ঢাকা    শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

বিপ্লবে জিতেছে জেন-জি, কিন্তু নির্বাচনে আধিপত্য পুরোনো রাজনীতিবিদদেরই


নিজস্ব প্রতিবেদন
নিজস্ব প্রতিবেদন
প্রকাশ : ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

বিপ্লবে জিতেছে জেন-জি, কিন্তু নির্বাচনে আধিপত্য পুরোনো রাজনীতিবিদদেরই

২০২৪ সালের বিপ্লবের ফলে তরুণ প্রজন্ম বা জেনারেশন-জেড (জেন-জি) নেতৃত্বে সামাজিক ও রাজনৈতিক পরিবর্তনের আশার সঞ্চার হয়েছিল। লাখ লাখ তরুণ নাগরিক আন্দোলনে অংশগ্রহণ করে নতুন রাজনৈতিক দিগন্তের স্বপ্ন দেখেছিলেন। কিন্তু সাম্প্রতিক ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন প্রমাণ করেছে যে, রাজনীতিতে এখনও পুরোনো নেতা ও প্রতিষ্ঠিত রাজনৈতিক দলগুলোই আধিপত্য বজায় রেখেছে।

আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলো এই নির্বাচনের গুরুত্বকে “বিশ্বের প্রথম জেন-জি-প্রভাবিত নির্বাচন” হিসেবে তুলে ধরেছে। নির্বাচনে তরুণ ভোটারের অংশগ্রহণ উল্লেখযোগ্য ছিল; মোট ভোটারের প্রায় এক-চতুর্থাংশই তরুণ। তারা বিশেষভাবে দুর্নীতি, অর্থনীতি ও সামাজিক সুযোগ-সুবিধার বিষয়কে ভোটের মাধ্যমে প্রভাবিত করেছে।

তবে নির্বাচনের ফলাফলে দেখা গেছে, নতুন রাজনৈতিক শক্তি হিসেবে আত্মপ্রকাশের আশা থাকা সত্ত্বেও, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) এবং অন্যান্য তরুণ নেতৃত্বাধীন দলগুলো এককভাবে বড় প্রভাব তৈরি করতে পারেনি। প্রধান রাজনৈতিক দলগুলো যেমন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) এবং জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন জোট নির্বাচনের মূল আসনে এগিয়ে রয়েছে। বিশ্লেষকরা বলছেন, বিপ্লবী আন্দোলনে জয়ী তরুণদের উদ্দীপনা থাকা সত্ত্বেও, রাজনৈতিক বাস্তবতা এখনও পুরোনো নেতাদের প্রাধান্য বহাল রেখেছে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই নির্বাচনের ফলাফল তরুণ প্রজন্মের জন্য সচেতনতার ইঙ্গিত বহন করছে। তরুণরা রাজনৈতিক প্রক্রিয়ায় সক্রিয় হলেও নেতৃত্বে আসতে হলে তাদের আরও সময় ও সংগঠিত প্রচেষ্টা প্রয়োজন। তবে এই প্রজন্মের অংশগ্রহণ ভবিষ্যতে নির্বাচনে বড় পরিবর্তন আনার সম্ভাবনা রাখে।

২০২৪ সালের বিপ্লব জেন-জি’র জয় নিশ্চিত করলেও, সাম্প্রতিক নির্বাচনে রাজনৈতিক নেতৃত্ব ও ক্ষমতার আসনে প্রভাব এখনও পুরোনো প্রজন্মের নেতাদেরই। তরুণ প্রজন্মের রাজনৈতিক অংশগ্রহণ অবশ্যই গুরুত্বপূর্ণ, তবে বাস্তব ক্ষমতা অর্জনে এখনো দীর্ঘ পথ বাকি।

আপনার মতামত লিখুন

দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬


বিপ্লবে জিতেছে জেন-জি, কিন্তু নির্বাচনে আধিপত্য পুরোনো রাজনীতিবিদদেরই

প্রকাশের তারিখ : ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

featured Image

২০২৪ সালের বিপ্লবের ফলে তরুণ প্রজন্ম বা জেনারেশন-জেড (জেন-জি) নেতৃত্বে সামাজিক ও রাজনৈতিক পরিবর্তনের আশার সঞ্চার হয়েছিল। লাখ লাখ তরুণ নাগরিক আন্দোলনে অংশগ্রহণ করে নতুন রাজনৈতিক দিগন্তের স্বপ্ন দেখেছিলেন। কিন্তু সাম্প্রতিক ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন প্রমাণ করেছে যে, রাজনীতিতে এখনও পুরোনো নেতা ও প্রতিষ্ঠিত রাজনৈতিক দলগুলোই আধিপত্য বজায় রেখেছে।

আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলো এই নির্বাচনের গুরুত্বকে “বিশ্বের প্রথম জেন-জি-প্রভাবিত নির্বাচন” হিসেবে তুলে ধরেছে। নির্বাচনে তরুণ ভোটারের অংশগ্রহণ উল্লেখযোগ্য ছিল; মোট ভোটারের প্রায় এক-চতুর্থাংশই তরুণ। তারা বিশেষভাবে দুর্নীতি, অর্থনীতি ও সামাজিক সুযোগ-সুবিধার বিষয়কে ভোটের মাধ্যমে প্রভাবিত করেছে।

তবে নির্বাচনের ফলাফলে দেখা গেছে, নতুন রাজনৈতিক শক্তি হিসেবে আত্মপ্রকাশের আশা থাকা সত্ত্বেও, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) এবং অন্যান্য তরুণ নেতৃত্বাধীন দলগুলো এককভাবে বড় প্রভাব তৈরি করতে পারেনি। প্রধান রাজনৈতিক দলগুলো যেমন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) এবং জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন জোট নির্বাচনের মূল আসনে এগিয়ে রয়েছে। বিশ্লেষকরা বলছেন, বিপ্লবী আন্দোলনে জয়ী তরুণদের উদ্দীপনা থাকা সত্ত্বেও, রাজনৈতিক বাস্তবতা এখনও পুরোনো নেতাদের প্রাধান্য বহাল রেখেছে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই নির্বাচনের ফলাফল তরুণ প্রজন্মের জন্য সচেতনতার ইঙ্গিত বহন করছে। তরুণরা রাজনৈতিক প্রক্রিয়ায় সক্রিয় হলেও নেতৃত্বে আসতে হলে তাদের আরও সময় ও সংগঠিত প্রচেষ্টা প্রয়োজন। তবে এই প্রজন্মের অংশগ্রহণ ভবিষ্যতে নির্বাচনে বড় পরিবর্তন আনার সম্ভাবনা রাখে।

২০২৪ সালের বিপ্লব জেন-জি’র জয় নিশ্চিত করলেও, সাম্প্রতিক নির্বাচনে রাজনৈতিক নেতৃত্ব ও ক্ষমতার আসনে প্রভাব এখনও পুরোনো প্রজন্মের নেতাদেরই। তরুণ প্রজন্মের রাজনৈতিক অংশগ্রহণ অবশ্যই গুরুত্বপূর্ণ, তবে বাস্তব ক্ষমতা অর্জনে এখনো দীর্ঘ পথ বাকি।


দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ ফয়সাল আলম , মোবাইল- ০১৯১৬৫৫৭০১৭
  প্রধান সম্পাদক: মো: আতাউর রহমান, মোবাইল: ০২৪১০৯১৭৩০

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ