রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ মোড়ে করিম ফিলিং স্টেশনের রিপন সাহা (৩০) নামের একজন কর্মী তেলের টাকা দাবি করার সময় গাড়িচাপায় নিহত হয়েছেন। পুলিশ জানিয়েছে, এটি কোনো দুর্ঘটনা নয়, বরং ইচ্ছাকৃতভাবে সংঘটিত হত্যাকাণ্ড।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, একটি কালো জিপ গাড়ি ফিলিং স্টেশনে এসে তেলের টাকা নেয়। চালক ও মালিক টাকা না দিয়ে চলে যাওয়ার চেষ্টা করলে রিপন গাড়ির সামনে দাঁড়িয়ে টাকা চাইতে থাকেন। তখন গাড়িটি চাপা দিয়ে পালিয়ে যায়, ফলে রিপন ঘটনাস্থলেই মারা যান।
পুলিশ দ্রুত ব্যবস্থা নিয়ে গাড়িটি বাজেয়াপ্ত করেছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে গ্রেপ্তার করা হয়েছে সাবেক জেলা যুবদল নেতা আবুল হাসেম সুজন এবং তার চালক কামাল হোসেনকে।
স্থানীয় ছাত্র ও শ্রমিক সংগঠনগুলো এই হত্যাকাণ্ডকে নৃশংস ও অসহনীয় বলেছে এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি তুলেছে। তারা নিহতের পরিবারকে যথাযথ ক্ষতিপূরণ এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য সরকারের কাছে অনুরোধ জানিয়েছেন।
স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে, ঘটনার সর্ববিস্তার তদন্ত চলছে এবং আইন অনুযায়ী দ্রুত বিচার নিশ্চিত করা হবে। এই নৃশংস ঘটনার ফলে এলাকায় উদ্বেগ তৈরি হয়েছে এবং সাধারণ মানুষ তাদের নিরাপত্তা ও ন্যায্য দাবির রক্ষার গুরুত্ব পুনরায় অনুভব করছেন।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ জানুয়ারি ২০২৬
রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ মোড়ে করিম ফিলিং স্টেশনের রিপন সাহা (৩০) নামের একজন কর্মী তেলের টাকা দাবি করার সময় গাড়িচাপায় নিহত হয়েছেন। পুলিশ জানিয়েছে, এটি কোনো দুর্ঘটনা নয়, বরং ইচ্ছাকৃতভাবে সংঘটিত হত্যাকাণ্ড।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, একটি কালো জিপ গাড়ি ফিলিং স্টেশনে এসে তেলের টাকা নেয়। চালক ও মালিক টাকা না দিয়ে চলে যাওয়ার চেষ্টা করলে রিপন গাড়ির সামনে দাঁড়িয়ে টাকা চাইতে থাকেন। তখন গাড়িটি চাপা দিয়ে পালিয়ে যায়, ফলে রিপন ঘটনাস্থলেই মারা যান।
পুলিশ দ্রুত ব্যবস্থা নিয়ে গাড়িটি বাজেয়াপ্ত করেছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে গ্রেপ্তার করা হয়েছে সাবেক জেলা যুবদল নেতা আবুল হাসেম সুজন এবং তার চালক কামাল হোসেনকে।
স্থানীয় ছাত্র ও শ্রমিক সংগঠনগুলো এই হত্যাকাণ্ডকে নৃশংস ও অসহনীয় বলেছে এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি তুলেছে। তারা নিহতের পরিবারকে যথাযথ ক্ষতিপূরণ এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য সরকারের কাছে অনুরোধ জানিয়েছেন।
স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে, ঘটনার সর্ববিস্তার তদন্ত চলছে এবং আইন অনুযায়ী দ্রুত বিচার নিশ্চিত করা হবে। এই নৃশংস ঘটনার ফলে এলাকায় উদ্বেগ তৈরি হয়েছে এবং সাধারণ মানুষ তাদের নিরাপত্তা ও ন্যায্য দাবির রক্ষার গুরুত্ব পুনরায় অনুভব করছেন।

আপনার মতামত লিখুন