ঢাকা    শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

জাপানের সঙ্গে ঐতিহাসিক বাণিজ্য চুক্তি: ৭ হাজারেরও বেশি পণ্য হবে শুল্কমুক্ত


 নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

জাপানের সঙ্গে ঐতিহাসিক বাণিজ্য চুক্তি: ৭ হাজারেরও বেশি পণ্য হবে শুল্কমুক্ত


বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ইতিহাসে এক নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হয়েছে বিশ্বের চতুর্থ বৃহত্তম অর্থনীতি জাপানের সঙ্গে প্রথম ‘অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব চুক্তি’ (ইপিএ) স্বাক্ষরের মাধ্যমে। শুক্রবার ৬ ফেব্রুয়ারি জাপানের রাজধানী টোকিওতে এই ঐতিহাসিক চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়। অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশির উদ্দিন ও বাণিজ্য সচিব মাহবুবুর রহমান। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে বাংলাদেশের উত্তরণের পথে এই চুক্তিটি একটি মাইলফলক হিসেবে কাজ করবে।

এই চুক্তির সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো জাপানের বাজারে বাংলাদেশের পোশাকসহ ৭ হাজার ৩৭৯টি পণ্য এখন থেকে কোনো শুল্ক ছাড়াই সরাসরি প্রবেশের সুযোগ পাবে। বিনিময়ে বাংলাদেশও ১ হাজার ৩৯টি জাপানি পণ্যে শুল্কমুক্ত সুবিধা প্রদান করবে। কোনো জটিল শর্তারোপ ছাড়াই চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হওয়ায় বাংলাদেশের ব্যবসায়ীদের জন্য জাপানের বিশাল বাজার ধরা আরও সহজ হবে বলে জানিয়েছে তথ্য অধিদপ্তর। এটি বাংলাদেশের রপ্তানি আয় বৃদ্ধিতে এবং বিশ্ববাজারে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে বড় শক্তি হিসেবে কাজ করবে।

বাণিজ্যিক পণ্যের পাশাপাশি পেশাদার খাতের উন্নয়নেও এই চুক্তি বিশেষ ভূমিকা রাখবে। এর মাধ্যমে জাপানে বাংলাদেশি পেশাদারদের কাজ করার জন্য ১২০টি উপ-খাত উন্মুক্ত করা হয়েছে, যা দক্ষ জনশক্তি রপ্তানিতে নতুন সম্ভাবনা তৈরি করবে। একইভাবে বাংলাদেশও জাপানি সংস্থাগুলোর বিনিয়োগ ও কাজের জন্য ৯৭টি উপ-খাত খুলে দিয়েছে। এই দ্বিপাক্ষিক সমঝোতার ফলে দেশে জাপানি বিনিয়োগ যেমন বাড়বে, তেমনি কারিগরি ও প্রযুক্তিগত উন্নয়নের ক্ষেত্রেও বাংলাদেশ লাভবান হবে।

আপনার মতামত লিখুন

দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬


জাপানের সঙ্গে ঐতিহাসিক বাণিজ্য চুক্তি: ৭ হাজারেরও বেশি পণ্য হবে শুল্কমুক্ত

প্রকাশের তারিখ : ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

featured Image


বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ইতিহাসে এক নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হয়েছে বিশ্বের চতুর্থ বৃহত্তম অর্থনীতি জাপানের সঙ্গে প্রথম ‘অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব চুক্তি’ (ইপিএ) স্বাক্ষরের মাধ্যমে। শুক্রবার ৬ ফেব্রুয়ারি জাপানের রাজধানী টোকিওতে এই ঐতিহাসিক চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়। অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশির উদ্দিন ও বাণিজ্য সচিব মাহবুবুর রহমান। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে বাংলাদেশের উত্তরণের পথে এই চুক্তিটি একটি মাইলফলক হিসেবে কাজ করবে।

এই চুক্তির সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো জাপানের বাজারে বাংলাদেশের পোশাকসহ ৭ হাজার ৩৭৯টি পণ্য এখন থেকে কোনো শুল্ক ছাড়াই সরাসরি প্রবেশের সুযোগ পাবে। বিনিময়ে বাংলাদেশও ১ হাজার ৩৯টি জাপানি পণ্যে শুল্কমুক্ত সুবিধা প্রদান করবে। কোনো জটিল শর্তারোপ ছাড়াই চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হওয়ায় বাংলাদেশের ব্যবসায়ীদের জন্য জাপানের বিশাল বাজার ধরা আরও সহজ হবে বলে জানিয়েছে তথ্য অধিদপ্তর। এটি বাংলাদেশের রপ্তানি আয় বৃদ্ধিতে এবং বিশ্ববাজারে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে বড় শক্তি হিসেবে কাজ করবে।

বাণিজ্যিক পণ্যের পাশাপাশি পেশাদার খাতের উন্নয়নেও এই চুক্তি বিশেষ ভূমিকা রাখবে। এর মাধ্যমে জাপানে বাংলাদেশি পেশাদারদের কাজ করার জন্য ১২০টি উপ-খাত উন্মুক্ত করা হয়েছে, যা দক্ষ জনশক্তি রপ্তানিতে নতুন সম্ভাবনা তৈরি করবে। একইভাবে বাংলাদেশও জাপানি সংস্থাগুলোর বিনিয়োগ ও কাজের জন্য ৯৭টি উপ-খাত খুলে দিয়েছে। এই দ্বিপাক্ষিক সমঝোতার ফলে দেশে জাপানি বিনিয়োগ যেমন বাড়বে, তেমনি কারিগরি ও প্রযুক্তিগত উন্নয়নের ক্ষেত্রেও বাংলাদেশ লাভবান হবে।


দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ ফয়সাল আলম , মোবাইল- ০১৯১৬৫৫৭০১৭
  প্রধান সম্পাদক: মো: আতাউর রহমান, মোবাইল: ০২৪১০৯১৭৩০

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ