ডিএনএ বিশ্লেষণ করে বংশগত রোগের ঝুঁকি আগেভাগে শনাক্ত করতে গুগল ডিপমাইন্ড আলফাজিনোম নামে একটি নতুন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই টুল চালু করেছে। এই উদ্ভাবনী প্রযুক্তিটি ডিএনএ কোডের সামান্য পরিবর্তন থেকে কীভাবে জটিল রোগ তৈরি হয়, তা দ্রুত বুঝতে গবেষকদের সহায়তা করবে। একই সঙ্গে এটি নতুন ও কার্যকর চিকিৎসা পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।
আলফাজিনোম টুলটি একবারে ডিএনএ কোডের ১০ লাখ অক্ষর পর্যন্ত বিশ্লেষণ করার ক্ষমতা রাখে। এটি মূলত জিনের নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা নিয়ে কাজ করে অর্থাৎ জিনে কোনো পরিবর্তন বা মিউটেশন হলে কোন জিন কখন সক্রিয় হবে এবং সেটি কতটা শক্তিশালীভাবে কাজ করবে, তার নিখুঁত পূর্বাভাস দিতে পারে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন যে হৃদরোগ, অটোইমিউন রোগ এবং ক্যানসারের মতো অনেক রোগের মূল কারণ প্রোটিন তৈরির জিন নয়, বরং জিনের নিয়ন্ত্রণ অংশের পরিবর্তন। গবেষকদের জন্য আগে যা খুঁজে বের করা কঠিন ছিল, আলফাজিনোম এখন সেই পথ সহজ করে দিয়েছে।
ডিপমাইন্ডের গবেষক নাতাশা লাতিশেভা জানিয়েছেন যে এই টুলের মূল লক্ষ্য হলো মানুষের জিনোম কীভাবে কাজ করে তা স্পষ্টভাবে বোঝা এবং জীবন নিয়ন্ত্রণকারী জৈব কোড নিয়ে গবেষণার গতি বাড়ানো। আলফাজিনোমকে মানুষের ও ইঁদুরের উন্মুক্ত জিনগত তথ্য দিয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে, যার ফলে এটি মস্তিষ্ক বা যকৃতের মতো সুনির্দিষ্ট অঙ্গের ওপর জিনের প্রভাব বিশ্লেষণ করতে পারে। যদিও স্বাধীন বিশেষজ্ঞরা একে একটি বড় অগ্রগতি হিসেবে দেখছেন, তবুও তাদের মতে এআইয়ের এই পূর্বাভাসগুলো শতভাগ নিশ্চিত করতে ল্যাবরেটরি গবেষণার প্রয়োজনীয়তা এখনো ফুরিয়ে যায়নি।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩১ জানুয়ারি ২০২৬
ডিএনএ বিশ্লেষণ করে বংশগত রোগের ঝুঁকি আগেভাগে শনাক্ত করতে গুগল ডিপমাইন্ড আলফাজিনোম নামে একটি নতুন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই টুল চালু করেছে। এই উদ্ভাবনী প্রযুক্তিটি ডিএনএ কোডের সামান্য পরিবর্তন থেকে কীভাবে জটিল রোগ তৈরি হয়, তা দ্রুত বুঝতে গবেষকদের সহায়তা করবে। একই সঙ্গে এটি নতুন ও কার্যকর চিকিৎসা পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।
আলফাজিনোম টুলটি একবারে ডিএনএ কোডের ১০ লাখ অক্ষর পর্যন্ত বিশ্লেষণ করার ক্ষমতা রাখে। এটি মূলত জিনের নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা নিয়ে কাজ করে অর্থাৎ জিনে কোনো পরিবর্তন বা মিউটেশন হলে কোন জিন কখন সক্রিয় হবে এবং সেটি কতটা শক্তিশালীভাবে কাজ করবে, তার নিখুঁত পূর্বাভাস দিতে পারে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন যে হৃদরোগ, অটোইমিউন রোগ এবং ক্যানসারের মতো অনেক রোগের মূল কারণ প্রোটিন তৈরির জিন নয়, বরং জিনের নিয়ন্ত্রণ অংশের পরিবর্তন। গবেষকদের জন্য আগে যা খুঁজে বের করা কঠিন ছিল, আলফাজিনোম এখন সেই পথ সহজ করে দিয়েছে।
ডিপমাইন্ডের গবেষক নাতাশা লাতিশেভা জানিয়েছেন যে এই টুলের মূল লক্ষ্য হলো মানুষের জিনোম কীভাবে কাজ করে তা স্পষ্টভাবে বোঝা এবং জীবন নিয়ন্ত্রণকারী জৈব কোড নিয়ে গবেষণার গতি বাড়ানো। আলফাজিনোমকে মানুষের ও ইঁদুরের উন্মুক্ত জিনগত তথ্য দিয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে, যার ফলে এটি মস্তিষ্ক বা যকৃতের মতো সুনির্দিষ্ট অঙ্গের ওপর জিনের প্রভাব বিশ্লেষণ করতে পারে। যদিও স্বাধীন বিশেষজ্ঞরা একে একটি বড় অগ্রগতি হিসেবে দেখছেন, তবুও তাদের মতে এআইয়ের এই পূর্বাভাসগুলো শতভাগ নিশ্চিত করতে ল্যাবরেটরি গবেষণার প্রয়োজনীয়তা এখনো ফুরিয়ে যায়নি।

আপনার মতামত লিখুন