চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) ইজারা দেওয়ার সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে আজ রবিবার সকাল থেকে অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতি শুরু করেছে ‘চট্টগ্রাম বন্দর রক্ষা সংগ্রাম পরিষদ’। এই কর্মসূচির ফলে দেশের প্রধান এই সমুদ্রবন্দরের সব ধরনের অপারেশনাল কার্যক্রম কার্যত বন্ধ হয়ে গেছে, যার প্রভাব পড়তে শুরু করেছে দেশের আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যে।
সকাল ৮টা থেকে শুরু হওয়া এই ধর্মঘটের কারণে বন্দরের জেটি, ইয়ার্ড, টার্মিনাল এবং বহির্নোঙরে পণ্য ওঠানামার কাজ সম্পূর্ণ বন্ধ রয়েছে। সকাল সাড়ে ৮টার দিকে বন্দর ভবনের ৪ নম্বর গেটে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের সতর্ক অবস্থানে থাকতে দেখা গেছে। বন্দরের প্রশাসনিক ভবনসহ অভ্যন্তরের বিভিন্ন এলাকায় যানবাহন চলাচলও প্রায় বন্ধ ছিল।
উদ্ভূত পরিস্থিতি সামাল দিতে বন্দর কর্তৃপক্ষ আজ সকাল সাড়ে ৯টায় সাধারণ কর্মচারী ও শ্রমিকদের নিয়ে জরুরি সভা ডাকলেও আন্দোলনকারীরা সেই বৈঠক বর্জন করেছেন। সংগ্রাম পরিষদের নেতাদের অভিযোগ, আন্দোলনের সাথে যুক্ত শ্রমিক নেতাদের ওপর বিভিন্নভাবে চাপ প্রয়োগ ও হয়রানিমূলক মামলা দেওয়া হচ্ছে। দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত এবং বন্দর চেয়ারম্যান এস এম মনিরুজ্জামানের অপসারণ না হওয়া পর্যন্ত তারা কাজে ফিরবেন না বলে ঘোষণা দিয়েছেন।
এর আগে গত শনিবার দুপুরে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এই চূড়ান্ত আন্দোলনের ডাক দেওয়া হয়। নেতারা জানান, গত জানুয়ারির শেষ দিকে এবং ফেব্রুয়ারির শুরুতে ধাপে ধাপে কর্মবিরতি পালন করা হলেও সরকারের পক্ষ থেকে দেওয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন না হওয়ায় তারা আবারও রাজপথে নামতে বাধ্য হয়েছেন। তাদের প্রধান দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে এনসিটি ইজারা বাতিল করা এবং আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে নেওয়া সব ধরনের শাস্তিমূলক ব্যবস্থা প্রত্যাহার।
চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের বন্দর বিভাগের উপ-কমিশনার মো. আমিরুল ইসলাম জানিয়েছেন, বন্দরের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিতে পর্যাপ্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে এবং পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। তবে দেশের প্রধান প্রবেশদ্বার এভাবে অচল হয়ে পড়ায় সরবরাহ ব্যবস্থায় বড় ধরনের সংকটের আশঙ্কা করছেন ব্যবসায়ীরা।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) ইজারা দেওয়ার সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে আজ রবিবার সকাল থেকে অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতি শুরু করেছে ‘চট্টগ্রাম বন্দর রক্ষা সংগ্রাম পরিষদ’। এই কর্মসূচির ফলে দেশের প্রধান এই সমুদ্রবন্দরের সব ধরনের অপারেশনাল কার্যক্রম কার্যত বন্ধ হয়ে গেছে, যার প্রভাব পড়তে শুরু করেছে দেশের আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যে।
সকাল ৮টা থেকে শুরু হওয়া এই ধর্মঘটের কারণে বন্দরের জেটি, ইয়ার্ড, টার্মিনাল এবং বহির্নোঙরে পণ্য ওঠানামার কাজ সম্পূর্ণ বন্ধ রয়েছে। সকাল সাড়ে ৮টার দিকে বন্দর ভবনের ৪ নম্বর গেটে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের সতর্ক অবস্থানে থাকতে দেখা গেছে। বন্দরের প্রশাসনিক ভবনসহ অভ্যন্তরের বিভিন্ন এলাকায় যানবাহন চলাচলও প্রায় বন্ধ ছিল।
উদ্ভূত পরিস্থিতি সামাল দিতে বন্দর কর্তৃপক্ষ আজ সকাল সাড়ে ৯টায় সাধারণ কর্মচারী ও শ্রমিকদের নিয়ে জরুরি সভা ডাকলেও আন্দোলনকারীরা সেই বৈঠক বর্জন করেছেন। সংগ্রাম পরিষদের নেতাদের অভিযোগ, আন্দোলনের সাথে যুক্ত শ্রমিক নেতাদের ওপর বিভিন্নভাবে চাপ প্রয়োগ ও হয়রানিমূলক মামলা দেওয়া হচ্ছে। দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত এবং বন্দর চেয়ারম্যান এস এম মনিরুজ্জামানের অপসারণ না হওয়া পর্যন্ত তারা কাজে ফিরবেন না বলে ঘোষণা দিয়েছেন।
এর আগে গত শনিবার দুপুরে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এই চূড়ান্ত আন্দোলনের ডাক দেওয়া হয়। নেতারা জানান, গত জানুয়ারির শেষ দিকে এবং ফেব্রুয়ারির শুরুতে ধাপে ধাপে কর্মবিরতি পালন করা হলেও সরকারের পক্ষ থেকে দেওয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন না হওয়ায় তারা আবারও রাজপথে নামতে বাধ্য হয়েছেন। তাদের প্রধান দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে এনসিটি ইজারা বাতিল করা এবং আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে নেওয়া সব ধরনের শাস্তিমূলক ব্যবস্থা প্রত্যাহার।
চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের বন্দর বিভাগের উপ-কমিশনার মো. আমিরুল ইসলাম জানিয়েছেন, বন্দরের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিতে পর্যাপ্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে এবং পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। তবে দেশের প্রধান প্রবেশদ্বার এভাবে অচল হয়ে পড়ায় সরবরাহ ব্যবস্থায় বড় ধরনের সংকটের আশঙ্কা করছেন ব্যবসায়ীরা।

আপনার মতামত লিখুন