ঢাকা    শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

নারী চিকিৎসকদের ওয়াশরুমে গোপন ক্যামেরা, যুবক আটক


বিশেষ প্রতিনিধি :
বিশেষ প্রতিনিধি :
প্রকাশ : ২৬ জানুয়ারি ২০২৬

নারী চিকিৎসকদের ওয়াশরুমে গোপন ক্যামেরা, যুবক আটক
অভিযুক্ত ইন্টার্ন চিকিৎসককে আটক।

টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নারী ইন্টার্ন চিকিৎসকদের ওয়াশরুমে গোপন ক্যামেরা লাগানোর অভিযোগে রায়হান কবির ইমন নামে এক ইন্টার্ন চিকিৎসককে আটক করা হয়েছে। সোমবার (২৬ জানুয়ারি) বিকেলে তাকে পুলিশে সোপর্দ করা হয়।

এর আগে হাসপাতালের পরিচালক ও অন্যান্য ইন্টার্ন চিকিৎসকরা ইমনকে হাসপাতালের ভেতরে অবরুদ্ধ করে রাখেন। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ম্যাজিস্ট্রেট, পুলিশ, ডিবি পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত হন।

ইন্টার্ন চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, রোববার সন্ধ্যায় টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সার্জারি বিভাগের ৯০৭ নম্বর ওয়াশরুমে এক নারী চিকিৎসক স্পাই কলম ক্যামেরা দেখতে পান। তিনি কলমটি সঙ্গে নিয়ে বের হলে ইমন তা ফিরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেন এবং ওই নারী চিকিৎসককে একটি কক্ষে আটকে রাখার চেষ্টা করেন। এক পর্যায়ে তিনি কলম ক্যামেরাটি ভেঙে ফেলে। জানা গেছে, ইমনের বিরুদ্ধে বিগত পাঁচ বছর ধরে অন্যান্য ইন্টার্ন নারী চিকিৎসকদের সঙ্গে অশালীন আচরণের অভিযোগ রয়েছে।

রোববার রাতেই ওই নারী চিকিৎসক যৌন হয়রানির অভিযোগ দিয়ে হাসপাতালের পরিচালক বরাবর লিখিত আবেদন করেন। এরপর সোমবার সার্জারি বিভাগের অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ আবু হানিফকে সভাপতি করে পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়।

সোমবার দুপুরে হাসপাতালের কক্ষে বিষয়টি জানতে গেলে ইমনসহ পরিচালককে অন্য চিকিৎসকরা তাদের কক্ষে অবরুদ্ধ করেন। পুলিশের কাছে সোপর্দের আগে ইমনকে গণপিটুনি দেওয়া হয়।

টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক মো. আব্দুল কুদ্দুছ জানিয়েছেন, তিন কর্মদিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার কথা রয়েছে। প্রাথমিকভাবে ইমনকে বহিষ্কার করা হয়েছে এবং তার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করা হয়েছে। টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এইচ এম মাহবুব রেজওয়ান সিদ্দিকী জানান, অভিযুক্ত ইমনকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে এবং আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

আপনার মতামত লিখুন

দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬


নারী চিকিৎসকদের ওয়াশরুমে গোপন ক্যামেরা, যুবক আটক

প্রকাশের তারিখ : ২৬ জানুয়ারি ২০২৬

featured Image

টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নারী ইন্টার্ন চিকিৎসকদের ওয়াশরুমে গোপন ক্যামেরা লাগানোর অভিযোগে রায়হান কবির ইমন নামে এক ইন্টার্ন চিকিৎসককে আটক করা হয়েছে। সোমবার (২৬ জানুয়ারি) বিকেলে তাকে পুলিশে সোপর্দ করা হয়।


এর আগে হাসপাতালের পরিচালক ও অন্যান্য ইন্টার্ন চিকিৎসকরা ইমনকে হাসপাতালের ভেতরে অবরুদ্ধ করে রাখেন। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ম্যাজিস্ট্রেট, পুলিশ, ডিবি পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত হন।


ইন্টার্ন চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, রোববার সন্ধ্যায় টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সার্জারি বিভাগের ৯০৭ নম্বর ওয়াশরুমে এক নারী চিকিৎসক স্পাই কলম ক্যামেরা দেখতে পান। তিনি কলমটি সঙ্গে নিয়ে বের হলে ইমন তা ফিরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেন এবং ওই নারী চিকিৎসককে একটি কক্ষে আটকে রাখার চেষ্টা করেন। এক পর্যায়ে তিনি কলম ক্যামেরাটি ভেঙে ফেলে। জানা গেছে, ইমনের বিরুদ্ধে বিগত পাঁচ বছর ধরে অন্যান্য ইন্টার্ন নারী চিকিৎসকদের সঙ্গে অশালীন আচরণের অভিযোগ রয়েছে।


রোববার রাতেই ওই নারী চিকিৎসক যৌন হয়রানির অভিযোগ দিয়ে হাসপাতালের পরিচালক বরাবর লিখিত আবেদন করেন। এরপর সোমবার সার্জারি বিভাগের অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ আবু হানিফকে সভাপতি করে পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়।


সোমবার দুপুরে হাসপাতালের কক্ষে বিষয়টি জানতে গেলে ইমনসহ পরিচালককে অন্য চিকিৎসকরা তাদের কক্ষে অবরুদ্ধ করেন। পুলিশের কাছে সোপর্দের আগে ইমনকে গণপিটুনি দেওয়া হয়।


টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক মো. আব্দুল কুদ্দুছ জানিয়েছেন, তিন কর্মদিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার কথা রয়েছে। প্রাথমিকভাবে ইমনকে বহিষ্কার করা হয়েছে এবং তার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করা হয়েছে। টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এইচ এম মাহবুব রেজওয়ান সিদ্দিকী জানান, অভিযুক্ত ইমনকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে এবং আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।


দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ ফয়সাল আলম , মোবাইল- ০১৯১৬৫৫৭০১৭
  প্রধান সম্পাদক: মো: আতাউর রহমান, মোবাইল: ০২৪১০৯১৭৩০

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ