বরিশাল জেলার গৌরনদী উপজেলায় যৌথ বাহিনীর বিশেষ অভিযানে এলাকার শীর্ষ সন্ত্রাসী হিসেবে পরিচিত সরোয়ার প্যাদাকে ককটেল ও দেশীয় অস্ত্রসহ আটক করা হয়েছে।
বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ৭ পদাতিক ডিভিশনের আওতাধীন ৬ পদাতিক ব্রিগেডের ৬২ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের নেতৃত্বে শনিবার (০৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) এই অভিযান পরিচালিত হয়। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সেনাবাহিনী ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয়ে গৌরনদী উপজেলার শরিকল ইউনিয়নে অবস্থিত সরোয়ার প্যাদার নিজ বাসভবনে অভিযান চালানো হলে তাকে ও তার ভাই বাচ্চু প্যাদা (৪৫)-কে আটক করা হয়। অভিযানে সরোয়ার প্যাদার বাড়ি থেকে ছয়টি ককটেল (হাতবোমা) এবং চারটি দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়।
প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, আসন্ন নির্বাচনকে কেন্দ্র করে নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনার উদ্দেশ্যে এসব ককটেল ও অস্ত্র মজুত করা হয়েছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে সরোয়ার প্যাদা এলাকায় চাঁদাবাজি, সন্ত্রাসী কার্যক্রম ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করে আসছিল এবং তার বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ রয়েছে। তার আটকের খবরে এলাকায় স্বস্তি ফিরে এসেছে এবং সাধারণ মানুষ যৌথ বাহিনীর এই অভিযানে সন্তোষ প্রকাশ করেছে।
বাংলাদেশ সেনাবাহিনী এক বিবৃতিতে জানায়, একটি সুষ্ঠু, অবাধ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন দেশবাসীকে উপহার দেওয়ার লক্ষ্যে তারা দৃঢ়ভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং নির্বাচনকে কেন্দ্র করে যেকোনো ধরনের সহিংসতা ও নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে সেনাবাহিনী সর্বদা সতর্ক অবস্থানে রয়েছে, প্রয়োজনে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানানো হয়।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
বরিশাল জেলার গৌরনদী উপজেলায় যৌথ বাহিনীর বিশেষ অভিযানে এলাকার শীর্ষ সন্ত্রাসী হিসেবে পরিচিত সরোয়ার প্যাদাকে ককটেল ও দেশীয় অস্ত্রসহ আটক করা হয়েছে।
বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ৭ পদাতিক ডিভিশনের আওতাধীন ৬ পদাতিক ব্রিগেডের ৬২ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের নেতৃত্বে শনিবার (০৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) এই অভিযান পরিচালিত হয়। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সেনাবাহিনী ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয়ে গৌরনদী উপজেলার শরিকল ইউনিয়নে অবস্থিত সরোয়ার প্যাদার নিজ বাসভবনে অভিযান চালানো হলে তাকে ও তার ভাই বাচ্চু প্যাদা (৪৫)-কে আটক করা হয়। অভিযানে সরোয়ার প্যাদার বাড়ি থেকে ছয়টি ককটেল (হাতবোমা) এবং চারটি দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়।
প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, আসন্ন নির্বাচনকে কেন্দ্র করে নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনার উদ্দেশ্যে এসব ককটেল ও অস্ত্র মজুত করা হয়েছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে সরোয়ার প্যাদা এলাকায় চাঁদাবাজি, সন্ত্রাসী কার্যক্রম ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করে আসছিল এবং তার বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ রয়েছে। তার আটকের খবরে এলাকায় স্বস্তি ফিরে এসেছে এবং সাধারণ মানুষ যৌথ বাহিনীর এই অভিযানে সন্তোষ প্রকাশ করেছে।
বাংলাদেশ সেনাবাহিনী এক বিবৃতিতে জানায়, একটি সুষ্ঠু, অবাধ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন দেশবাসীকে উপহার দেওয়ার লক্ষ্যে তারা দৃঢ়ভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং নির্বাচনকে কেন্দ্র করে যেকোনো ধরনের সহিংসতা ও নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে সেনাবাহিনী সর্বদা সতর্ক অবস্থানে রয়েছে, প্রয়োজনে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানানো হয়।

আপনার মতামত লিখুন