রাজধানীর ওয়ারী ও যাত্রাবাড়ী এলাকায় এক স্কুল শিক্ষার্থীসহ দুইজনের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। পুলিশ ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, তারা উভয়েই ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ দুটি ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠানো হয়েছে।
ওয়ারী এলাকায় উদ্ধার হওয়া মানিকের বয়স ২৬ বছর। তিনি পেশায় একজন চা দোকানের কর্মচারী ছিলেন। চাঁদপুর সদর উপজেলার বাসিন্দা মানিক ওয়ারীর বিসিসি রোডের একটি বাড়িতে থাকতেন। গত শনিবার বিকেলে পুলিশ ওই বাসার ফ্যানের সঙ্গে মাফলার দিয়ে ঝুলন্ত অবস্থায় তার মরদেহ উদ্ধার করে। পুলিশের সুরতহাল প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, পারিবারিক কলহ ও মনোমালিন্যের জেরে তিনি এই চরম পথ বেছে নিয়েছেন বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।
অন্যদিকে, যাত্রাবাড়ীতে দশ বছর বয়সী স্কুল শিক্ষার্থী রনির মৃত্যু হয়েছে। সে ধোলাইপাড় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির ছাত্র ছিল। রনির বাবা নূর আলম জানান, পড়ালেখায় ফাঁকি দেওয়ার কারণে তাকে সামান্য বকাঝকা করা হয়েছিল। এতে অভিমান করে রাতে বাথরুমে ঢুকে সে গামছা দিয়ে গলায় ফাঁস দেয়। দীর্ঘক্ষণ বের না হওয়ায় পরিবারের সদস্যরা দরজা ভেঙে তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
অল্প সময়ের ব্যবধানে এই দুটি মর্মান্তিক ঘটনায় সংশ্লিষ্ট এলাকায় এবং পরিবারগুলোতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। পুলিশ উভয় ঘটনায় আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
রাজধানীর ওয়ারী ও যাত্রাবাড়ী এলাকায় এক স্কুল শিক্ষার্থীসহ দুইজনের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। পুলিশ ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, তারা উভয়েই ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ দুটি ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠানো হয়েছে।
ওয়ারী এলাকায় উদ্ধার হওয়া মানিকের বয়স ২৬ বছর। তিনি পেশায় একজন চা দোকানের কর্মচারী ছিলেন। চাঁদপুর সদর উপজেলার বাসিন্দা মানিক ওয়ারীর বিসিসি রোডের একটি বাড়িতে থাকতেন। গত শনিবার বিকেলে পুলিশ ওই বাসার ফ্যানের সঙ্গে মাফলার দিয়ে ঝুলন্ত অবস্থায় তার মরদেহ উদ্ধার করে। পুলিশের সুরতহাল প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, পারিবারিক কলহ ও মনোমালিন্যের জেরে তিনি এই চরম পথ বেছে নিয়েছেন বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।
অন্যদিকে, যাত্রাবাড়ীতে দশ বছর বয়সী স্কুল শিক্ষার্থী রনির মৃত্যু হয়েছে। সে ধোলাইপাড় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির ছাত্র ছিল। রনির বাবা নূর আলম জানান, পড়ালেখায় ফাঁকি দেওয়ার কারণে তাকে সামান্য বকাঝকা করা হয়েছিল। এতে অভিমান করে রাতে বাথরুমে ঢুকে সে গামছা দিয়ে গলায় ফাঁস দেয়। দীর্ঘক্ষণ বের না হওয়ায় পরিবারের সদস্যরা দরজা ভেঙে তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
অল্প সময়ের ব্যবধানে এই দুটি মর্মান্তিক ঘটনায় সংশ্লিষ্ট এলাকায় এবং পরিবারগুলোতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। পুলিশ উভয় ঘটনায় আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করছে।

আপনার মতামত লিখুন