বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল (অব.) আজিজ আহমেদের ভাই আনিস আহমেদকে দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছেন আদালত। এই আদেশ দেওয়া হয়েছে দুর্নীতির মাধ্যমে নিজ ও পরিবারের নামে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন এবং বিদেশে অর্থ পাচারের অভিযোগের অনুসন্ধানের পরিপ্রেক্ষিতে।
রোববার (২৫ জানুয়ারি) ঢাকা মহানগর জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ মো. সাব্বির ফয়েজের আদালত দুদকের আবেদনের ভিত্তিতে এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন। আদালতের সহকারী মো. রিয়াজ হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
দুদকের পক্ষে সংস্থার সহকারী পরিচালক সাজ্জাত হোসেন আনিস আহমেদের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে আবেদন করেন। আবেদনপত্রে উল্লেখ করা হয়, সাবেক সেনাপ্রধান আজিজ আহমেদ দুর্নীতির মাধ্যমে নিজ নামে ও পরিবারের সদস্যদের নামে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন করেছেন। এছাড়া তিনি বিভিন্ন ব্যাংক ও হুন্ডির মাধ্যমে বিদেশে অর্থ পাচার করেছেন। বর্তমানে তাঁর বিরুদ্ধে মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর ও দুবাইয়ে ব্যবসা পরিচালনা এবং বাড়ি ক্রয়ের অভিযোগে অনুসন্ধান চলছে।
দুদকের দাবি, আজিজ আহমেদের সহযোগী হিসেবে আনিস আহমেদ দেশের বাইরে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করতে পারেন। তাই সুষ্ঠু অনুসন্ধানের স্বার্থে তাকে বিদেশ যাত্রায় বাধা দেওয়া জরুরি।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ জানুয়ারি ২০২৬
বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল (অব.) আজিজ আহমেদের ভাই আনিস আহমেদকে দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছেন আদালত। এই আদেশ দেওয়া হয়েছে দুর্নীতির মাধ্যমে নিজ ও পরিবারের নামে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন এবং বিদেশে অর্থ পাচারের অভিযোগের অনুসন্ধানের পরিপ্রেক্ষিতে।
রোববার (২৫ জানুয়ারি) ঢাকা মহানগর জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ মো. সাব্বির ফয়েজের আদালত দুদকের আবেদনের ভিত্তিতে এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন। আদালতের সহকারী মো. রিয়াজ হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
দুদকের পক্ষে সংস্থার সহকারী পরিচালক সাজ্জাত হোসেন আনিস আহমেদের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে আবেদন করেন। আবেদনপত্রে উল্লেখ করা হয়, সাবেক সেনাপ্রধান আজিজ আহমেদ দুর্নীতির মাধ্যমে নিজ নামে ও পরিবারের সদস্যদের নামে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন করেছেন। এছাড়া তিনি বিভিন্ন ব্যাংক ও হুন্ডির মাধ্যমে বিদেশে অর্থ পাচার করেছেন। বর্তমানে তাঁর বিরুদ্ধে মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর ও দুবাইয়ে ব্যবসা পরিচালনা এবং বাড়ি ক্রয়ের অভিযোগে অনুসন্ধান চলছে।
দুদকের দাবি, আজিজ আহমেদের সহযোগী হিসেবে আনিস আহমেদ দেশের বাইরে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করতে পারেন। তাই সুষ্ঠু অনুসন্ধানের স্বার্থে তাকে বিদেশ যাত্রায় বাধা দেওয়া জরুরি।

আপনার মতামত লিখুন