রাজধানীর মোহাম্মদপুরে পলাতক যুবলীগ নেতার বাড়ি থেকে গ্রেনেড, ককটেল বোমা, গানপাউডার এবং বিপুল পরিমাণ বিস্ফোরক তৈরির উপকরণ উদ্ধার করা হয়েছে। এ সময় তিন নারীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) রাত আনুমানিক দেড়টায় ঢাকা উদ্যান এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে পুলিশ। গ্রেফতারকৃতরা হলেন মুক্তা আক্তার, নাজমা আক্তার এবং কাকলী আক্তার।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সূত্রে জানা গেছে, গ্রেফতারকৃত তিন নারী সবাই পলাতক সন্ত্রাসী ও একাধিক মামলার আসামি মাইনউদ্দিন ইসলাম শুভর স্ত্রী ও বোন। মাইনউদ্দিন ইসলাম শুভর বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় অন্তত ১৫টি মামলা রয়েছে। অভিযানের সময় ২টি লাইট গ্রেনেড, ১১টি ককটেল বোমা, ১২৫ গ্রাম গানপাউডার, বোমা তৈরির ৯ কেজি রাসায়নিক দ্রব্য এবং ৭.৫ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়।
মঙ্গলবার (২ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে সেনাবাহিনীর ৪৬ স্বতন্ত্র পদাতিক ব্রিগেড, শেরে বাংলা ক্যাম্পের একটি দল মোহাম্মদপুর থানার সঙ্গে যৌথ অভিযান চালায়। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রাতে ঢাকা উদ্যান এলাকার ওই বাড়িতে অভিযান চালানো হয়। অভিযান চলাকালে বিপুল পরিমাণ গ্রেনেড ও বিস্ফোরকসহ তিন নারীকে গ্রেফতার করা হয়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটক নারীরা জানিয়েছেন, মাইনউদ্দিন ইসলাম শুভ কুখ্যাত সন্ত্রাসী ফয়সাল করিম দাউদের ঘনিষ্ঠ সহযোগী ছিলেন। ফয়সাল করিম দাউদ আলোচিত ওসমান হাদী হত্যা মামলার মূল আসামি। হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত মোটরসাইকেলটি মাইনউদ্দিন ইসলাম শুভর ছিল বলে তারা স্বীকার করেছেন।
তাদের দাবি অনুযায়ী, গত বছরের ১৩ ডিসেম্বর ফয়সাল করিম দাউদ ও মাইনউদ্দিন ইসলাম শুভ একসাথে ভারতে পালিয়ে যান এবং যাওয়ার আগে উদ্ধারকৃত বিস্ফোরক ও মাদকদ্রব্য তাদের পরিবারের সদস্যদের জিম্মায় রেখে যান। আটক তিন নারী ও উদ্ধারকৃত সামগ্রী মোহাম্মদপুর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ঘটনায় পরবর্তী আইনগত কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
রাজধানীর মোহাম্মদপুরে পলাতক যুবলীগ নেতার বাড়ি থেকে গ্রেনেড, ককটেল বোমা, গানপাউডার এবং বিপুল পরিমাণ বিস্ফোরক তৈরির উপকরণ উদ্ধার করা হয়েছে। এ সময় তিন নারীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) রাত আনুমানিক দেড়টায় ঢাকা উদ্যান এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে পুলিশ। গ্রেফতারকৃতরা হলেন মুক্তা আক্তার, নাজমা আক্তার এবং কাকলী আক্তার।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সূত্রে জানা গেছে, গ্রেফতারকৃত তিন নারী সবাই পলাতক সন্ত্রাসী ও একাধিক মামলার আসামি মাইনউদ্দিন ইসলাম শুভর স্ত্রী ও বোন। মাইনউদ্দিন ইসলাম শুভর বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় অন্তত ১৫টি মামলা রয়েছে। অভিযানের সময় ২টি লাইট গ্রেনেড, ১১টি ককটেল বোমা, ১২৫ গ্রাম গানপাউডার, বোমা তৈরির ৯ কেজি রাসায়নিক দ্রব্য এবং ৭.৫ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়।
মঙ্গলবার (২ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে সেনাবাহিনীর ৪৬ স্বতন্ত্র পদাতিক ব্রিগেড, শেরে বাংলা ক্যাম্পের একটি দল মোহাম্মদপুর থানার সঙ্গে যৌথ অভিযান চালায়। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রাতে ঢাকা উদ্যান এলাকার ওই বাড়িতে অভিযান চালানো হয়। অভিযান চলাকালে বিপুল পরিমাণ গ্রেনেড ও বিস্ফোরকসহ তিন নারীকে গ্রেফতার করা হয়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটক নারীরা জানিয়েছেন, মাইনউদ্দিন ইসলাম শুভ কুখ্যাত সন্ত্রাসী ফয়সাল করিম দাউদের ঘনিষ্ঠ সহযোগী ছিলেন। ফয়সাল করিম দাউদ আলোচিত ওসমান হাদী হত্যা মামলার মূল আসামি। হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত মোটরসাইকেলটি মাইনউদ্দিন ইসলাম শুভর ছিল বলে তারা স্বীকার করেছেন।
তাদের দাবি অনুযায়ী, গত বছরের ১৩ ডিসেম্বর ফয়সাল করিম দাউদ ও মাইনউদ্দিন ইসলাম শুভ একসাথে ভারতে পালিয়ে যান এবং যাওয়ার আগে উদ্ধারকৃত বিস্ফোরক ও মাদকদ্রব্য তাদের পরিবারের সদস্যদের জিম্মায় রেখে যান। আটক তিন নারী ও উদ্ধারকৃত সামগ্রী মোহাম্মদপুর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ঘটনায় পরবর্তী আইনগত কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন