দেশের বিশেষ বাহিনী র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব) এর নাম পরিবর্তন করা হচ্ছে। নতুন নাম হবে “স্পেশাল ইন্টারভেনশন ফোর্স (SIF)”। শিগগিরই এই নাম সরকারি গেজেটের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যকর হবে।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী সাংবাদিকদের জানান, বাহিনীর কাঠামো ও কার্যক্রম পুনঃপর্যালোচনার পর নাম পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, শুধু নামই নয়, বাহিনীর ইউনিফর্ম ও পোশাকেও পরিবর্তন আনা হবে, যা নতুন পরিচয় হিসেবে গ্রহণ করা হবে।
র্যাবের ইতিহাসে এটি নতুন কোনো ঘটনা নয়। শুরুতে বাহিনীর নাম ছিল র্যাপিড অ্যাকশন টিম (র্যা‑ট), পরে এটি র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন হিসেবে পরিচিতি পায়। গত বছর থেকেই স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা পরিষদের আইনশৃঙ্খলা কোর কমিটি র্যাবের পুনর্গঠন, নাম ও ইউনিফর্ম পরিবর্তনের প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা করছিল।
বহু আন্তর্জাতিক ও মানবাধিকার সংস্থা র্যাবকে অতীতের কর্মকাণ্ড নিয়ে সমালোচনা করেছে। তবে আজকের ঘোষণায় সরাসরি এই বিষয়টি উল্লেখ করা হয়নি। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, নতুন নাম বাহিনীকে আরও কার্যকর ও সমালোচনা-মুক্ত হিসেবে উপস্থাপন করার উদ্দেশ্য বহন করছে।
সরকারি সূত্র জানিয়েছে, নতুন নামের পাশাপাশি বাহিনীর কার্যক্রম আরও স্বচ্ছ, নিয়ন্ত্রিত এবং মানবিক দিকগুলোতে গুরুত্বারোপ করা হবে। নতুন প্রশিক্ষণ, ইউনিফর্ম ও পরিচালনা কাঠামোও নবায়ন করা হবে। বিশেষভাবে বলা হয়েছে, নতুন বাহিনী অপরাধ দমন, সন্ত্রাস দমন ও বিশেষ অভিযানগুলোতে আরও দক্ষতা প্রদর্শন করবে।
এ বিষয়ে সমাজে মিশ্র প্রতিক্রিয়া লক্ষ্য করা যাচ্ছে। কিছু বিশ্লেষক মনে করছেন, পদক্ষেপটি বাহিনীকে আধুনিক ও আন্তর্জাতিক মান অনুযায়ী কার্যকর করবে, অন্যদিকে কিছু সমালোক শঙ্কা প্রকাশ করেছেন যে শুধুমাত্র নাম পরিবর্তন যথেষ্ট নয়।

বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
দেশের বিশেষ বাহিনী র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব) এর নাম পরিবর্তন করা হচ্ছে। নতুন নাম হবে “স্পেশাল ইন্টারভেনশন ফোর্স (SIF)”। শিগগিরই এই নাম সরকারি গেজেটের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যকর হবে।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী সাংবাদিকদের জানান, বাহিনীর কাঠামো ও কার্যক্রম পুনঃপর্যালোচনার পর নাম পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, শুধু নামই নয়, বাহিনীর ইউনিফর্ম ও পোশাকেও পরিবর্তন আনা হবে, যা নতুন পরিচয় হিসেবে গ্রহণ করা হবে।
র্যাবের ইতিহাসে এটি নতুন কোনো ঘটনা নয়। শুরুতে বাহিনীর নাম ছিল র্যাপিড অ্যাকশন টিম (র্যা‑ট), পরে এটি র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন হিসেবে পরিচিতি পায়। গত বছর থেকেই স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা পরিষদের আইনশৃঙ্খলা কোর কমিটি র্যাবের পুনর্গঠন, নাম ও ইউনিফর্ম পরিবর্তনের প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা করছিল।
বহু আন্তর্জাতিক ও মানবাধিকার সংস্থা র্যাবকে অতীতের কর্মকাণ্ড নিয়ে সমালোচনা করেছে। তবে আজকের ঘোষণায় সরাসরি এই বিষয়টি উল্লেখ করা হয়নি। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, নতুন নাম বাহিনীকে আরও কার্যকর ও সমালোচনা-মুক্ত হিসেবে উপস্থাপন করার উদ্দেশ্য বহন করছে।
সরকারি সূত্র জানিয়েছে, নতুন নামের পাশাপাশি বাহিনীর কার্যক্রম আরও স্বচ্ছ, নিয়ন্ত্রিত এবং মানবিক দিকগুলোতে গুরুত্বারোপ করা হবে। নতুন প্রশিক্ষণ, ইউনিফর্ম ও পরিচালনা কাঠামোও নবায়ন করা হবে। বিশেষভাবে বলা হয়েছে, নতুন বাহিনী অপরাধ দমন, সন্ত্রাস দমন ও বিশেষ অভিযানগুলোতে আরও দক্ষতা প্রদর্শন করবে।
এ বিষয়ে সমাজে মিশ্র প্রতিক্রিয়া লক্ষ্য করা যাচ্ছে। কিছু বিশ্লেষক মনে করছেন, পদক্ষেপটি বাহিনীকে আধুনিক ও আন্তর্জাতিক মান অনুযায়ী কার্যকর করবে, অন্যদিকে কিছু সমালোক শঙ্কা প্রকাশ করেছেন যে শুধুমাত্র নাম পরিবর্তন যথেষ্ট নয়।

আপনার মতামত লিখুন