রাজধানীর কেরানীগঞ্জে একটি বাসার ফ্ল্যাট থেকে মা ও মেয়ের অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) রাতে কেরানীগঞ্জের কালিন্দী ডায়াবেটিস বাজার এলাকার একটি বাসা থেকে মরদেহ দুটি উদ্ধার করা হয়।
নিহতরা হলেন—রোকেয়া রহমান (৩২) ও তার মেয়ে ফাতেমা (১৪)।
নিহতদের পরিবার জানায়, গত ২৫ ডিসেম্বর স্কুলছাত্রী ফাতেমা ওই এলাকার একটি বাড়িতে গৃহশিক্ষিকার কাছে পড়তে যায়। পরে বাড়িতে ফিরে না আসায় তাকে খুঁজতে বের হন তার মা রোকেয়া রহমান। এরপর থেকেই মা ও মেয়ের কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি।
স্বজনদের অভিযোগ, মা ও মেয়ে নিখোঁজ হওয়ার বিষয়টি পুলিশ ও বাড়িওয়ালাকে জানানো হলেও তারা কোনো কার্যকর সহযোগিতা করেননি।
নিহত রোকেয়া রহমানের স্বামী শাহীন আহমেদ বলেন, স্ত্রী ও সন্তানকে খুঁজতে তিনি বারবার ওই বাড়িতে গেলেও মালিকপক্ষের কোনো সহযোগিতা পাননি। পুলিশের কাছেও অভিযোগ গুরুত্ব পায়নি। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ওই বাড়ির দ্বিতীয় তলার একটি ফ্ল্যাট থেকে তীব্র দুর্গন্ধ ছড়াতে শুরু করলে পুলিশকে জানানো হয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে খাটের নিচে এবং বাথরুমের ছাদ থেকে মা ও মেয়ের অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করে।
তিনি আরও বলেন, জিডি করতে গেলে জিডি না নিয়ে উল্টো তাকেই দোষারোপ করা হয়েছে। পারিবারিক সমস্যার কারণে স্ত্রী ও সন্তান কোথাও চলে গেছে—এমন মন্তব্যও করা হয়। গত ২১ দিনে শতাধিকবার থানায় গেলেও কোনো সুবিচার পাননি তিনি।
তবে পুলিশের দাবি, অভিযোগ পাওয়ার পর থেকেই নিখোঁজদের সন্ধানে কাজ করছিল তারা। এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডে জড়িত সন্দেহে গৃহশিক্ষিকাসহ চারজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।
তদন্তকারী কর্মকর্তা মোহাম্মদ রনি চৌধুরী জানান, সিসিটিভি ফুটেজে নিহত মেয়েটিকে ঘর থেকে বের হতে দেখা গেছে। তবে এরপর সে কোন দিকে গেছে, তা ফুটেজে স্পষ্ট নয়। আর রোকেয়া রহমানকে গৃহশিক্ষিকার অন্য একটি ভাড়া বাসা থেকে বের হতে দেখা গেছে। বাকি সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহের চেষ্টা চলছে।
কেরানীগঞ্জ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এম সাইফুল আলম বলেন, প্রাথমিকভাবে এটি একটি পরিকল্পিত হত্যা বলে ধারণা করা হচ্ছে। বর্তমানে কাউকেই আটক দেখানো হয়নি। সন্দেহভাজনদের হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে এবং হত্যাকাণ্ডের কারণ উদ্ঘাটনে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ জানুয়ারি ২০২৬
রাজধানীর কেরানীগঞ্জে একটি বাসার ফ্ল্যাট থেকে মা ও মেয়ের অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) রাতে কেরানীগঞ্জের কালিন্দী ডায়াবেটিস বাজার এলাকার একটি বাসা থেকে মরদেহ দুটি উদ্ধার করা হয়।
নিহতরা হলেন—রোকেয়া রহমান (৩২) ও তার মেয়ে ফাতেমা (১৪)।
নিহতদের পরিবার জানায়, গত ২৫ ডিসেম্বর স্কুলছাত্রী ফাতেমা ওই এলাকার একটি বাড়িতে গৃহশিক্ষিকার কাছে পড়তে যায়। পরে বাড়িতে ফিরে না আসায় তাকে খুঁজতে বের হন তার মা রোকেয়া রহমান। এরপর থেকেই মা ও মেয়ের কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি।
স্বজনদের অভিযোগ, মা ও মেয়ে নিখোঁজ হওয়ার বিষয়টি পুলিশ ও বাড়িওয়ালাকে জানানো হলেও তারা কোনো কার্যকর সহযোগিতা করেননি।
নিহত রোকেয়া রহমানের স্বামী শাহীন আহমেদ বলেন, স্ত্রী ও সন্তানকে খুঁজতে তিনি বারবার ওই বাড়িতে গেলেও মালিকপক্ষের কোনো সহযোগিতা পাননি। পুলিশের কাছেও অভিযোগ গুরুত্ব পায়নি। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ওই বাড়ির দ্বিতীয় তলার একটি ফ্ল্যাট থেকে তীব্র দুর্গন্ধ ছড়াতে শুরু করলে পুলিশকে জানানো হয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে খাটের নিচে এবং বাথরুমের ছাদ থেকে মা ও মেয়ের অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করে।
তিনি আরও বলেন, জিডি করতে গেলে জিডি না নিয়ে উল্টো তাকেই দোষারোপ করা হয়েছে। পারিবারিক সমস্যার কারণে স্ত্রী ও সন্তান কোথাও চলে গেছে—এমন মন্তব্যও করা হয়। গত ২১ দিনে শতাধিকবার থানায় গেলেও কোনো সুবিচার পাননি তিনি।
তবে পুলিশের দাবি, অভিযোগ পাওয়ার পর থেকেই নিখোঁজদের সন্ধানে কাজ করছিল তারা। এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডে জড়িত সন্দেহে গৃহশিক্ষিকাসহ চারজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।
তদন্তকারী কর্মকর্তা মোহাম্মদ রনি চৌধুরী জানান, সিসিটিভি ফুটেজে নিহত মেয়েটিকে ঘর থেকে বের হতে দেখা গেছে। তবে এরপর সে কোন দিকে গেছে, তা ফুটেজে স্পষ্ট নয়। আর রোকেয়া রহমানকে গৃহশিক্ষিকার অন্য একটি ভাড়া বাসা থেকে বের হতে দেখা গেছে। বাকি সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহের চেষ্টা চলছে।
কেরানীগঞ্জ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এম সাইফুল আলম বলেন, প্রাথমিকভাবে এটি একটি পরিকল্পিত হত্যা বলে ধারণা করা হচ্ছে। বর্তমানে কাউকেই আটক দেখানো হয়নি। সন্দেহভাজনদের হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে এবং হত্যাকাণ্ডের কারণ উদ্ঘাটনে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন