ঢাকা    শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

প্রবাসী অনুদানে নির্বাচনি বৈতরণী পার হতে চান সিলেট-৬ আসনের প্রার্থীরা


নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২৬ জানুয়ারি ২০২৬

প্রবাসী অনুদানে নির্বাচনি বৈতরণী পার হতে চান সিলেট-৬ আসনের প্রার্থীরা


সিলেট-৬ (বিয়ানীবাজার-গোলাপগঞ্জ) আসনে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীরা তুলনামূলক কম বাজেটে নির্বাচনি প্রচারণার পরিকল্পনা করছেন। বিশেষ বিষয় হলো, এই আসনের অধিকাংশ প্রার্থীই তাদের নির্বাচনি ব্যয়ের বড় একটি অংশ প্রবাসে থাকা স্বজন ও শুভানুধ্যায়ীদের অনুদান থেকে মেটানোর তথ্য হলফনামায় উল্লেখ করেছেন।

হলফনামা বিশ্লেষণে দেখা যায়, এই আসনে বিএনপির প্রার্থী এমরান আহমদ চৌধুরী নির্বাচনি লড়াইয়ে সম্ভাব্য ৬৫ লাখ টাকা ব্যয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছেন। এর মধ্যে তার নিজস্ব আয় থেকে খরচ করবেন মাত্র ১৫ লাখ টাকা। বাকি অর্থের সিংহভাগ অর্থাৎ ৩৫ লাখ টাকা দেবেন ফ্রান্সপ্রবাসী এক শুভানুধ্যায়ী। এছাড়া অবশিষ্ট ১৫ লাখ টাকা দেবেন তার ফ্রান্স ও যুক্তরাজ্যপ্রবাসী দুই চাচাতো ভাই এবং দেশে থাকা এক খালাতো বোন।

প্রবাসী অধ্যুষিত এই জনপদে নির্বাচনি ব্যয়ের এই চিত্রকে স্বাভাবিক বলে মনে করছেন স্থানীয় বিশ্লেষকরা। সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) বিয়ানীবাজারের সভাপতি অ্যাডভোকেট মো. আমান উদ্দিন জানান, বিয়ানীবাজার-গোলাপগঞ্জ অঞ্চলে জাতীয় বা স্থানীয়—সব নির্বাচনেই প্রবাসীদের প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ প্রভাব থাকে। অনেক প্রবাসী যেমন সরাসরি নির্বাচনে অংশ নেন, তেমনি দেশে থাকা প্রার্থীদের আর্থিক সংস্থানও প্রবাসীদের মাধ্যমেই হয়ে থাকে। এবারের নির্বাচনেও সেই ঐতিহ্যের প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে।

সিলেট-৬ আসনের অন্যান্য প্রার্থীদের মধ্যে জাতীয় পার্টির মোহাম্মদ আবদুন নূর ২৫ লাখ টাকা ব্যয়ের পরিকল্পনা করেছেন, যার মধ্যে ২২ লাখ টাকাই তিনি পাচ্ছেন প্রবাসী আত্মীয়-স্বজনের অনুদান হিসেবে। স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. ফখরুল ইসলাম তার নির্ধারিত ২৪ লাখ টাকার মধ্যে ২০ লাখ টাকাই পাচ্ছেন তার ভাইয়ের পাঠানো প্রবাসী আয় থেকে।

অন্যান্য প্রতিদ্বন্দ্বীদের মধ্যে জামায়াতে ইসলামীর মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন ২৪ লাখ ১৩ হাজার টাকা এবং গণঅধিকার পরিষদের জাহিদুর রহমান ২৫ লাখ টাকা নির্বাচনি ব্যয়ের হিসাব দেখিয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন

দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬


প্রবাসী অনুদানে নির্বাচনি বৈতরণী পার হতে চান সিলেট-৬ আসনের প্রার্থীরা

প্রকাশের তারিখ : ২৬ জানুয়ারি ২০২৬

featured Image


সিলেট-৬ (বিয়ানীবাজার-গোলাপগঞ্জ) আসনে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীরা তুলনামূলক কম বাজেটে নির্বাচনি প্রচারণার পরিকল্পনা করছেন। বিশেষ বিষয় হলো, এই আসনের অধিকাংশ প্রার্থীই তাদের নির্বাচনি ব্যয়ের বড় একটি অংশ প্রবাসে থাকা স্বজন ও শুভানুধ্যায়ীদের অনুদান থেকে মেটানোর তথ্য হলফনামায় উল্লেখ করেছেন।

হলফনামা বিশ্লেষণে দেখা যায়, এই আসনে বিএনপির প্রার্থী এমরান আহমদ চৌধুরী নির্বাচনি লড়াইয়ে সম্ভাব্য ৬৫ লাখ টাকা ব্যয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছেন। এর মধ্যে তার নিজস্ব আয় থেকে খরচ করবেন মাত্র ১৫ লাখ টাকা। বাকি অর্থের সিংহভাগ অর্থাৎ ৩৫ লাখ টাকা দেবেন ফ্রান্সপ্রবাসী এক শুভানুধ্যায়ী। এছাড়া অবশিষ্ট ১৫ লাখ টাকা দেবেন তার ফ্রান্স ও যুক্তরাজ্যপ্রবাসী দুই চাচাতো ভাই এবং দেশে থাকা এক খালাতো বোন।

প্রবাসী অধ্যুষিত এই জনপদে নির্বাচনি ব্যয়ের এই চিত্রকে স্বাভাবিক বলে মনে করছেন স্থানীয় বিশ্লেষকরা। সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) বিয়ানীবাজারের সভাপতি অ্যাডভোকেট মো. আমান উদ্দিন জানান, বিয়ানীবাজার-গোলাপগঞ্জ অঞ্চলে জাতীয় বা স্থানীয়—সব নির্বাচনেই প্রবাসীদের প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ প্রভাব থাকে। অনেক প্রবাসী যেমন সরাসরি নির্বাচনে অংশ নেন, তেমনি দেশে থাকা প্রার্থীদের আর্থিক সংস্থানও প্রবাসীদের মাধ্যমেই হয়ে থাকে। এবারের নির্বাচনেও সেই ঐতিহ্যের প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে।

সিলেট-৬ আসনের অন্যান্য প্রার্থীদের মধ্যে জাতীয় পার্টির মোহাম্মদ আবদুন নূর ২৫ লাখ টাকা ব্যয়ের পরিকল্পনা করেছেন, যার মধ্যে ২২ লাখ টাকাই তিনি পাচ্ছেন প্রবাসী আত্মীয়-স্বজনের অনুদান হিসেবে। স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. ফখরুল ইসলাম তার নির্ধারিত ২৪ লাখ টাকার মধ্যে ২০ লাখ টাকাই পাচ্ছেন তার ভাইয়ের পাঠানো প্রবাসী আয় থেকে।

অন্যান্য প্রতিদ্বন্দ্বীদের মধ্যে জামায়াতে ইসলামীর মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন ২৪ লাখ ১৩ হাজার টাকা এবং গণঅধিকার পরিষদের জাহিদুর রহমান ২৫ লাখ টাকা নির্বাচনি ব্যয়ের হিসাব দেখিয়েছেন।


দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ ফয়সাল আলম , মোবাইল- ০১৯১৬৫৫৭০১৭
  প্রধান সম্পাদক: মো: আতাউর রহমান, মোবাইল: ০২৪১০৯১৭৩০

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ