বগুড়ার নন্দীগ্রাম উপজেলার কুন্দারহাট বাজারে নিষিদ্ধ আফ্রিকান মাগুর মাছ বিক্রির অভিযোগে ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযান চালিয়েছে উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা মৎস্য বিভাগ। বুধবার (২১ জানুয়ারি) কুন্দারহাট বাজারে মোবাইল কোর্ট পরিচালনাকালে প্রকাশ্যে নিষিদ্ধ আফ্রিকান মাগুর মাছ বিক্রি করার দায়ে এক বিক্রেতাকে দুই হাজার টাকা জরিমানা করেন ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রোহান সরকার। এ সময় বিক্রির উদ্দেশ্যে রাখা প্রায় ২০ কেজি আফ্রিকান মাগুর মাছ জব্দ করা হয়।
দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তি হলেন বগুড়ার শাজাহানপুর উপজেলার আব্দুল বাছেদের ছেলে জাহিদ হাসান (১৯)। অভিযানে প্রসিকিউটরের দায়িত্ব পালন করেন উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা আন্না রানী দাস। অভিযানকালে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রোহান সরকার বলেন, আফ্রিকান মাগুর মাছ পরিবেশ ও দেশীয় মাছের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর হওয়ায় সরকারিভাবে এর উৎপাদন, পরিবহন ও বিক্রি সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। আইন অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে।
তিনি আরও বলেন, জনস্বাস্থ্য ও দেশীয় জলজ সম্পদ রক্ষায় এ ধরনের অভিযান চলমান থাকবে। কেউ নিষিদ্ধ মাছ বিক্রি বা সংরক্ষণ করলে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এ সময় বাজারের ব্যবসায়ীদের সতর্ক করে ভবিষ্যতে নিষিদ্ধ মাছ বিক্রি না করার জন্য কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়।

বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ জানুয়ারি ২০২৬
বগুড়ার নন্দীগ্রাম উপজেলার কুন্দারহাট বাজারে নিষিদ্ধ আফ্রিকান মাগুর মাছ বিক্রির অভিযোগে ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযান চালিয়েছে উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা মৎস্য বিভাগ। বুধবার (২১ জানুয়ারি) কুন্দারহাট বাজারে মোবাইল কোর্ট পরিচালনাকালে প্রকাশ্যে নিষিদ্ধ আফ্রিকান মাগুর মাছ বিক্রি করার দায়ে এক বিক্রেতাকে দুই হাজার টাকা জরিমানা করেন ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রোহান সরকার। এ সময় বিক্রির উদ্দেশ্যে রাখা প্রায় ২০ কেজি আফ্রিকান মাগুর মাছ জব্দ করা হয়।
দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তি হলেন বগুড়ার শাজাহানপুর উপজেলার আব্দুল বাছেদের ছেলে জাহিদ হাসান (১৯)। অভিযানে প্রসিকিউটরের দায়িত্ব পালন করেন উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা আন্না রানী দাস। অভিযানকালে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রোহান সরকার বলেন, আফ্রিকান মাগুর মাছ পরিবেশ ও দেশীয় মাছের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর হওয়ায় সরকারিভাবে এর উৎপাদন, পরিবহন ও বিক্রি সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। আইন অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে।
তিনি আরও বলেন, জনস্বাস্থ্য ও দেশীয় জলজ সম্পদ রক্ষায় এ ধরনের অভিযান চলমান থাকবে। কেউ নিষিদ্ধ মাছ বিক্রি বা সংরক্ষণ করলে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এ সময় বাজারের ব্যবসায়ীদের সতর্ক করে ভবিষ্যতে নিষিদ্ধ মাছ বিক্রি না করার জন্য কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়।

আপনার মতামত লিখুন