বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো কারাবন্দিরা জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও সংস্কার বিষয়ক গণভোটে ভোট দেওয়ার সুযোগ পেয়েছেন। গত মঙ্গলবার থেকে শুরু হওয়া এই বিশেষ প্রক্রিয়ায় ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারসহ দেশের বিভিন্ন জেলখানায় বন্দিরা পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করছেন। ৫ হাজার ৯৯০ জন নিবন্ধিত বন্দির মধ্যে শুক্রবার পর্যন্ত ৪ হাজার ৬৭ জন তাদের ভোট সম্পন্ন করেছেন। আজ শনিবার এই ভোটগ্রহণের শেষ দিন নির্ধারিত হয়েছে এবং অবশিষ্ট ১ হাজার ৯২৩ জন বন্দি আজ ভোট দিতে পারবেন।
এই ঐতিহাসিক ভোট প্রক্রিয়ায় অংশ নিয়েছেন কারাগারে থাকা দেশের বেশ কয়েকজন হাইপ্রোফাইল বন্দি। সাবেক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান, সাবেক মন্ত্রী আনিসুল হক, রাশেদ খান মেনন, হাসানুল হক ইনু এবং জুনাইদ আহমেদ পলকসহ প্রায় অর্ধশত ভিআইপি বন্দি ভোটার হিসেবে নিবন্ধন করেছিলেন। এদের মধ্যে অনেক সাবেক মন্ত্রী, সংসদ সদস্য, সচিব এবং উচ্চপদস্থ পুলিশ কর্মকর্তা রয়েছেন যারা ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দি অবস্থায় তাদের পছন্দের প্রার্থীদের ভোট দিয়েছেন।
কারা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে যে, প্রত্যেক ভোটার বন্দিকে তিনটি খামসহ একটি প্যাকেট দেওয়া হচ্ছে যাতে সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের আলাদা ব্যালট পেপার থাকছে। বন্দিরা গোপনে তাদের ভোট দিয়ে খামগুলো আঠা দিয়ে বন্ধ করে কারারক্ষীদের কাছে জমা দিচ্ছেন। এরপর ডাক বিভাগের বিশেষ ব্যবস্থায় এই ব্যালটগুলো সরাসরি নির্বাচন কমিশনে পাঠানো হচ্ছে। সাধারণ নির্বাচনের দিন এই পোস্টাল ব্যালটগুলো সংশ্লিষ্ট আসনের ভোটের সঙ্গে যোগ করে চূড়ান্ত ফলাফল ঘোষণা করা হবে। মূলত অনলাইনে বিশেষ অ্যাপের মাধ্যমে ভোটার নিবন্ধন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার পর এই সুযোগ দেওয়া হয়েছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো কারাবন্দিরা জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও সংস্কার বিষয়ক গণভোটে ভোট দেওয়ার সুযোগ পেয়েছেন। গত মঙ্গলবার থেকে শুরু হওয়া এই বিশেষ প্রক্রিয়ায় ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারসহ দেশের বিভিন্ন জেলখানায় বন্দিরা পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করছেন। ৫ হাজার ৯৯০ জন নিবন্ধিত বন্দির মধ্যে শুক্রবার পর্যন্ত ৪ হাজার ৬৭ জন তাদের ভোট সম্পন্ন করেছেন। আজ শনিবার এই ভোটগ্রহণের শেষ দিন নির্ধারিত হয়েছে এবং অবশিষ্ট ১ হাজার ৯২৩ জন বন্দি আজ ভোট দিতে পারবেন।
এই ঐতিহাসিক ভোট প্রক্রিয়ায় অংশ নিয়েছেন কারাগারে থাকা দেশের বেশ কয়েকজন হাইপ্রোফাইল বন্দি। সাবেক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান, সাবেক মন্ত্রী আনিসুল হক, রাশেদ খান মেনন, হাসানুল হক ইনু এবং জুনাইদ আহমেদ পলকসহ প্রায় অর্ধশত ভিআইপি বন্দি ভোটার হিসেবে নিবন্ধন করেছিলেন। এদের মধ্যে অনেক সাবেক মন্ত্রী, সংসদ সদস্য, সচিব এবং উচ্চপদস্থ পুলিশ কর্মকর্তা রয়েছেন যারা ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দি অবস্থায় তাদের পছন্দের প্রার্থীদের ভোট দিয়েছেন।
কারা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে যে, প্রত্যেক ভোটার বন্দিকে তিনটি খামসহ একটি প্যাকেট দেওয়া হচ্ছে যাতে সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের আলাদা ব্যালট পেপার থাকছে। বন্দিরা গোপনে তাদের ভোট দিয়ে খামগুলো আঠা দিয়ে বন্ধ করে কারারক্ষীদের কাছে জমা দিচ্ছেন। এরপর ডাক বিভাগের বিশেষ ব্যবস্থায় এই ব্যালটগুলো সরাসরি নির্বাচন কমিশনে পাঠানো হচ্ছে। সাধারণ নির্বাচনের দিন এই পোস্টাল ব্যালটগুলো সংশ্লিষ্ট আসনের ভোটের সঙ্গে যোগ করে চূড়ান্ত ফলাফল ঘোষণা করা হবে। মূলত অনলাইনে বিশেষ অ্যাপের মাধ্যমে ভোটার নিবন্ধন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার পর এই সুযোগ দেওয়া হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন