ফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলার তালমা ইউনিয়নের শাকপালদিয়া এলাকায় সেনাবাহিনী ও পুলিশের যৌথ অভিযানে বিপুল পরিমাণ অবৈধ অস্ত্র ও মাদকসহ ১৮ জনকে আটক করা হয়েছে।
সেনা সূত্র জানায়, বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) ভোর সাড়ে ৪টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায়—শাকপালদিয়া এলাকায় একদল সন্ত্রাসী ও মাদক ব্যবসায়ী মাদক বিক্রি এবং আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সুষ্ঠু পরিবেশ বিঘ্নিত করার উদ্দেশ্যে অস্ত্রসহ অবস্থান করছে। এমন তথ্যের পর নগরকান্দা আর্মি ক্যাম্পের নেতৃত্বে ১৫ রিভারাইন ইঞ্জিনিয়ার ব্যাটালিয়ন ও স্থানীয় পুলিশের সমন্বয়ে একটি যৌথ দল দ্রুত অভিযান চালায়।
অভিযানে ১৮ জনকে আটক করা হয়। তাদের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয় ১টি সিঙ্গেল ব্যারেল পাইপ গান, ১টি ১২ গেজ কার্তুজ, ১০টি ঢাল, ৭টি বর্শা, ৮টি কাস্তে, ৬টি রামদা, ৫টি ছোট ছুরি, ৪ কেজি গাঁজা, ১০২ পিস ইয়াবা, ৬টি অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ফোন ও ১টি বাটন ফোন।
আটক ব্যক্তিরা হলেন—মো. সহিদ মোল্লা (৬৫), মো. শহিদ মোল্লা (৬৬), সিয়াম শেখ (১৫), মো. পারভেজ ফকির (২৫), মো. নাজমুল (২৩), আয়মান আশরাফ (১৫), মো. ইয়াসিন মোল্লা (১৬), মো. আজিম মোল্লা (২৭), মো. শাজাহান শেখ (৩৬), মো. রবিউল মোল্লা (৩০), মো. ইদ্রিস মোল্লা (৪২), আলেয়া বেগম (৩৮), তামান্না আক্তার (২০), মনিরা আক্তার (৩৫), রুনা আক্তার (২২), নাদিয়া বেগম (৩২), নূরজাহান (৬০) ও জয়নব বেগম (৬০)। তারা সবাই শাকপালদিয়া গ্রামের বাসিন্দা।
সেনা সূত্র আরও জানায়, চলতি জানুয়ারি মাসে নগরকান্দা উপজেলায় তিনটি মরদেহ উদ্ধার এবং রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। তবে নিয়মিত যৌথ অভিযানে মাদক কারবারি ও জুয়াড়িদের গ্রেপ্তার এবং দেশীয় অস্ত্র উদ্ধারের ফলে এলাকায় জনমনে স্বস্তি ফিরতে শুরু করেছে।
আটক আসামি ও উদ্ধারকৃত মালামাল নগরকান্দা থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে অস্ত্র ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
সেনা সূত্রের ভাষ্য অনুযায়ী, বর্তমান সরকার ও নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা অনুযায়ী আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে মাদক, চাঁদাবাজি ও অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতিতে অভিযান অব্যাহত থাকবে। এ কাজে সহযোগিতার জন্য সাধারণ মানুষের প্রতি সেনা ক্যাম্পে তথ্য দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।

বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ জানুয়ারি ২০২৬
ফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলার তালমা ইউনিয়নের শাকপালদিয়া এলাকায় সেনাবাহিনী ও পুলিশের যৌথ অভিযানে বিপুল পরিমাণ অবৈধ অস্ত্র ও মাদকসহ ১৮ জনকে আটক করা হয়েছে।
সেনা সূত্র জানায়, বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) ভোর সাড়ে ৪টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায়—শাকপালদিয়া এলাকায় একদল সন্ত্রাসী ও মাদক ব্যবসায়ী মাদক বিক্রি এবং আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সুষ্ঠু পরিবেশ বিঘ্নিত করার উদ্দেশ্যে অস্ত্রসহ অবস্থান করছে। এমন তথ্যের পর নগরকান্দা আর্মি ক্যাম্পের নেতৃত্বে ১৫ রিভারাইন ইঞ্জিনিয়ার ব্যাটালিয়ন ও স্থানীয় পুলিশের সমন্বয়ে একটি যৌথ দল দ্রুত অভিযান চালায়।
অভিযানে ১৮ জনকে আটক করা হয়। তাদের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয় ১টি সিঙ্গেল ব্যারেল পাইপ গান, ১টি ১২ গেজ কার্তুজ, ১০টি ঢাল, ৭টি বর্শা, ৮টি কাস্তে, ৬টি রামদা, ৫টি ছোট ছুরি, ৪ কেজি গাঁজা, ১০২ পিস ইয়াবা, ৬টি অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ফোন ও ১টি বাটন ফোন।
আটক ব্যক্তিরা হলেন—মো. সহিদ মোল্লা (৬৫), মো. শহিদ মোল্লা (৬৬), সিয়াম শেখ (১৫), মো. পারভেজ ফকির (২৫), মো. নাজমুল (২৩), আয়মান আশরাফ (১৫), মো. ইয়াসিন মোল্লা (১৬), মো. আজিম মোল্লা (২৭), মো. শাজাহান শেখ (৩৬), মো. রবিউল মোল্লা (৩০), মো. ইদ্রিস মোল্লা (৪২), আলেয়া বেগম (৩৮), তামান্না আক্তার (২০), মনিরা আক্তার (৩৫), রুনা আক্তার (২২), নাদিয়া বেগম (৩২), নূরজাহান (৬০) ও জয়নব বেগম (৬০)। তারা সবাই শাকপালদিয়া গ্রামের বাসিন্দা।
সেনা সূত্র আরও জানায়, চলতি জানুয়ারি মাসে নগরকান্দা উপজেলায় তিনটি মরদেহ উদ্ধার এবং রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। তবে নিয়মিত যৌথ অভিযানে মাদক কারবারি ও জুয়াড়িদের গ্রেপ্তার এবং দেশীয় অস্ত্র উদ্ধারের ফলে এলাকায় জনমনে স্বস্তি ফিরতে শুরু করেছে।
আটক আসামি ও উদ্ধারকৃত মালামাল নগরকান্দা থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে অস্ত্র ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
সেনা সূত্রের ভাষ্য অনুযায়ী, বর্তমান সরকার ও নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা অনুযায়ী আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে মাদক, চাঁদাবাজি ও অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতিতে অভিযান অব্যাহত থাকবে। এ কাজে সহযোগিতার জন্য সাধারণ মানুষের প্রতি সেনা ক্যাম্পে তথ্য দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন