সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর উপজেলার বিস্তীর্ণ মাঠ এখন সরিষার হলুদ ফুলে দোল খাচ্ছে। প্রবাহমান যমুনা, করতোয়া, বড়াল ও হুরাসাগর নদীর পলি মিশ্রিত নরম মাটিতে কৃষকের ছোঁয়ায় এই মাঠ প্রাণ ফিরে পেয়েছে। মৃদু বাতাসে কেঁপে ওঠা সরিষার ফুলে প্রজাপতি ও মৌমাছির খেলা গ্রামীণ পরিবেশকে আরও মনোমুগ্ধকর করেছে।
উপজেলায় ভোজ্য তেলের চাহিদা বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে সরিষা চাষও বেড়েছে। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর জানায়, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে শাহজাদপুরে ১৬,৫০০ হেক্টর জমিতে সরিষা আবাদ হয়েছে। এর মধ্যে ১,৩০০ হেক্টরে মৌচাষিরা বাক্স বসিয়ে মধু সংগ্রহ করছেন। উপজেলার বিভিন্ন এলাকার সরিষা ক্ষেতে প্রায় ২,০০০ মৌবাক্স স্থাপন করে মধু আহরণ করা হচ্ছে।
নরিনা ইউনিয়নের পারকোলা সরিষা ক্ষেতের একটি মৌচাষি জানান, তিনি ১০০টি বাক্স বসিয়েছেন। বিশেষভাবে তৈরি এই বাক্সে রানী মৌমাছি রেখে ফুল থেকে ফুলে মধু সংগ্রহ করা হয়। ইতোমধ্যেই সরিষার ফুল থেকে ৫ মণ মধু আহরণ করা হয়েছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে ২০–২২ মণ পর্যন্ত মধু আহরণ সম্ভব হবে।
শাহজাদপুর উপজেলা কৃষি অফিসার জানান, চলতি বছর ১৮ জন মৌচাষি ২,০০০ মৌবাক্সে মধু সংগ্রহ করছেন। মধু উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ২৭,০০০ কেজি। ইতোমধ্যেই ৩,৯৪১ কেজি মধু আহরণ করা হয়েছে। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তারা মাঠপর্যায়ে সার্বক্ষণিক কারিগরি সহায়তা ও পরামর্শ দিয়ে আসছেন।
শাহজাদপুরের এই হলুদ সমুদ্র ও মৌমাছির কীর্তি গ্রামের মানুষের জন্য নতুন আশা ও অর্থনৈতিক সুযোগ সৃষ্টি করেছে।

বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ জানুয়ারি ২০২৬
সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর উপজেলার বিস্তীর্ণ মাঠ এখন সরিষার হলুদ ফুলে দোল খাচ্ছে। প্রবাহমান যমুনা, করতোয়া, বড়াল ও হুরাসাগর নদীর পলি মিশ্রিত নরম মাটিতে কৃষকের ছোঁয়ায় এই মাঠ প্রাণ ফিরে পেয়েছে। মৃদু বাতাসে কেঁপে ওঠা সরিষার ফুলে প্রজাপতি ও মৌমাছির খেলা গ্রামীণ পরিবেশকে আরও মনোমুগ্ধকর করেছে।
উপজেলায় ভোজ্য তেলের চাহিদা বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে সরিষা চাষও বেড়েছে। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর জানায়, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে শাহজাদপুরে ১৬,৫০০ হেক্টর জমিতে সরিষা আবাদ হয়েছে। এর মধ্যে ১,৩০০ হেক্টরে মৌচাষিরা বাক্স বসিয়ে মধু সংগ্রহ করছেন। উপজেলার বিভিন্ন এলাকার সরিষা ক্ষেতে প্রায় ২,০০০ মৌবাক্স স্থাপন করে মধু আহরণ করা হচ্ছে।
নরিনা ইউনিয়নের পারকোলা সরিষা ক্ষেতের একটি মৌচাষি জানান, তিনি ১০০টি বাক্স বসিয়েছেন। বিশেষভাবে তৈরি এই বাক্সে রানী মৌমাছি রেখে ফুল থেকে ফুলে মধু সংগ্রহ করা হয়। ইতোমধ্যেই সরিষার ফুল থেকে ৫ মণ মধু আহরণ করা হয়েছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে ২০–২২ মণ পর্যন্ত মধু আহরণ সম্ভব হবে।
শাহজাদপুর উপজেলা কৃষি অফিসার জানান, চলতি বছর ১৮ জন মৌচাষি ২,০০০ মৌবাক্সে মধু সংগ্রহ করছেন। মধু উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ২৭,০০০ কেজি। ইতোমধ্যেই ৩,৯৪১ কেজি মধু আহরণ করা হয়েছে। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তারা মাঠপর্যায়ে সার্বক্ষণিক কারিগরি সহায়তা ও পরামর্শ দিয়ে আসছেন।
শাহজাদপুরের এই হলুদ সমুদ্র ও মৌমাছির কীর্তি গ্রামের মানুষের জন্য নতুন আশা ও অর্থনৈতিক সুযোগ সৃষ্টি করেছে।

আপনার মতামত লিখুন