন্দের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে যেন সঠিক তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা হয়।
পরিবারের সদস্যরা আরও বলেন, “যদি প্রশাসন ও দলীয় নেতৃবৃন্দ এই হামলাকারীদের শাস্তি নিশ্চিত করতে না পারে, তাহলে রাজনীতি গুন্ডা-বদমাশদের হাতে চলে যাবে। ভালো মানুষরা রাজনীতি থেকে মুখ ফিরিয়ে নেবে।”
এদিকে পরিবার সকলের কাছে দোয়া চেয়েছেন যেন গাজী মোশাররফ দ্রুত সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরতে পারেন।
এ ঘটনায় এখনও কোনো পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ বা গ্রেপ্তারের খবর পাওয়া যায়নি। স্থানীয় প্রশাসনের তদন্তের অপেক্ষায় রয়েছে এলাকাবাসী।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
গাজীপুর, ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ (বিশেষ প্রতিনিধি) — গাজীপুর-২ (টঙ্গী-সদর) আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী এম মঞ্জুরুল করিম রনির নির্বাচনী প্রচারণা চলাকালীন সন্ত্রাসীদের হামলায় দলীয় কর্মী গাজী মোশাররফ গুরুতর আহত হয়েছেন। গত সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) বিকালে টঙ্গী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে জানা যায়, প্রচারণার সময় গাজী মোশাররফ নিরবে দাঁড়িয়ে ছিলেন। হঠাৎ এক যুবকের চোখের ইশারায় পেছন থেকে মোটা কাঠের লাঠি দিয়ে তার মাথায় প্রচণ্ড আঘাত করা হয়।
আঘাতের সঙ্গে সঙ্গে তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়েন এবং মুখ দিয়ে লালা বের হতে থাকে। একজন মহিলা তার ওপর লুটিয়ে পড়ে রক্ষার চেষ্টা করেন এবং চিৎকার করে বলতে থাকেন, “তোরা আর মারিস না আমার মামাকে।” হামলার পর গাজী মোশাররফের সঙ্গে থাকা অনেকেই পালিয়ে যান। বাকিরা তাকে দ্রুত নিকটস্থ বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যান। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, তার মাথায় প্রচণ্ড আঘাত লেগেছে এবং বর্তমানে তিনি নিবিড় পর্যবেক্ষণে রয়েছেন।
গাজী মোশাররফের পরিবারের সদস্যরা এই হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন। তারা বলেন, “আমরা নিশ্চিতভাবে বলতে পারি, এই আক্রমণ হত্যার উদ্দেশ্যে করা হয়েছে। এটি একটি ন্যক্কারজনক ও বর্বরোচিত হামলা।” পরিবারের পক্ষ থেকে স্থানীয় প্রশাসন ও দলীয় নেতৃবৃন্দের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে যেন সঠিক তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা হয়।
পরিবারের সদস্যরা আরও বলেন, “যদি প্রশাসন ও দলীয় নেতৃবৃন্দ এই হামলাকারীদের শাস্তি নিশ্চিত করতে না পারে, তাহলে রাজনীতি গুন্ডা-বদমাশদের হাতে চলে যাবে। ভালো মানুষরা রাজনীতি থেকে মুখ ফিরিয়ে নেবে।”
এদিকে পরিবার সকলের কাছে দোয়া চেয়েছেন যেন গাজী মোশাররফ দ্রুত সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরতে পারেন।
এ ঘটনায় এখনও কোনো পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ বা গ্রেপ্তারের খবর পাওয়া যায়নি। স্থানীয় প্রশাসনের তদন্তের অপেক্ষায় রয়েছে এলাকাবাসী।

আপনার মতামত লিখুন