সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে সড়ক ও জনপথ বিভাগের ক্যানেলে ভেকু (এক্সভেটর) মেশিন ব্যবহার করে মাটি কেটে ইটভাটায় বিক্রির অভিযোগে সংবাদ প্রকাশের পর অবশেষে বন্ধ হয়েছে মাটি কাটা কার্যক্রম। গত ১৮ জানুয়ারি দৈনিক নববানী পত্রিকায় “শাহজাদপুরে রাতের আঁধারে সড়ক ও জনপথের মাটি শতশত ট্রাকে যাচ্ছে ইটভাটায়!” শিরোনামে সংবাদ প্রকাশের পর এ কার্যক্রম বন্ধ হয়।
এ বিষয়ে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মুশফিকুর রহমান জানান, পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশের পর ওই রাতেই অভিযান পরিচালনা করা হয়। তবে অভিযানের খবর পেয়ে জড়িতরা পালিয়ে যাওয়ায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি। তিনি আরও জানান, ঘটনাস্থল রেকি করে দেখা হয়েছে যে জায়গাটি সড়ক ও জনপথ বিভাগের এবং সেখানে অবৈধভাবে মাটি কাটা হয়েছে। বিষয়টি প্রশাসনের নজরে রাখা হয়েছে এবং অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
উল্লেখ্য, উপজেলার রূপবাটি ইউনিয়নের বিন্নাদাইর এলাকায় মহাসড়কের নিচে সড়ক ও জনপথ বিভাগের ক্যানেলে ভেকু মেশিন বসিয়ে রাতের আঁধারে অবৈধভাবে মাটি কেটে ২৫ থেকে ৩০টি ড্রাম ট্রাকে করে সাঁথিয়া উপজেলার সিলন্দা বাবলুর ইটভাটায় বিক্রি করা হচ্ছিল। এ সময় মাটির পয়েন্টের ম্যানেজার পরিচয়দানকারী আকাশ জানান, শাহজাদপুর উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ পানি উন্নয়ন বোর্ডের অনুমতি নিয়ে মাটি কাটছেন।
এ বিষয়ে উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ দাবি করেন, তিনি পানি উন্নয়ন বোর্ডের কাছ থেকে টেন্ডারের মাধ্যমে অনুমতি নিয়ে নদী খননের বালু কেটে বিক্রি করছেন। তবে পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী (পুর) মো. শাহীন রেজা মুঠোফোনে এ দাবি অস্বীকার করে জানান, কোনো ক্যানেলের মাটি কাটার অনুমতি তারা দেননি। তিনি বলেন, ওই এলাকায় একটি বালুর ডাইক নিলাম হয়েছে এবং সেটি মাপযোগ করে বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে। কেউ যদি সেই কাগজ দেখিয়ে সড়ক ও জনপথ বিভাগের মাটি কাটে, তাহলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এ বিষয়ে সিরাজগঞ্জ সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. ইমরান ফারহান সুমেল মুঠোফোনে জানান, জায়গাটি তাদের অধিভুক্ত। তবে এখনো তদন্ত প্রতিবেদন হাতে পাননি। তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করে মামলা দায়ের করা হবে বলে তিনি জানান।

বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ জানুয়ারি ২০২৬
সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে সড়ক ও জনপথ বিভাগের ক্যানেলে ভেকু (এক্সভেটর) মেশিন ব্যবহার করে মাটি কেটে ইটভাটায় বিক্রির অভিযোগে সংবাদ প্রকাশের পর অবশেষে বন্ধ হয়েছে মাটি কাটা কার্যক্রম। গত ১৮ জানুয়ারি দৈনিক নববানী পত্রিকায় “শাহজাদপুরে রাতের আঁধারে সড়ক ও জনপথের মাটি শতশত ট্রাকে যাচ্ছে ইটভাটায়!” শিরোনামে সংবাদ প্রকাশের পর এ কার্যক্রম বন্ধ হয়।
এ বিষয়ে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মুশফিকুর রহমান জানান, পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশের পর ওই রাতেই অভিযান পরিচালনা করা হয়। তবে অভিযানের খবর পেয়ে জড়িতরা পালিয়ে যাওয়ায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি। তিনি আরও জানান, ঘটনাস্থল রেকি করে দেখা হয়েছে যে জায়গাটি সড়ক ও জনপথ বিভাগের এবং সেখানে অবৈধভাবে মাটি কাটা হয়েছে। বিষয়টি প্রশাসনের নজরে রাখা হয়েছে এবং অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
উল্লেখ্য, উপজেলার রূপবাটি ইউনিয়নের বিন্নাদাইর এলাকায় মহাসড়কের নিচে সড়ক ও জনপথ বিভাগের ক্যানেলে ভেকু মেশিন বসিয়ে রাতের আঁধারে অবৈধভাবে মাটি কেটে ২৫ থেকে ৩০টি ড্রাম ট্রাকে করে সাঁথিয়া উপজেলার সিলন্দা বাবলুর ইটভাটায় বিক্রি করা হচ্ছিল। এ সময় মাটির পয়েন্টের ম্যানেজার পরিচয়দানকারী আকাশ জানান, শাহজাদপুর উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ পানি উন্নয়ন বোর্ডের অনুমতি নিয়ে মাটি কাটছেন।
এ বিষয়ে উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ দাবি করেন, তিনি পানি উন্নয়ন বোর্ডের কাছ থেকে টেন্ডারের মাধ্যমে অনুমতি নিয়ে নদী খননের বালু কেটে বিক্রি করছেন। তবে পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী (পুর) মো. শাহীন রেজা মুঠোফোনে এ দাবি অস্বীকার করে জানান, কোনো ক্যানেলের মাটি কাটার অনুমতি তারা দেননি। তিনি বলেন, ওই এলাকায় একটি বালুর ডাইক নিলাম হয়েছে এবং সেটি মাপযোগ করে বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে। কেউ যদি সেই কাগজ দেখিয়ে সড়ক ও জনপথ বিভাগের মাটি কাটে, তাহলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এ বিষয়ে সিরাজগঞ্জ সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. ইমরান ফারহান সুমেল মুঠোফোনে জানান, জায়গাটি তাদের অধিভুক্ত। তবে এখনো তদন্ত প্রতিবেদন হাতে পাননি। তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করে মামলা দায়ের করা হবে বলে তিনি জানান।

আপনার মতামত লিখুন