ঢাকা    শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

শবে বরাত: ভাগ্য নির্ধারণ নাকি ক্ষমার রাত?


নিজস্ব প্রতিবেদন
নিজস্ব প্রতিবেদন
প্রকাশ : ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

শবে বরাত: ভাগ্য নির্ধারণ নাকি ক্ষমার রাত?

শবে বরাত মুসলিম উম্মাহর জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি রাত। আজ রাতেই এটি পালিত হচ্ছে, যা শাবান মাসের ১৪ তারিখের রাত। দেশের বিভিন্ন মসজিদে বিশেষ দোয়া, কোরআন তিলাওয়াত এবং নফল ইবাদত অনুষ্ঠিত হচ্ছে। আগামী ৪ ফেব্রুয়ারি সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে।

উপমহাদেশে প্রচলিত ধারণা অনুযায়ী শবে বরাত হলো ‘ভাগ্য নির্ধারণের রাত’। অনেকেই বিশ্বাস করেন যে এই রাতে আল্লাহ মানুষের পরবর্তী বছরের রিজিক, জন্ম-মৃত্যু ও ভাগ্য নির্ধারণ করেন। তাই লোকজন এই রাতে বিশেষ দোয়া ও ইবাদত করে, যাতে ভবিষ্যৎ সুপ্রসন্ন হয়। তবে ইসলামের মূল উৎস কোরআন ও সহিহ হাদিসে শবে বরাতকে সরাসরি ভাগ্য নির্ধারণের রাত হিসেবে উল্লেখ করা নেই। এটি মূলত লোকাচার ও সাংস্কৃতিক বিশ্বাসের অংশ।

অন্যদিকে, ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকে শবে বরাতকে ক্ষমা ও রহমতের রাত হিসেবে গুরুত্ব দেওয়া হয়। ধর্মীয় বিশ্লেষকরা বলেন, এই রাতে আল্লাহর দয়া ও রহমতের দরজা খোলা থাকে। মুসলিমরা এই সুযোগে গুনাহ থেকে তওবা, দোয়া ও আত্মশুদ্ধির কাজ করে। বিএনপি চেয়ারম্যান তারিক রহমানও বলেছেন, শবে বরাত হলো দয়া ও রহমতের রাত, যা আত্মিক উন্নতির সুযোগ প্রদান করে।

সামাজিকভাবে, দেশের বিভিন্ন স্থানে রাতব্যাপী দোয়া, ওয়াজ এবং কোরআন পাঠের আয়োজন করা হয়। তবে কিছু শহরে আতশবাজি ও লণ্ঠন ফেলার মতো সংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড নিয়ন্ত্রণে রাখা হয়েছে। কলকাতার একটি আদালত নির্দেশ দিয়েছে, রাত ১০টা থেকে ভোর ৬টা পর্যন্ত আতশবাজি বন্ধ থাকবে।

 শবে বরাতকে অনেকেই ভাগ্য নির্ধারণের রাত মনে করেন, তবে ইসলামের মূল দৃষ্টিকোণ অনুযায়ী এটি মূলত ক্ষমা, রহমত ও আত্মশুদ্ধির রাত। এই রাতে দোয়া, ইবাদত ও কোরআন পাঠের মাধ্যমে আল্লাহর নৈকট্য কামনা করা হয়।

আপনার মতামত লিখুন

দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬


শবে বরাত: ভাগ্য নির্ধারণ নাকি ক্ষমার রাত?

প্রকাশের তারিখ : ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

featured Image

শবে বরাত মুসলিম উম্মাহর জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি রাত। আজ রাতেই এটি পালিত হচ্ছে, যা শাবান মাসের ১৪ তারিখের রাত। দেশের বিভিন্ন মসজিদে বিশেষ দোয়া, কোরআন তিলাওয়াত এবং নফল ইবাদত অনুষ্ঠিত হচ্ছে। আগামী ৪ ফেব্রুয়ারি সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে।

উপমহাদেশে প্রচলিত ধারণা অনুযায়ী শবে বরাত হলো ‘ভাগ্য নির্ধারণের রাত’। অনেকেই বিশ্বাস করেন যে এই রাতে আল্লাহ মানুষের পরবর্তী বছরের রিজিক, জন্ম-মৃত্যু ও ভাগ্য নির্ধারণ করেন। তাই লোকজন এই রাতে বিশেষ দোয়া ও ইবাদত করে, যাতে ভবিষ্যৎ সুপ্রসন্ন হয়। তবে ইসলামের মূল উৎস কোরআন ও সহিহ হাদিসে শবে বরাতকে সরাসরি ভাগ্য নির্ধারণের রাত হিসেবে উল্লেখ করা নেই। এটি মূলত লোকাচার ও সাংস্কৃতিক বিশ্বাসের অংশ।

অন্যদিকে, ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকে শবে বরাতকে ক্ষমা ও রহমতের রাত হিসেবে গুরুত্ব দেওয়া হয়। ধর্মীয় বিশ্লেষকরা বলেন, এই রাতে আল্লাহর দয়া ও রহমতের দরজা খোলা থাকে। মুসলিমরা এই সুযোগে গুনাহ থেকে তওবা, দোয়া ও আত্মশুদ্ধির কাজ করে। বিএনপি চেয়ারম্যান তারিক রহমানও বলেছেন, শবে বরাত হলো দয়া ও রহমতের রাত, যা আত্মিক উন্নতির সুযোগ প্রদান করে।

সামাজিকভাবে, দেশের বিভিন্ন স্থানে রাতব্যাপী দোয়া, ওয়াজ এবং কোরআন পাঠের আয়োজন করা হয়। তবে কিছু শহরে আতশবাজি ও লণ্ঠন ফেলার মতো সংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড নিয়ন্ত্রণে রাখা হয়েছে। কলকাতার একটি আদালত নির্দেশ দিয়েছে, রাত ১০টা থেকে ভোর ৬টা পর্যন্ত আতশবাজি বন্ধ থাকবে।

 শবে বরাতকে অনেকেই ভাগ্য নির্ধারণের রাত মনে করেন, তবে ইসলামের মূল দৃষ্টিকোণ অনুযায়ী এটি মূলত ক্ষমা, রহমত ও আত্মশুদ্ধির রাত। এই রাতে দোয়া, ইবাদত ও কোরআন পাঠের মাধ্যমে আল্লাহর নৈকট্য কামনা করা হয়।


দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ ফয়সাল আলম , মোবাইল- ০১৯১৬৫৫৭০১৭
  প্রধান সম্পাদক: মো: আতাউর রহমান, মোবাইল: ০২৪১০৯১৭৩০

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ