মিয়ানমার সীমান্ত থেকে ছোড়া গুলিতে গুরুতর আহত টেকনাফের শিশু হুজাইফা সুলতানা আফনান মারা গেছে। আজ শনিবার সকাল ৯টা ৫০ মিনিটে রাজধানীর জাতীয় ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্স ও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। শিশুটির মামা মাহফুজুর রহমান এই করুণ সংবাদটি নিশ্চিত করেছেন।
গত ১১ জানুয়ারি সকালে বাংলাদেশ সীমান্তসংলগ্ন মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্য থেকে ছোড়া একটি গুলি এসে শিশুটির গায়ে লাগলে সে মারাত্মকভাবে জখম হয়। প্রথমে তাকে স্থানীয়ভাবে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হলেও অবস্থার অবনতি ঘটায় দ্রুত চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকায় স্থানান্তর করা হয়েছিল, যেখানে দীর্ঘ লড়াইয়ের পর আজ সে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করে।
বর্তমানে মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে নিরাপত্তা পরিস্থিতির চরম অবনতি হয়েছে। বিশেষ করে মংডু টাউনশিপ ও এর আশপাশের এলাকায় জান্তা বাহিনী এবং সশস্ত্র গোষ্ঠী আরাকান আর্মির মধ্যে তীব্র সংঘর্ষ চলছে। জান্তা বাহিনীর অব্যাহত বিমান হামলা, ড্রোন হামলা ও মর্টার শেলের কারণে ওপারের অস্থিরতার প্রভাব সরাসরি বাংলাদেশের সীমান্ত জনপদগুলোতে পড়ছে, যা আফনানের মতো নিরপরাধ শিশুর প্রাণ কেড়ে নেওয়ার মতো ভয়াবহ পরিস্থিতির সৃষ্টি করছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
মিয়ানমার সীমান্ত থেকে ছোড়া গুলিতে গুরুতর আহত টেকনাফের শিশু হুজাইফা সুলতানা আফনান মারা গেছে। আজ শনিবার সকাল ৯টা ৫০ মিনিটে রাজধানীর জাতীয় ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্স ও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। শিশুটির মামা মাহফুজুর রহমান এই করুণ সংবাদটি নিশ্চিত করেছেন।
গত ১১ জানুয়ারি সকালে বাংলাদেশ সীমান্তসংলগ্ন মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্য থেকে ছোড়া একটি গুলি এসে শিশুটির গায়ে লাগলে সে মারাত্মকভাবে জখম হয়। প্রথমে তাকে স্থানীয়ভাবে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হলেও অবস্থার অবনতি ঘটায় দ্রুত চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকায় স্থানান্তর করা হয়েছিল, যেখানে দীর্ঘ লড়াইয়ের পর আজ সে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করে।
বর্তমানে মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে নিরাপত্তা পরিস্থিতির চরম অবনতি হয়েছে। বিশেষ করে মংডু টাউনশিপ ও এর আশপাশের এলাকায় জান্তা বাহিনী এবং সশস্ত্র গোষ্ঠী আরাকান আর্মির মধ্যে তীব্র সংঘর্ষ চলছে। জান্তা বাহিনীর অব্যাহত বিমান হামলা, ড্রোন হামলা ও মর্টার শেলের কারণে ওপারের অস্থিরতার প্রভাব সরাসরি বাংলাদেশের সীমান্ত জনপদগুলোতে পড়ছে, যা আফনানের মতো নিরপরাধ শিশুর প্রাণ কেড়ে নেওয়ার মতো ভয়াবহ পরিস্থিতির সৃষ্টি করছে।

আপনার মতামত লিখুন