বগুড়া জেলার ধুনট উপজেলায় সরকারি ত্রাণ বিতরণে অনিয়ম ও পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ উঠেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে এসব অভিযোগ করেন স্কুল শিক্ষিকা ফৌজিয়া হক বীথি।
স্ট্যাটাসে তিনি দাবি করেন, প্রকৃত গৃহহীন ও অসহায় মানুষ সরকারি ত্রাণ থেকে বঞ্চিত হলেও রাজনৈতিক পরিচয়ধারী ও প্রভাবশালী ব্যক্তিরা নিয়মিত এসব সহায়তা পাচ্ছেন। সরকার গৃহহীনদের জন্য টিন, শীতার্তদের জন্য শীতবস্ত্র, অসহায়দের খাদ্যসামগ্রী ও আর্থিক সহায়তা বরাদ্দ দিলেও তা সঠিকভাবে বিতরণ হচ্ছে না বলে অভিযোগ করেন তিনি।
ফৌজিয়া হক বীথির ভাষ্য অনুযায়ী, অসহায় মানুষ উপজেলা প্রশাসনে আবেদন করলেও তারা শুধু আশ্বাসই পাচ্ছেন। অনেককে দপ্তরে নিয়ে গিয়ে আবেদন জমা দেওয়া হলেও সেগুলো যাচাইয়ের নামে পড়ে থাকে। পরে কখনও বলা হয় বরাদ্দ নেই, কখনও বলা হয় পরে যোগাযোগ করতে, আবার কখনও জানানো হয় আগেই বিতরণ হয়ে গেছে। এভাবে প্রকৃত প্রাপ্যরা বছরের পর বছর ত্রাণ থেকে বঞ্চিত থেকে যাচ্ছেন বলে অভিযোগ করা হয়।
স্ট্যাটাসে আরও উল্লেখ করা হয়, করোনাকালীন সময়ে প্রধানমন্ত্রীর উপহারের চাল-ডালসহ বিভিন্ন ত্রাণসামগ্রী উপজেলা গোডাউনে নষ্ট হতে দেখা গেছে। ওই সময় শত শত কম্বল ও টিন প্রকৃত উপকারভোগীদের মাঝে বিতরণ না হয়ে গুদামেই পড়ে ছিল বলেও অভিযোগ তোলা হয়।
ত্রাণ বিতরণের ক্ষেত্রে কিছু নির্দিষ্ট ব্যক্তিকে সুবিধা দিয়ে ছবি তুলে দায়িত্ব শেষ করা হয়, অথচ গ্রামের প্রকৃত অসহায় ও শীতার্ত মানুষ সহায়তা থেকে বঞ্চিত থাকে—এমন অভিযোগও করেন তিনি।
এ বিষয়ে ফৌজিয়া হক বীথি প্রশাসনের সর্বোচ্চ কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করে প্রকৃত অসহায়দের প্রাপ্য ত্রাণ নিশ্চিত করতে নিরপেক্ষ তদন্ত ও কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ জানুয়ারি ২০২৬
বগুড়া জেলার ধুনট উপজেলায় সরকারি ত্রাণ বিতরণে অনিয়ম ও পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ উঠেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে এসব অভিযোগ করেন স্কুল শিক্ষিকা ফৌজিয়া হক বীথি।
স্ট্যাটাসে তিনি দাবি করেন, প্রকৃত গৃহহীন ও অসহায় মানুষ সরকারি ত্রাণ থেকে বঞ্চিত হলেও রাজনৈতিক পরিচয়ধারী ও প্রভাবশালী ব্যক্তিরা নিয়মিত এসব সহায়তা পাচ্ছেন। সরকার গৃহহীনদের জন্য টিন, শীতার্তদের জন্য শীতবস্ত্র, অসহায়দের খাদ্যসামগ্রী ও আর্থিক সহায়তা বরাদ্দ দিলেও তা সঠিকভাবে বিতরণ হচ্ছে না বলে অভিযোগ করেন তিনি।
ফৌজিয়া হক বীথির ভাষ্য অনুযায়ী, অসহায় মানুষ উপজেলা প্রশাসনে আবেদন করলেও তারা শুধু আশ্বাসই পাচ্ছেন। অনেককে দপ্তরে নিয়ে গিয়ে আবেদন জমা দেওয়া হলেও সেগুলো যাচাইয়ের নামে পড়ে থাকে। পরে কখনও বলা হয় বরাদ্দ নেই, কখনও বলা হয় পরে যোগাযোগ করতে, আবার কখনও জানানো হয় আগেই বিতরণ হয়ে গেছে। এভাবে প্রকৃত প্রাপ্যরা বছরের পর বছর ত্রাণ থেকে বঞ্চিত থেকে যাচ্ছেন বলে অভিযোগ করা হয়।
স্ট্যাটাসে আরও উল্লেখ করা হয়, করোনাকালীন সময়ে প্রধানমন্ত্রীর উপহারের চাল-ডালসহ বিভিন্ন ত্রাণসামগ্রী উপজেলা গোডাউনে নষ্ট হতে দেখা গেছে। ওই সময় শত শত কম্বল ও টিন প্রকৃত উপকারভোগীদের মাঝে বিতরণ না হয়ে গুদামেই পড়ে ছিল বলেও অভিযোগ তোলা হয়।
ত্রাণ বিতরণের ক্ষেত্রে কিছু নির্দিষ্ট ব্যক্তিকে সুবিধা দিয়ে ছবি তুলে দায়িত্ব শেষ করা হয়, অথচ গ্রামের প্রকৃত অসহায় ও শীতার্ত মানুষ সহায়তা থেকে বঞ্চিত থাকে—এমন অভিযোগও করেন তিনি।
এ বিষয়ে ফৌজিয়া হক বীথি প্রশাসনের সর্বোচ্চ কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করে প্রকৃত অসহায়দের প্রাপ্য ত্রাণ নিশ্চিত করতে নিরপেক্ষ তদন্ত ও কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন