ফরিদপুরে গণভোটের প্রচার ও ভোটার উদ্বুদ্ধকরণে র্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (আজ) সকাল সাড়ে ১০টায় ফরিদপুর জেলা প্রশাসন কার্যালয় থেকে একটি বর্ণাঢ্য র্যালি শুরু হয়ে শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে।
র্যালির উদ্বোধন করেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন, পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় এবং তথ্য মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি বেলুন ও ফেস্টুন উড়িয়ে এবং ফুটে রিকশা উদ্বোধনের মাধ্যমে কর্মসূচির সূচনা করেন। পরে জাতির উদ্দেশ্যে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ইউনূসের ভাষণ প্রচার করা হয়।
ফরিদপুর জেলা প্রশাসক কামরুল হাসান মোল্লার সভাপতিত্বে এ সময় উপস্থিত ছিলেন ফরিদপুরের পুলিশ সুপার নজরুল ইসলাম, বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি দপ্তরের কর্মকর্তাবৃন্দ, বিভিন্ন স্কুল-কলেজের শিক্ষক-শিক্ষিকা ও ছাত্রছাত্রী এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ।
র্যালিটি শহরের অম্বিকা ময়দানে এসে শেষ হলে সেখানে গণভোটের প্রচার ও ভোটার উদ্বুদ্ধকরণে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় জেলা প্রশাসক কামরুল হাসান মোল্লার সভাপতিত্বে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন, পানি সম্পদ এবং তথ্য ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান।
বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের এসডিজি বিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ক মিজ লামিয়া মোরশেদ, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সচিব মিজ মাহবুবা ফারজানা, ফরিদপুরের পুলিশ সুপার নজরুল ইসলাম, জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক সৈয়দ জুলফিকার হোসেন জুয়েল, জেলা জামায়াতের আমির মোহাম্মদ বদর উদ্দিন, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-এর যুগ্ম সমন্বয়ক ডা. বাইজিদ হোসেন এবং বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আহ্বায়ক কাজি রিয়াজ।
বক্তারা আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য গণভোটে ‘হা’ প্রতীকে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান। তারা বলেন, গণভোটের মাধ্যমে জনগণ তাদের স্বাধীন মতামত প্রকাশের সুযোগ পাবে, যা দেশের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে দেশের মানুষ সুষ্ঠুভাবে ভোট দিতে পারেনি, তাই এবারের ভোটে জনগণের আগ্রহ ব্যাপক।
বক্তারা আরও জানান, প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে সুষ্ঠুভাবে ভোটগ্রহণ নিশ্চিত করতে সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। ভোটকেন্দ্রে কোনো বিশৃঙ্খলা সহ্য করা হবে না এবং বিশৃঙ্খলাকারীদের আইনের আওতায় আনা হবে। প্রতিটি কেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হবে বলেও জানান তারা।
সভায় বক্তারা বলেন, রাজনৈতিক দলগুলোর গণভোটে প্রচারণায় অংশগ্রহণ একটি ইতিবাচক উদ্যোগ, যা গণতন্ত্রের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি একসঙ্গে সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হবে।
তারা বলেন, জনগণই সকল ক্ষমতার উৎস। সুশাসন ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করতে হলে ‘হা’ প্রতীকে ভোট দেওয়ার বিকল্প নেই। অতীতের অনিয়ম ও ভোটাধিকার হরণের পুনরাবৃত্তি যেন আর না ঘটে, সেজন্য সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান বক্তারা।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ জানুয়ারি ২০২৬
ফরিদপুরে গণভোটের প্রচার ও ভোটার উদ্বুদ্ধকরণে র্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (আজ) সকাল সাড়ে ১০টায় ফরিদপুর জেলা প্রশাসন কার্যালয় থেকে একটি বর্ণাঢ্য র্যালি শুরু হয়ে শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে।
র্যালির উদ্বোধন করেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন, পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় এবং তথ্য মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি বেলুন ও ফেস্টুন উড়িয়ে এবং ফুটে রিকশা উদ্বোধনের মাধ্যমে কর্মসূচির সূচনা করেন। পরে জাতির উদ্দেশ্যে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ইউনূসের ভাষণ প্রচার করা হয়।
ফরিদপুর জেলা প্রশাসক কামরুল হাসান মোল্লার সভাপতিত্বে এ সময় উপস্থিত ছিলেন ফরিদপুরের পুলিশ সুপার নজরুল ইসলাম, বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি দপ্তরের কর্মকর্তাবৃন্দ, বিভিন্ন স্কুল-কলেজের শিক্ষক-শিক্ষিকা ও ছাত্রছাত্রী এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ।
র্যালিটি শহরের অম্বিকা ময়দানে এসে শেষ হলে সেখানে গণভোটের প্রচার ও ভোটার উদ্বুদ্ধকরণে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় জেলা প্রশাসক কামরুল হাসান মোল্লার সভাপতিত্বে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন, পানি সম্পদ এবং তথ্য ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান।
বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের এসডিজি বিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ক মিজ লামিয়া মোরশেদ, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সচিব মিজ মাহবুবা ফারজানা, ফরিদপুরের পুলিশ সুপার নজরুল ইসলাম, জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক সৈয়দ জুলফিকার হোসেন জুয়েল, জেলা জামায়াতের আমির মোহাম্মদ বদর উদ্দিন, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-এর যুগ্ম সমন্বয়ক ডা. বাইজিদ হোসেন এবং বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আহ্বায়ক কাজি রিয়াজ।
বক্তারা আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য গণভোটে ‘হা’ প্রতীকে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান। তারা বলেন, গণভোটের মাধ্যমে জনগণ তাদের স্বাধীন মতামত প্রকাশের সুযোগ পাবে, যা দেশের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে দেশের মানুষ সুষ্ঠুভাবে ভোট দিতে পারেনি, তাই এবারের ভোটে জনগণের আগ্রহ ব্যাপক।
বক্তারা আরও জানান, প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে সুষ্ঠুভাবে ভোটগ্রহণ নিশ্চিত করতে সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। ভোটকেন্দ্রে কোনো বিশৃঙ্খলা সহ্য করা হবে না এবং বিশৃঙ্খলাকারীদের আইনের আওতায় আনা হবে। প্রতিটি কেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হবে বলেও জানান তারা।
সভায় বক্তারা বলেন, রাজনৈতিক দলগুলোর গণভোটে প্রচারণায় অংশগ্রহণ একটি ইতিবাচক উদ্যোগ, যা গণতন্ত্রের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি একসঙ্গে সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হবে।
তারা বলেন, জনগণই সকল ক্ষমতার উৎস। সুশাসন ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করতে হলে ‘হা’ প্রতীকে ভোট দেওয়ার বিকল্প নেই। অতীতের অনিয়ম ও ভোটাধিকার হরণের পুনরাবৃত্তি যেন আর না ঘটে, সেজন্য সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান বক্তারা।

আপনার মতামত লিখুন