ঝালকাঠির রাজাপুর উপজেলার গালুয়া ইউনিয়নে প্রায় দুই কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত দুটি সেতু সংযোগ সড়ক ছাড়াই তৈরি করা হয়েছে। ফলে, সেতুতে উঠতে বাঁশ ও কাঠের সিঁড়ি ব্যবহার করতে হচ্ছে স্থানীয়দের। এতে চরম দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন ওই এলাকার কয়েক হাজার মানুষ।
স্থানীয় এলাকাবাসীরা জানান, ঝালকাঠির জেলার রাজাপুর উপজেলার গালুয়া ইউনিয়নের ইউনিয়ন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সংলগ্ন এ গুরুত্বপূর্ন ব্রিজটি এভাবে পড়ে আছে প্রায় দুই বছর ধরে। বরিশাল-ভান্ডারিয়া আঞ্চলিক মহাসড়কের গালুয়া বাজারের পাশে ইউনিয়ন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সংলগ্ন পুরাতন ব্রিজটি ভেঙে ২০২২ সালের ডিসেম্বর মাসে নতুন সেতু নির্মাণের কাজ শুরু হয়। ২০২৩ সালের ডিসেম্বর মাসে সেতুর ঢালাইয়ের কাজ সম্পন্ন হয়। এরপরে আজ পর্যন্ত নির্মিত হয়নি সেতুটির কোন সংযোগ সড়ক। কিন্তু অ্যাপ্রোচ সড়ক ছাড়া এই সেতু এখন পরিণত হয়েছে এলাকাবাসীর গলার কাটায়। এই পথ দিয়ে চলাচল করতে হয় হাসপাতালের রোগী, বৃদ্ধ, নারী ও শিশু অন্তত দুই হাজারের বেশি মানুষকে। গাড়ি নিয়ে চলতে না পারায় অসুস্থদেরও হেঁটে অথবা কাঁধে চড়ে যেতে হয় স্বাস্থ্য কেন্দ্রসহ অন্যান্য গন্তব্যে। দুবছর ধরে এ দুর্ভোগ পোহাতে হলেও দেখার কেউ নেই। এদিকে অভিযোগ পেয়েও নির্বিকার স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) কর্তৃপক্ষ।
রাজাপুর উপজেলা এলজিইডি প্রকৌশলী অভিজিৎ মজুমদার বলেন, “জন দুর্ভোগের কথা স্বীকার করে অসম্পূর্ণ কাজ নতুন ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান দিয়ে সম্পন্ন করতে নতুন করে পুন:দরপত্র আহ্বান করা হবে।
জানা গেছে, এই কাজের ঠিকাদারি নেয় নিষিদ্ধ ঘোষিত জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি সৈয়দ হাদিসুর রহমান মিলন। তিনি একাধিক মামলার আসামী হয়ে বর্তমানে একটি অস্ত্র মামলার সাজায় কারাগারে রয়েছন।
উল্লেখ্য, বীজ্রটি নির্মানে পুরো প্রকল্পের জন্য ব্যয় ধরা হয়েছিলো এক কোটি ৬২ লাখ ৯২ হাজার টাকা।

বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ জানুয়ারি ২০২৬
ঝালকাঠির রাজাপুর উপজেলার গালুয়া ইউনিয়নে প্রায় দুই কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত দুটি সেতু সংযোগ সড়ক ছাড়াই তৈরি করা হয়েছে। ফলে, সেতুতে উঠতে বাঁশ ও কাঠের সিঁড়ি ব্যবহার করতে হচ্ছে স্থানীয়দের। এতে চরম দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন ওই এলাকার কয়েক হাজার মানুষ।
স্থানীয় এলাকাবাসীরা জানান, ঝালকাঠির জেলার রাজাপুর উপজেলার গালুয়া ইউনিয়নের ইউনিয়ন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সংলগ্ন এ গুরুত্বপূর্ন ব্রিজটি এভাবে পড়ে আছে প্রায় দুই বছর ধরে। বরিশাল-ভান্ডারিয়া আঞ্চলিক মহাসড়কের গালুয়া বাজারের পাশে ইউনিয়ন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সংলগ্ন পুরাতন ব্রিজটি ভেঙে ২০২২ সালের ডিসেম্বর মাসে নতুন সেতু নির্মাণের কাজ শুরু হয়। ২০২৩ সালের ডিসেম্বর মাসে সেতুর ঢালাইয়ের কাজ সম্পন্ন হয়। এরপরে আজ পর্যন্ত নির্মিত হয়নি সেতুটির কোন সংযোগ সড়ক। কিন্তু অ্যাপ্রোচ সড়ক ছাড়া এই সেতু এখন পরিণত হয়েছে এলাকাবাসীর গলার কাটায়। এই পথ দিয়ে চলাচল করতে হয় হাসপাতালের রোগী, বৃদ্ধ, নারী ও শিশু অন্তত দুই হাজারের বেশি মানুষকে। গাড়ি নিয়ে চলতে না পারায় অসুস্থদেরও হেঁটে অথবা কাঁধে চড়ে যেতে হয় স্বাস্থ্য কেন্দ্রসহ অন্যান্য গন্তব্যে। দুবছর ধরে এ দুর্ভোগ পোহাতে হলেও দেখার কেউ নেই। এদিকে অভিযোগ পেয়েও নির্বিকার স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) কর্তৃপক্ষ।
রাজাপুর উপজেলা এলজিইডি প্রকৌশলী অভিজিৎ মজুমদার বলেন, “জন দুর্ভোগের কথা স্বীকার করে অসম্পূর্ণ কাজ নতুন ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান দিয়ে সম্পন্ন করতে নতুন করে পুন:দরপত্র আহ্বান করা হবে।
জানা গেছে, এই কাজের ঠিকাদারি নেয় নিষিদ্ধ ঘোষিত জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি সৈয়দ হাদিসুর রহমান মিলন। তিনি একাধিক মামলার আসামী হয়ে বর্তমানে একটি অস্ত্র মামলার সাজায় কারাগারে রয়েছন।
উল্লেখ্য, বীজ্রটি নির্মানে পুরো প্রকল্পের জন্য ব্যয় ধরা হয়েছিলো এক কোটি ৬২ লাখ ৯২ হাজার টাকা।

আপনার মতামত লিখুন