ঢাকা    বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

শাহজাদপুরে রাতের আঁধারে সড়ক ও জনপথের মাটি শতশত ট্রাকে যাচ্ছে ইটভাটায়



শাহজাদপুরে রাতের আঁধারে সড়ক ও জনপথের মাটি শতশত ট্রাকে যাচ্ছে ইটভাটায়

সন্ধ্যা নামলেই শুরু হয় মাটিখেকোদের আনাগোনা। রাতের গভীরতার সাথে সাথে বেপরোয়া হয়ে ওঠে মাটিদস্যুরা। প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে অন্ধকার গাঢ় হলেই মাটিবাহী দানবীয় ড্রাম ট্রাক তীব্র আলো জ্বালিয়ে একে একে জড়ো হয় নির্ধারিত স্থানে। ঘড়ঘড় আওয়াজ করে ভেকু মেশিন চালিয়ে খামচি দিয়ে মাটি তুলে সাজিয়ে দেয় ড্রাম ট্রাকে। এরপর মাটিভর্তি ট্রাকগুলো ছুটে যায় ইটভাটার দিকে। সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে এভাবেই রাতের অন্ধকারে সড়ক ও জনপথের মাটি কেটে ইটভাটায় বিক্রি করছে একটি অসাধু চক্র। প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিতেই মাটি ব্যবসায়ীরা রাতের অন্ধকারকে বেছে নিয়েছে বলে জানিয়েছে স্থানীয়রা। অপরদিকে খোঁজ নিয়ে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন শাহজাদপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাসফিকা হোসেন।

সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, উপজেলার রূপবাটি ইউনিয়নের বিন্নাদায়ির মহাসড়কের নীচে সড়ক ও জনপথের ক্যানেলে ভেকু মেশিন লাগিয়ে মাটি কেটে ভরা হচ্ছে ড্রাম ট্রাকে। একে একে ট্রাক ভর্তি করে তীব্র আলোর হেডলাইট জ্বালিয়ে ছুটে চলে সারি সারি ২৫/৩০টি ট্রাক। এসব ট্রাকের বেশিরভাগ ড্রাইভার ক্যামেরার সামনে কথা বলতে না চাইলেও দু'জন ড্রাইভার জানান, তারা শুধু ট্রাকে করে মাটি নিয়ে সাঁথিয়া উপজেলার সিলন্দা বাবলুর ইটভাটায় দিয়ে আসছে।

অপরদিকে ভেকু মেশিনের কাছে চেয়ার-টেবিল নিয়ে বসে থাকা মাটির পয়েন্টের ম্যানেজার পরিচয়দানকারী আকাশ জানান, শাহজাদপুর উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ পানি উন্নয়ন বোর্ডের অনুমতি নিয়ে মাটি কাটছে। সরকারের সব নিয়ম মেনেই কাটি কেটে বিক্রি করা হচ্ছে বলেও জানান তিনি।

বিষয়টি নিয়ে কথা হলে উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ বলেন, সড়ক ও জনপথের জায়গা থেকে তিনি মাটি কাটছেন না। তবে পানি উন্নয়ন বোর্ডের কাছে থেকে টেন্ডারের মাধ্যমে অনুমতি পেয়ে নদী খননের বালু কেটে বিক্রি করছেন বলে জানান তিনি।

এ বিষয়ে সিরাজগঞ্জ সড়ক ও জনপথের নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ ইমরান ফারহান সুমেল মুঠোফোনে জানান, তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন হবে।

আপনার মতামত লিখুন

দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬


শাহজাদপুরে রাতের আঁধারে সড়ক ও জনপথের মাটি শতশত ট্রাকে যাচ্ছে ইটভাটায়

প্রকাশের তারিখ : ১৭ জানুয়ারি ২০২৬

featured Image

সন্ধ্যা নামলেই শুরু হয় মাটিখেকোদের আনাগোনা। রাতের গভীরতার সাথে সাথে বেপরোয়া হয়ে ওঠে মাটিদস্যুরা। প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে অন্ধকার গাঢ় হলেই মাটিবাহী দানবীয় ড্রাম ট্রাক তীব্র আলো জ্বালিয়ে একে একে জড়ো হয় নির্ধারিত স্থানে। ঘড়ঘড় আওয়াজ করে ভেকু মেশিন চালিয়ে খামচি দিয়ে মাটি তুলে সাজিয়ে দেয় ড্রাম ট্রাকে। এরপর মাটিভর্তি ট্রাকগুলো ছুটে যায় ইটভাটার দিকে। সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে এভাবেই রাতের অন্ধকারে সড়ক ও জনপথের মাটি কেটে ইটভাটায় বিক্রি করছে একটি অসাধু চক্র। প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিতেই মাটি ব্যবসায়ীরা রাতের অন্ধকারকে বেছে নিয়েছে বলে জানিয়েছে স্থানীয়রা। অপরদিকে খোঁজ নিয়ে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন শাহজাদপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাসফিকা হোসেন।

সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, উপজেলার রূপবাটি ইউনিয়নের বিন্নাদায়ির মহাসড়কের নীচে সড়ক ও জনপথের ক্যানেলে ভেকু মেশিন লাগিয়ে মাটি কেটে ভরা হচ্ছে ড্রাম ট্রাকে। একে একে ট্রাক ভর্তি করে তীব্র আলোর হেডলাইট জ্বালিয়ে ছুটে চলে সারি সারি ২৫/৩০টি ট্রাক। এসব ট্রাকের বেশিরভাগ ড্রাইভার ক্যামেরার সামনে কথা বলতে না চাইলেও দু'জন ড্রাইভার জানান, তারা শুধু ট্রাকে করে মাটি নিয়ে সাঁথিয়া উপজেলার সিলন্দা বাবলুর ইটভাটায় দিয়ে আসছে।

অপরদিকে ভেকু মেশিনের কাছে চেয়ার-টেবিল নিয়ে বসে থাকা মাটির পয়েন্টের ম্যানেজার পরিচয়দানকারী আকাশ জানান, শাহজাদপুর উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ পানি উন্নয়ন বোর্ডের অনুমতি নিয়ে মাটি কাটছে। সরকারের সব নিয়ম মেনেই কাটি কেটে বিক্রি করা হচ্ছে বলেও জানান তিনি।

বিষয়টি নিয়ে কথা হলে উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ বলেন, সড়ক ও জনপথের জায়গা থেকে তিনি মাটি কাটছেন না। তবে পানি উন্নয়ন বোর্ডের কাছে থেকে টেন্ডারের মাধ্যমে অনুমতি পেয়ে নদী খননের বালু কেটে বিক্রি করছেন বলে জানান তিনি।

এ বিষয়ে সিরাজগঞ্জ সড়ক ও জনপথের নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ ইমরান ফারহান সুমেল মুঠোফোনে জানান, তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন হবে।


দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ ফয়সাল আলম , মোবাইল- ০২৪১০৯১৭৩০
  প্রধান সম্পাদক: মো: আতাউর রহমান, মোবাইল: 01711-070054

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ