রাজধানীর কারওয়ান বাজার এলাকায় আধিপত্য বিস্তার ও চাঁদাবাজি নিয়ন্ত্রণকে কেন্দ্র করেই স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক নেতা মো. আজিজুর রহমান মুসাব্বিরকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। আন্ডারওয়ার্ল্ডের শীর্ষ সন্ত্রাসী বিনাশ দাদা ওরফে দিলীপের নির্দেশে ভাড়াটে শুটার দিয়ে এই হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয় বলে নিশ্চিত করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।
পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড ও ‘দাদা’র নির্দেশ শনিবার দুপুরে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ডিবির অতিরিক্ত কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম জানান, কারওয়ান বাজারের চাঁদাবাজির আট থেকে নয়টি সিন্ডিকেট সক্রিয় রয়েছে। এই আধিপত্য রক্ষার দ্বন্দ্বে বিদেশে পলাতক সন্ত্রাসী বিনাশ দাদা ওরফে দিলীপের নির্দেশে মুসাব্বিরকে হত্যার ছক আঁকা হয়। অপরাধীদের অভয় দেওয়া হয়েছিল এই বলে যে—‘দাদা আছে, সব দেখে নেবে’।
শুটার রহিম গ্রেপ্তার, উদ্ধার আগ্নেয়াস্ত্র হত্যাকাণ্ডে সরাসরি অংশ নেওয়া দুই শুটারের মধ্যে জিন্নাত আগেই গ্রেপ্তার হয়েছিল। সর্বশেষ শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) নরসিংদীর মাধবদী থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে দ্বিতীয় শুটার রহিমকে। গ্রেপ্তারের সময় রহিমের কাছ থেকে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত দুটি বিদেশি পিস্তল, দুটি ম্যাগাজিন ও ১২ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়। ডিবি প্রধান জানান, টাকার বিনিময়ে ভাড়াটে খুনি হিসেবে তারা এই মিশনে অংশ নেয়। এ নিয়ে এই মামলায় মোট পাঁচজন গ্রেপ্তার হলো।
সিসিটিভি ফুটেজে খুনের চিত্র গত ৭ জানুয়ারি রাত সাড়ে ৮টার দিকে তেজতুরী পাড়ার হোটেল সুপার স্টারের গলিতে মুসাব্বিরকে গুলি করে হত্যা করা হয়। ডিবি জানিয়েছে, ঘটনাস্থলের সিসিটিভি ফুটেজে অস্ত্র হাতে জিন্নাত ও রহিমকে দৌড়ে পালিয়ে যেতে দেখা গেছে। এর আগে গ্রেপ্তার হওয়া শুটার জিন্নাত আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়ে এই হত্যাকাণ্ডের নেপথ্য কাহিনী ফাঁস করেছে।
অস্ত্র উদ্ধার অভিযান জোরদার জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে ডিবি কড়া অবস্থান নিয়েছে। প্রেস ব্রিফিংয়ে জানানো হয়, শুক্রবার যাত্রাবাড়ী এলাকা থেকেও একটি বিদেশি পিস্তল ও গুলিসহ রানা মোল্লা ও নূর মোহাম্মদ নামে দুই সন্ত্রাসীকে গ্রেপ্তার করেছে ডিবি ওয়ারী বিভাগ।
সংবাদ সম্মেলনে ডিবি প্রধান হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, অপরাধীদের কোনো রাজনৈতিক পরিচয় নেই; চাঁদাবাজির স্বার্থে তারা বিভিন্ন ব্যানার ব্যবহার করে। ঢাকা শহরে চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাস নির্মূলে ডিবির এই বিশেষ অভিযান অব্যাহত থাকবে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ জানুয়ারি ২০২৬
রাজধানীর কারওয়ান বাজার এলাকায় আধিপত্য বিস্তার ও চাঁদাবাজি নিয়ন্ত্রণকে কেন্দ্র করেই স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক নেতা মো. আজিজুর রহমান মুসাব্বিরকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। আন্ডারওয়ার্ল্ডের শীর্ষ সন্ত্রাসী বিনাশ দাদা ওরফে দিলীপের নির্দেশে ভাড়াটে শুটার দিয়ে এই হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয় বলে নিশ্চিত করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।
পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড ও ‘দাদা’র নির্দেশ শনিবার দুপুরে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ডিবির অতিরিক্ত কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম জানান, কারওয়ান বাজারের চাঁদাবাজির আট থেকে নয়টি সিন্ডিকেট সক্রিয় রয়েছে। এই আধিপত্য রক্ষার দ্বন্দ্বে বিদেশে পলাতক সন্ত্রাসী বিনাশ দাদা ওরফে দিলীপের নির্দেশে মুসাব্বিরকে হত্যার ছক আঁকা হয়। অপরাধীদের অভয় দেওয়া হয়েছিল এই বলে যে—‘দাদা আছে, সব দেখে নেবে’।
শুটার রহিম গ্রেপ্তার, উদ্ধার আগ্নেয়াস্ত্র হত্যাকাণ্ডে সরাসরি অংশ নেওয়া দুই শুটারের মধ্যে জিন্নাত আগেই গ্রেপ্তার হয়েছিল। সর্বশেষ শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) নরসিংদীর মাধবদী থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে দ্বিতীয় শুটার রহিমকে। গ্রেপ্তারের সময় রহিমের কাছ থেকে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত দুটি বিদেশি পিস্তল, দুটি ম্যাগাজিন ও ১২ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়। ডিবি প্রধান জানান, টাকার বিনিময়ে ভাড়াটে খুনি হিসেবে তারা এই মিশনে অংশ নেয়। এ নিয়ে এই মামলায় মোট পাঁচজন গ্রেপ্তার হলো।
সিসিটিভি ফুটেজে খুনের চিত্র গত ৭ জানুয়ারি রাত সাড়ে ৮টার দিকে তেজতুরী পাড়ার হোটেল সুপার স্টারের গলিতে মুসাব্বিরকে গুলি করে হত্যা করা হয়। ডিবি জানিয়েছে, ঘটনাস্থলের সিসিটিভি ফুটেজে অস্ত্র হাতে জিন্নাত ও রহিমকে দৌড়ে পালিয়ে যেতে দেখা গেছে। এর আগে গ্রেপ্তার হওয়া শুটার জিন্নাত আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়ে এই হত্যাকাণ্ডের নেপথ্য কাহিনী ফাঁস করেছে।
অস্ত্র উদ্ধার অভিযান জোরদার জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে ডিবি কড়া অবস্থান নিয়েছে। প্রেস ব্রিফিংয়ে জানানো হয়, শুক্রবার যাত্রাবাড়ী এলাকা থেকেও একটি বিদেশি পিস্তল ও গুলিসহ রানা মোল্লা ও নূর মোহাম্মদ নামে দুই সন্ত্রাসীকে গ্রেপ্তার করেছে ডিবি ওয়ারী বিভাগ।
সংবাদ সম্মেলনে ডিবি প্রধান হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, অপরাধীদের কোনো রাজনৈতিক পরিচয় নেই; চাঁদাবাজির স্বার্থে তারা বিভিন্ন ব্যানার ব্যবহার করে। ঢাকা শহরে চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাস নির্মূলে ডিবির এই বিশেষ অভিযান অব্যাহত থাকবে।

আপনার মতামত লিখুন