গাজীপুরের কাপাসিয়া উপজেলায় সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে পরিচালিত এক যৌথ অভিযানে একটি বিদেশি পিস্তল, গোলাবারুদ এবং বিপুল পরিমাণ পেট্রোল বোমা উদ্ধার করা হয়েছে। মঙ্গলবার মধ্যরাতে উপজেলার গোয়ালের টেক এলাকায় এই অভিযান পরিচালিত হয়।
সেনাবাহিনী সূত্রে জানা গেছে, সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে যৌথ বাহিনীর একটি বিশেষ দল গোয়ালের টেক এলাকায় অভিযান চালায়। অভিযানের সময় ওই এলাকা থেকে একটি বিদেশি পিস্তল, দুটি ম্যাগাজিন, দুটি রাউন্ড তাজা গুলি এবং নাশকতা সৃষ্টির উদ্দেশ্যে মজুদ রাখা বেশ কয়েকটি পেট্রোল বোমা উদ্ধার করা হয়।
অভিযান সংশ্লিষ্ট এক কর্মকর্তা জানান, মধ্যরাতে পরিচালিত অভিযানে অবৈধ অস্ত্র ও বিস্ফোরক উদ্ধার করা সম্ভব হলেও ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিরা উপস্থিতি টের পেয়ে কৌশলে পালিয়ে যায়। তবে উদ্ধারকৃত অস্ত্রের উৎস এবং এর সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিত করতে গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হয়েছে।
যৌথ বাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এ ধরনের অভিযান নিয়মিতভাবে পরিচালনা করা হবে। একই সঙ্গে যেকোনো সন্দেহজনক তথ্য নিকটস্থ সেনাক্যাম্প বা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে জানানোর জন্য সাধারণ জনগণের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।
উদ্ধারকৃত অস্ত্র, গোলাবারুদ ও পেট্রোল বোমা পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ জানুয়ারি ২০২৬
গাজীপুরের কাপাসিয়া উপজেলায় সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে পরিচালিত এক যৌথ অভিযানে একটি বিদেশি পিস্তল, গোলাবারুদ এবং বিপুল পরিমাণ পেট্রোল বোমা উদ্ধার করা হয়েছে। মঙ্গলবার মধ্যরাতে উপজেলার গোয়ালের টেক এলাকায় এই অভিযান পরিচালিত হয়।
সেনাবাহিনী সূত্রে জানা গেছে, সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে যৌথ বাহিনীর একটি বিশেষ দল গোয়ালের টেক এলাকায় অভিযান চালায়। অভিযানের সময় ওই এলাকা থেকে একটি বিদেশি পিস্তল, দুটি ম্যাগাজিন, দুটি রাউন্ড তাজা গুলি এবং নাশকতা সৃষ্টির উদ্দেশ্যে মজুদ রাখা বেশ কয়েকটি পেট্রোল বোমা উদ্ধার করা হয়।
অভিযান সংশ্লিষ্ট এক কর্মকর্তা জানান, মধ্যরাতে পরিচালিত অভিযানে অবৈধ অস্ত্র ও বিস্ফোরক উদ্ধার করা সম্ভব হলেও ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিরা উপস্থিতি টের পেয়ে কৌশলে পালিয়ে যায়। তবে উদ্ধারকৃত অস্ত্রের উৎস এবং এর সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিত করতে গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হয়েছে।
যৌথ বাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এ ধরনের অভিযান নিয়মিতভাবে পরিচালনা করা হবে। একই সঙ্গে যেকোনো সন্দেহজনক তথ্য নিকটস্থ সেনাক্যাম্প বা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে জানানোর জন্য সাধারণ জনগণের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।
উদ্ধারকৃত অস্ত্র, গোলাবারুদ ও পেট্রোল বোমা পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন