প্রচণ্ড শৈত্যপ্রবাহে যখন জনজীবন স্থবির, ঠিক তখনই রাজধানীর উত্তরা ও টঙ্গী এলাকায় শীতার্ত মানুষের পাশে দাঁড়াল ‘সোসাইটি অব জাতীয় গণমাধ্যম কমিশন’। গভীর রাতে রাস্তায় নেমে সংগঠনটির উদ্যোগে দুই শতাধিক দুস্থ, অসহায় ও পথশিশুর মাঝে উন্নতমানের কম্বল ও শুকনো খাবার বিতরণ করা হয়।
গত ২৬ জানুয়ারি সোমবার দিবাগত গভীর রাতে এই মানবিক কার্যক্রম পরিচালিত হয়। টঙ্গী রেলস্টেশন থেকে শুরু করে স্টেশন রোড, টঙ্গী বাজার হয়ে রাজধানীর উত্তরা আব্দুল্লাহপুর, হাউজ বিল্ডিং ও আজমপুর এলাকার বিভিন্ন পয়েন্টে ঘুরে ঘুরে প্রকৃত শীতার্তদের হাতে শীতবস্ত্র তুলে দেন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
শীতবস্ত্র বিতরণ কার্যক্রমে উপস্থিত ছিলেন সোসাইটি অব জাতীয় গণমাধ্যম কমিশনের কেন্দ্রীয় সভাপতি এ কে এম আজিজুল হক, সিনিয়র সহ-সভাপতি কালিমুল্লাহ ইকবাল, সাধারণ সম্পাদক মনির হোসেন চৌধুরী, সহ-সভাপতি মো. মহিবউল্লাহ সোহেল, আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক সাহাদাত হোসেন কামাল, সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক এম বিল্লাহ শিশির। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সদস্য রোমান শেখ, হাসান আহমদ, আলামিন, পলাশ মাহমুদসহ অন্যান্য সদস্যরা।
কার্যক্রম চলাকালে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে সভাপতি এ কে এম আজিজুল হক বলেন, গণমাধ্যমকর্মীরা সমাজের দর্পণ। আমরা শুধু সংবাদ পরিবেশন করি না, মানুষের বিপদে পাশে দাঁড়ানোও আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। এই তীব্র শীতে টঙ্গী ও উত্তরা এলাকার ছিন্নমূল মানুষগুলো চরম কষ্টে আছে। তাদের প্রতি সামান্য সহমর্মিতা জানাতেই আমাদের এই ক্ষুদ্র প্রয়াস। ভবিষ্যতেও এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
সিনিয়র সহ-সভাপতি কালিমুল্লাহ ইকবাল বলেন, গভীর রাতে স্টেশন ও ফুটপাতে অবস্থান করা মানুষগুলো পর্যাপ্ত শীতবস্ত্রের অভাবে ঠিকমতো ঘুমাতে পারে না। বিশেষ করে পথশিশুদের অবস্থা অত্যন্ত করুণ। আজ আমরা দুই শতাধিক মানুষের কাছে কম্বল ও খাবার পৌঁছে দিতে পেরেছি। সমাজের বিত্তবানরা এগিয়ে এলে শীতজনিত কষ্ট অনেকটাই কমানো সম্ভব।
হঠাৎ গভীর রাতে কম্বল ও খাবার পেয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন অনেক অসহায় মানুষগুলো। বিশেষ করে টঙ্গী রেলস্টেশন এলাকায় অবস্থানরত ছিন্নমূল জনগোষ্ঠী এই উদ্যোগকে আন্তরিকভাবে স্বাগত জানান। সোসাইটি অব জাতীয় গণমাধ্যম কমিশনের এই মানবিক উদ্যোগ এলাকায় ব্যাপক প্রশংসা পেয়েছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ জানুয়ারি ২০২৬
প্রচণ্ড শৈত্যপ্রবাহে যখন জনজীবন স্থবির, ঠিক তখনই রাজধানীর উত্তরা ও টঙ্গী এলাকায় শীতার্ত মানুষের পাশে দাঁড়াল ‘সোসাইটি অব জাতীয় গণমাধ্যম কমিশন’। গভীর রাতে রাস্তায় নেমে সংগঠনটির উদ্যোগে দুই শতাধিক দুস্থ, অসহায় ও পথশিশুর মাঝে উন্নতমানের কম্বল ও শুকনো খাবার বিতরণ করা হয়।
গত ২৬ জানুয়ারি সোমবার দিবাগত গভীর রাতে এই মানবিক কার্যক্রম পরিচালিত হয়। টঙ্গী রেলস্টেশন থেকে শুরু করে স্টেশন রোড, টঙ্গী বাজার হয়ে রাজধানীর উত্তরা আব্দুল্লাহপুর, হাউজ বিল্ডিং ও আজমপুর এলাকার বিভিন্ন পয়েন্টে ঘুরে ঘুরে প্রকৃত শীতার্তদের হাতে শীতবস্ত্র তুলে দেন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
শীতবস্ত্র বিতরণ কার্যক্রমে উপস্থিত ছিলেন সোসাইটি অব জাতীয় গণমাধ্যম কমিশনের কেন্দ্রীয় সভাপতি এ কে এম আজিজুল হক, সিনিয়র সহ-সভাপতি কালিমুল্লাহ ইকবাল, সাধারণ সম্পাদক মনির হোসেন চৌধুরী, সহ-সভাপতি মো. মহিবউল্লাহ সোহেল, আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক সাহাদাত হোসেন কামাল, সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক এম বিল্লাহ শিশির। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সদস্য রোমান শেখ, হাসান আহমদ, আলামিন, পলাশ মাহমুদসহ অন্যান্য সদস্যরা।
কার্যক্রম চলাকালে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে সভাপতি এ কে এম আজিজুল হক বলেন, গণমাধ্যমকর্মীরা সমাজের দর্পণ। আমরা শুধু সংবাদ পরিবেশন করি না, মানুষের বিপদে পাশে দাঁড়ানোও আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। এই তীব্র শীতে টঙ্গী ও উত্তরা এলাকার ছিন্নমূল মানুষগুলো চরম কষ্টে আছে। তাদের প্রতি সামান্য সহমর্মিতা জানাতেই আমাদের এই ক্ষুদ্র প্রয়াস। ভবিষ্যতেও এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
সিনিয়র সহ-সভাপতি কালিমুল্লাহ ইকবাল বলেন, গভীর রাতে স্টেশন ও ফুটপাতে অবস্থান করা মানুষগুলো পর্যাপ্ত শীতবস্ত্রের অভাবে ঠিকমতো ঘুমাতে পারে না। বিশেষ করে পথশিশুদের অবস্থা অত্যন্ত করুণ। আজ আমরা দুই শতাধিক মানুষের কাছে কম্বল ও খাবার পৌঁছে দিতে পেরেছি। সমাজের বিত্তবানরা এগিয়ে এলে শীতজনিত কষ্ট অনেকটাই কমানো সম্ভব।
হঠাৎ গভীর রাতে কম্বল ও খাবার পেয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন অনেক অসহায় মানুষগুলো। বিশেষ করে টঙ্গী রেলস্টেশন এলাকায় অবস্থানরত ছিন্নমূল জনগোষ্ঠী এই উদ্যোগকে আন্তরিকভাবে স্বাগত জানান। সোসাইটি অব জাতীয় গণমাধ্যম কমিশনের এই মানবিক উদ্যোগ এলাকায় ব্যাপক প্রশংসা পেয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন