ফরিদপুরের চরভদ্রাসন উপজেলায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে অবৈধ ভেকু ধ্বংসের ঘটনায় ভেকু মালিক ক্ষিপ্ত হয়ে দুই সাংবাদিকের নামে থানায় মিথ্যা অভিযোগ দায়ের করায় স্থানীয় সাংবাদিক সমাজ বিব্রত ও ক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছে।
জানা গেছে, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জালাল উদ্দিনের নির্দেশে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) জায়েদ হোসেন চরভদ্রাসন থানার পুলিশ সদস্যদের সঙ্গে নিয়ে মাথাভাঙ্গা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করেন। অভিযানে অবৈধভাবে মাটি কাটায় ব্যবহৃত একটি ভেকু মেশিন ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে বিনষ্ট করা হয়। এ সংক্রান্ত ভিডিও রিপোর্ট জাতীয় দৈনিক মাত্রা পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে।
এ ঘটনার পর ভেকুর মালিক রায়হান চরভদ্রাসন থানায় দুই সাংবাদিকের বিরুদ্ধে ভেকু ভাঙচুর ও চাঁদাবাজির অভিযোগ করে লিখিত আবেদন করেন। তবে তদন্তে জানা গেছে, অভিযানের সময় ওই দুই সাংবাদিক ঘটনাস্থলেই উপস্থিত ছিলেন না।
এ বিষয়ে উপজেলা সহকারী কমিশনার জায়েদ হোসেন বলেন, অভিযানের সময় যাদের নামে অভিযোগ দেওয়া হয়েছে তারা কেউ সেখানে ছিলেন না। অবৈধ ভেকু ব্যবহারের বিষয়টি প্রশাসনের দায়িত্বের মধ্যেই পড়ে এবং সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
চরভদ্রাসন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জালাল উদ্দিন জানান, অবৈধভাবে মাটি কাটার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
চরভদ্রাসন থানার অফিসার ইনচার্জ আনোয়ার হোসেন বলেন, ভেকুর মালিক থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। তদন্ত করে দেখা গেছে, অভিযোগে উল্লেখিত সাংবাদিকদের ঘটনার সঙ্গে কোনো ধরনের সম্পৃক্ততা নেই।
এদিকে, বাংলাদেশ প্রেসক্লাবের চরভদ্রাসন উপজেলা শাখার সভাপতি সিনিয়র সাংবাদিক আব্দুস সালাম মোল্লার নেতৃত্বে এক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় সাংবাদিকদের নামে মিথ্যা অভিযোগের প্রতিবাদ জানিয়ে জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের কাছে লিখিত প্রতিবেদন দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পাশাপাশি শান্তিপূর্ণ মানববন্ধনের মাধ্যমে জনমত গড়ে তোলার আহ্বান জানানো হয়েছে।
স্থানীয় সুশীল সমাজও সাংবাদিকদের সম্মানহানি বন্ধে দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া এবং অবৈধ ভেকু দিয়ে মাটি কাটার সঙ্গে জড়িতদের কঠোরভাবে দমনের দাবি জানিয়েছে।

বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ জানুয়ারি ২০২৬
ফরিদপুরের চরভদ্রাসন উপজেলায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে অবৈধ ভেকু ধ্বংসের ঘটনায় ভেকু মালিক ক্ষিপ্ত হয়ে দুই সাংবাদিকের নামে থানায় মিথ্যা অভিযোগ দায়ের করায় স্থানীয় সাংবাদিক সমাজ বিব্রত ও ক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছে।
জানা গেছে, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জালাল উদ্দিনের নির্দেশে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) জায়েদ হোসেন চরভদ্রাসন থানার পুলিশ সদস্যদের সঙ্গে নিয়ে মাথাভাঙ্গা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করেন। অভিযানে অবৈধভাবে মাটি কাটায় ব্যবহৃত একটি ভেকু মেশিন ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে বিনষ্ট করা হয়। এ সংক্রান্ত ভিডিও রিপোর্ট জাতীয় দৈনিক মাত্রা পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে।
এ ঘটনার পর ভেকুর মালিক রায়হান চরভদ্রাসন থানায় দুই সাংবাদিকের বিরুদ্ধে ভেকু ভাঙচুর ও চাঁদাবাজির অভিযোগ করে লিখিত আবেদন করেন। তবে তদন্তে জানা গেছে, অভিযানের সময় ওই দুই সাংবাদিক ঘটনাস্থলেই উপস্থিত ছিলেন না।
এ বিষয়ে উপজেলা সহকারী কমিশনার জায়েদ হোসেন বলেন, অভিযানের সময় যাদের নামে অভিযোগ দেওয়া হয়েছে তারা কেউ সেখানে ছিলেন না। অবৈধ ভেকু ব্যবহারের বিষয়টি প্রশাসনের দায়িত্বের মধ্যেই পড়ে এবং সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
চরভদ্রাসন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জালাল উদ্দিন জানান, অবৈধভাবে মাটি কাটার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
চরভদ্রাসন থানার অফিসার ইনচার্জ আনোয়ার হোসেন বলেন, ভেকুর মালিক থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। তদন্ত করে দেখা গেছে, অভিযোগে উল্লেখিত সাংবাদিকদের ঘটনার সঙ্গে কোনো ধরনের সম্পৃক্ততা নেই।
এদিকে, বাংলাদেশ প্রেসক্লাবের চরভদ্রাসন উপজেলা শাখার সভাপতি সিনিয়র সাংবাদিক আব্দুস সালাম মোল্লার নেতৃত্বে এক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় সাংবাদিকদের নামে মিথ্যা অভিযোগের প্রতিবাদ জানিয়ে জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের কাছে লিখিত প্রতিবেদন দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পাশাপাশি শান্তিপূর্ণ মানববন্ধনের মাধ্যমে জনমত গড়ে তোলার আহ্বান জানানো হয়েছে।
স্থানীয় সুশীল সমাজও সাংবাদিকদের সম্মানহানি বন্ধে দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া এবং অবৈধ ভেকু দিয়ে মাটি কাটার সঙ্গে জড়িতদের কঠোরভাবে দমনের দাবি জানিয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন