জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সদস্য সচিব আখতার হোসেন বলেছেন, দেশের সাধারণ মানুষের কাছে জাতীয় ছাত্র শক্তি ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে জোরালো ক্যাম্পেইন পরিচালনা করবে। আজ এই কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হলো। তিনি দৃঢ়তার সাথে উল্লেখ করেন যে, বিরোধী পক্ষ যতই ‘না’ ভোটের পক্ষে প্রচার চালাুক না কেন, দিন শেষে নতুন বাংলাদেশের গঠন এবং সংস্কারের পক্ষে দেশের মানুষ ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষেই তাদের চূড়ান্ত রায় দেবে।
আজ রোববার দুপুরে শহীদ আবু সাঈদের কবর জিয়ারত শেষে রংপুরে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে প্রচারণায় অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন। আখতার হোসেন আরও বলেন, ‘হ্যাঁ’ ভোটের মাধ্যমে কাঙ্ক্ষিত সংস্কার সম্পন্ন হলে রাষ্ট্রের প্রতিটি প্রতিষ্ঠান সুন্দরভাবে নাগরিকদের সেবা প্রদান করতে সক্ষম হবে। এর ফলে নাগরিকের অংশগ্রহণমূলক পদ্ধতির মাধ্যমে রাষ্ট্র পরিচালিত হবে এবং দেশে কোনো একক শাসন ব্যবস্থা আর বজায় থাকবে না। একইসাথে তিনি দাবি জানান যে, যারা ঋণখেলাপি এবং রাষ্ট্রের ট্যাক্স ফাঁকি দিয়ে চলছে, তারা যেন কোনোভাবেই এই নির্বাচনে অংশ নিতে না পারে।
জাতীয় ছাত্র শক্তির সভাপতি জাহিদ হাসান এই প্রচারণায় অংশ নিয়ে বলেন, বাংলাদেশের মানুষ চায় না একই ব্যক্তি ১০ বছরের বেশি সময় প্রধানমন্ত্রীর পদে আসীন থাকুক। দেশের মানুষ পুরনো আওয়ামী শাসনব্যবস্থাকে প্রত্যাখ্যান করেছে বলেই তারা গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট প্রদানের জন্য উন্মুখ হয়ে আছে। একই অনুষ্ঠানে ছাত্র শক্তির সাধারণ সম্পাদক আবু বাকের মজুমদার বলেন, অনেকেই বর্তমানে গণভোটে ‘নো’ ক্যাম্পেইন করছে; যারা বিরোধিতা করছে, তারাই আবার পরোক্ষভাবে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষেও কথা বলছে। তবে জুলাই অভ্যুত্থানের সব শক্তি ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষেই ঐক্যবদ্ধ থাকবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
এর আগে পীরগঞ্জের বাবনপুরে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রথম শহীদ আবু সাঈদের কবর জিয়ারত করেন এনসিপির জাতীয় ছাত্র শক্তির নেতৃবৃন্দ। এই জিয়ারতের মধ্য দিয়েই আনুষ্ঠানিকভাবে সংগঠনটি গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের প্রচারণা শুরু করলো। শহীদ আবু সাঈদের কবর জিয়ারত শেষে নেতৃবৃন্দ তার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন এবং তাদের সার্বিক খোঁজখবর নেন।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ জানুয়ারি ২০২৬
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সদস্য সচিব আখতার হোসেন বলেছেন, দেশের সাধারণ মানুষের কাছে জাতীয় ছাত্র শক্তি ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে জোরালো ক্যাম্পেইন পরিচালনা করবে। আজ এই কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হলো। তিনি দৃঢ়তার সাথে উল্লেখ করেন যে, বিরোধী পক্ষ যতই ‘না’ ভোটের পক্ষে প্রচার চালাুক না কেন, দিন শেষে নতুন বাংলাদেশের গঠন এবং সংস্কারের পক্ষে দেশের মানুষ ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষেই তাদের চূড়ান্ত রায় দেবে।
আজ রোববার দুপুরে শহীদ আবু সাঈদের কবর জিয়ারত শেষে রংপুরে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে প্রচারণায় অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন। আখতার হোসেন আরও বলেন, ‘হ্যাঁ’ ভোটের মাধ্যমে কাঙ্ক্ষিত সংস্কার সম্পন্ন হলে রাষ্ট্রের প্রতিটি প্রতিষ্ঠান সুন্দরভাবে নাগরিকদের সেবা প্রদান করতে সক্ষম হবে। এর ফলে নাগরিকের অংশগ্রহণমূলক পদ্ধতির মাধ্যমে রাষ্ট্র পরিচালিত হবে এবং দেশে কোনো একক শাসন ব্যবস্থা আর বজায় থাকবে না। একইসাথে তিনি দাবি জানান যে, যারা ঋণখেলাপি এবং রাষ্ট্রের ট্যাক্স ফাঁকি দিয়ে চলছে, তারা যেন কোনোভাবেই এই নির্বাচনে অংশ নিতে না পারে।
জাতীয় ছাত্র শক্তির সভাপতি জাহিদ হাসান এই প্রচারণায় অংশ নিয়ে বলেন, বাংলাদেশের মানুষ চায় না একই ব্যক্তি ১০ বছরের বেশি সময় প্রধানমন্ত্রীর পদে আসীন থাকুক। দেশের মানুষ পুরনো আওয়ামী শাসনব্যবস্থাকে প্রত্যাখ্যান করেছে বলেই তারা গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট প্রদানের জন্য উন্মুখ হয়ে আছে। একই অনুষ্ঠানে ছাত্র শক্তির সাধারণ সম্পাদক আবু বাকের মজুমদার বলেন, অনেকেই বর্তমানে গণভোটে ‘নো’ ক্যাম্পেইন করছে; যারা বিরোধিতা করছে, তারাই আবার পরোক্ষভাবে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষেও কথা বলছে। তবে জুলাই অভ্যুত্থানের সব শক্তি ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষেই ঐক্যবদ্ধ থাকবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
এর আগে পীরগঞ্জের বাবনপুরে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রথম শহীদ আবু সাঈদের কবর জিয়ারত করেন এনসিপির জাতীয় ছাত্র শক্তির নেতৃবৃন্দ। এই জিয়ারতের মধ্য দিয়েই আনুষ্ঠানিকভাবে সংগঠনটি গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের প্রচারণা শুরু করলো। শহীদ আবু সাঈদের কবর জিয়ারত শেষে নেতৃবৃন্দ তার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন এবং তাদের সার্বিক খোঁজখবর নেন।

আপনার মতামত লিখুন