দেশের চায়ের রাজধানীখ্যাত মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে জেঁকে বসেছে তীব্র শীত, যেখানে আজ শনিবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস। হাড়কাঁপানো ঠান্ডার সঙ্গে ঘন কুয়াশার দাপটে স্থবির হয়ে পড়েছে এই জনপদের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা।
শ্রীমঙ্গল আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র সূত্রে জানা গেছে, আজ শনিবার ভোর ৬টা থেকে সকাল ৯টা পর্যন্ত সর্বনিম্ন ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়। ঘন কুয়াশার চাদরে ঢাকা পড়ে আছে পুরো এলাকা, যার ফলে দিনের বেলাতেও যানবাহনগুলোকে হেডলাইট জ্বালিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে। শ্রীমঙ্গল আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আনিসুর রহমান জানান, আবহাওয়ার বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনায় শীতের এই প্রকোপ আরও কয়েক দিন স্থায়ী হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
তীব্র এই শৈত্যপ্রবাহে সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছেন চা-বাগানের শ্রমজীবী মানুষ। হাড়কাঁপানো কনকনে ঠান্ডা উপেক্ষা করেই ভোরে কাজে বের হতে হচ্ছে তাঁদের। এ ছাড়া ছিন্নমূল মানুষ ও দিনমজুরদের দুর্গতি চরমে পৌঁছেছে। প্রয়োজনীয় শীতবস্ত্রের অভাবে নিদারুণ কষ্টে দিন কাটাচ্ছেন প্রান্তিক জনপদের বাসিন্দারা।
শীতের প্রকোপ বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে এলাকায় শীতজনিত রোগের প্রাদুর্ভাবও বৃদ্ধি পেয়েছে। স্থানীয় হাসপাতাল ও স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলোতে ডায়রিয়া, নিউমোনিয়া ও শ্বাসকষ্টে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, আক্রান্তদের মধ্যে শিশু ও বয়স্কদের সংখ্যাই সবচেয়ে বেশি।
প্রশাসনের পক্ষ থেকে শীতার্তদের সহায়তায় উদ্যোগ নেওয়া হলেও তা প্রয়োজনের তুলনায় অপ্রতুল বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা। পর্যটন নগরী হওয়ায় কুয়াশার কারণে যাতায়াতে সমস্যা ও ঠান্ডার দাপটে পর্যটকদের উপস্থিতিও গত কয়েক দিনের তুলনায় কিছুটা কমেছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ জানুয়ারি ২০২৬
দেশের চায়ের রাজধানীখ্যাত মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে জেঁকে বসেছে তীব্র শীত, যেখানে আজ শনিবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস। হাড়কাঁপানো ঠান্ডার সঙ্গে ঘন কুয়াশার দাপটে স্থবির হয়ে পড়েছে এই জনপদের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা।
শ্রীমঙ্গল আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র সূত্রে জানা গেছে, আজ শনিবার ভোর ৬টা থেকে সকাল ৯টা পর্যন্ত সর্বনিম্ন ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়। ঘন কুয়াশার চাদরে ঢাকা পড়ে আছে পুরো এলাকা, যার ফলে দিনের বেলাতেও যানবাহনগুলোকে হেডলাইট জ্বালিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে। শ্রীমঙ্গল আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আনিসুর রহমান জানান, আবহাওয়ার বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনায় শীতের এই প্রকোপ আরও কয়েক দিন স্থায়ী হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
তীব্র এই শৈত্যপ্রবাহে সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছেন চা-বাগানের শ্রমজীবী মানুষ। হাড়কাঁপানো কনকনে ঠান্ডা উপেক্ষা করেই ভোরে কাজে বের হতে হচ্ছে তাঁদের। এ ছাড়া ছিন্নমূল মানুষ ও দিনমজুরদের দুর্গতি চরমে পৌঁছেছে। প্রয়োজনীয় শীতবস্ত্রের অভাবে নিদারুণ কষ্টে দিন কাটাচ্ছেন প্রান্তিক জনপদের বাসিন্দারা।
শীতের প্রকোপ বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে এলাকায় শীতজনিত রোগের প্রাদুর্ভাবও বৃদ্ধি পেয়েছে। স্থানীয় হাসপাতাল ও স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলোতে ডায়রিয়া, নিউমোনিয়া ও শ্বাসকষ্টে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, আক্রান্তদের মধ্যে শিশু ও বয়স্কদের সংখ্যাই সবচেয়ে বেশি।
প্রশাসনের পক্ষ থেকে শীতার্তদের সহায়তায় উদ্যোগ নেওয়া হলেও তা প্রয়োজনের তুলনায় অপ্রতুল বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা। পর্যটন নগরী হওয়ায় কুয়াশার কারণে যাতায়াতে সমস্যা ও ঠান্ডার দাপটে পর্যটকদের উপস্থিতিও গত কয়েক দিনের তুলনায় কিছুটা কমেছে।

আপনার মতামত লিখুন